ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১১৬)
, ২৮ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৮ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৮ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ০৪ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এবং আরো বলে দিলেন-
أَنَّ نَبِيَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: مِنْ شَجَرَةٍ النُّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلَفِ الْمَلَائِكَةِ، وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدَنِ الْعِلْمِ
অত্র পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে, পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক উনার ব্যাখ্যায়।
فَإِنَّ اللهَ هُوَ مَوْلاهُ وَجِبْرِيلُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمَلائِكَةُ بَعْدَ ذٰلِكَ ظَهِيرٌ
এখানে বলা হচ্ছে সকলে গোলাম, খাদিম। সেটাই মহাসমম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলতেছেন যে দেখ, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে পবিত্র করেছেন, কতো পবিত্র? উনারা এতো পবিত্র যে নুবুওওয়াতের বৃক্ষ, রিসালতের মূল, অতপর নুবুওওয়াত, রিসালত, সমস্ত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের গোলামী, ইলিম মুবারক উনার খনি এবং রহমত উনার ঘর থেকেও আমরা বেনিয়াজ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অর্থাৎ এখানে বুঝার জন্য সহজ আমরা নিয়ামতের মুহতাজ না, ছহিবে নিয়ামত, নিয়ামতের মালিক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যত নিয়ামত দেখে থাকো এটার মুহতাজ কিন্তু আমরা না, তোমরা মুহতাজ থাকতে পারো। আমরা যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুহতাজ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এক কথায় এতটুকু। কাজেই বিষয়গুলি বললেই শুধু বুঝা যাবে না, অনেক ফিকিরের বিষয় রয়ে গেছে। পবিত্র কুরআন শরীফ সূক্ষè বিষয়। যে ঘটনাটা আমরা বলেছি, হযরত ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিষয়। ইবনে জাওযী অনেক বড় আলিম। গাউছুল আ’যম হযরত বড় পীর ছাহের রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার যামানায় তিনি। তখনকার সময় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আলিম বলা হতো হযরত ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! জাহেরী আলিম হিসাবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আলিম ইবনে জাওযী। উনার কাছে কেউ পড়তে পারলে সে মনে করতো তার যিন্দিগী কামিয়াব।
সেই ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাফসীর করতেছিলেন, একাধারা দু’বছর ধরে করলেন-
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
সহজ অর্থ হচ্ছে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি একেক দিন একেক শান মুবারকে থাকেন। তিনি পৃথিবীর বিশ্বখ্যাত আলিম, অনেক বড় আলিম, অনেক বড় ফক্বীহ, জাহিরী ইলিমের দ্বারা পরিপূর্ণ। হাদীছ, তাফসীর, ফিক্বাহ, ফতওয়া কোনটাই কমতি উনার নেই। ইবনে জাওযীকে প্রশ্ন করতে সময় লাগে জাওয়াব দিতে সময় লাগে না, এমন আলিম। দু’বছর হয়ে গেল। যেহেতু ইলমে তাছাওউফ শিখা হয়নি, অন্তরে একটু ফখর থাকাটা স্বাভাবিক। তিনি ফখর করছিলেন তখন একজন ব্যক্তি আসলেন। যখন মাহফিল শেষ হয়ে গেল, একাধারা দু’বছর তিনি তাফসীর করছেন, প্রতিদিনে করেন। অনেক আলোচনা। এক ব্যক্তি এসে বলল, হে ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি! আপনার আলোচনা শুনে, ওয়াজ শুনে মনে হচ্ছে, আপনি অনেক গভীর ইলিমের অধিকারী। হ্যাঁ, গভীর ইলেিমর অধিকারী। দু’বছর ধরে আপনি তাফসীর করতেছেন, মনে হচ্ছে অনেক বাকি রয়ে গেছে? হ্যাঁ, অনেক বাকি রয়ে গেছে। এতে তিনি নিজে একটু অনুভব করলেন নিজের বড়ত্ব, আমিত্ব। হ্যাঁ, অনেক বাকি আছে এবং গভির ইলিমের অধিকারী তিনি। তখন সে ব্যক্তি বললেন, আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি একেক সময় একেক শান মুবারকে থাকেন তাহলে এখন, এই মুহূর্তে, এই সময় যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? তিনি চুপ হয়ে গেলেন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ছহিবে নিসাব প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব (৫)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫৬)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রসঙ্গ: পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট মাসায়িল
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা বেমেছাল ফযীলত মুবারকের অধিকারী
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৩)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা শক্ত হারাম, রয়েছে কঠিন শাস্তি
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫৫)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারকসমূহ যারা পালন করেন উনাদেরকে অনেক ফযীলত দেয়ার সাথে সাথে তিনটি বিশেষ ফযীলত হাদিয়া করা হয়-
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












