ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫)
, ১১ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৪ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের খুছূছিয়ত মুবারক সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা মুবারক করেছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার অসংখ্য ও অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ! হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের খুছূছিয়ত মুবারক, বৈশিষ্ট্য মুবারক সম্পর্কে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন এবং উনার যিনি হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও স্বয়ং নিজে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী, সম্মান মুবারক বলে দিয়েছেন বান্দা-বান্দি, উম্মতের অবগতির জন্য। সুবহানাল্লাহ! পূর্ববর্তী তিনখানা কিতাব মুবারক, একশ’খানা ছহীফাহ মুবারক, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে অসংখ্য ও অগণিত জায়গায় উনাদের ছানা-ছিফত, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী, সম্মান মুবারক উল্লেখ করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلنَّبِيُّ أَوْلٰى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنفُسِهِمْ وَأَزْوَاجُهٗ أُمَّهَاتُهُمْ
অর্থ : মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন মু’মিনদের জান-প্রাণ থেকে বেশি প্রিয়। সুবহানাল্লাহ! আর (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত জিন-ইনসান তথা সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত পিতা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন সমস্ত জিন-ইনসান তথা সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত মাতা আলাইহিন্নাস সালাম। ” সুবহানাল্লাহ!
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে স্বয়ং যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল শান-মান, খুছূছিয়ত, বুযূর্গী মুবারক বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার পরে যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল মুরসালীন, যিনি খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান ও ফযীলত মুবারক। সুবহানাল্লাহ! আর হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন, মালিকুত দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ। উনাদের বৈশিষ্ট্য, ফযীলত, বুযূর্গী, সম্মান মুবারক সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِينَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيقَةِ عَلَيْهَا السَّلَّامُ اَمَا اَنِّـىْ سَـمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَنْ يـَحْنُو عَلَيْكُنَّ بَعْدِى اِلَّا الصَّالِـحُوْنَ
অর্থ : সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সমস্ত সৃষ্টি সাবধান হয়ে যাও! সতর্ক হয়ে যাও! নিশ্চয়ই আমি স্বয়ং যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুনেছি। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমার পরে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে উত্তম ব্যবহার মুবারক করবে কারা? যারা নেককার, ছলিহীন বান্দা-বান্দিদের অন্তর্ভুক্ত। ” সুবহানাল্লাহ!
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে দু’টি জিনিস স্পষ্ট হলো- এক. যারা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরে শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক বিশ্বাস করে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম মুবারক করবে তারা অবশ্যই ছলিহীন, নেককারদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। সুবহানাল্লাহ! দুই. যারা উনাদেরকে তা’যীম-তাকরীম করবে না, উনাদের সম্পর্কে চু-চেরা কীল-কাল করবে সে একটা বদকার, ফাসিক, চরম গোমরাহ ও কাট্টা কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হবে। নাউযুবিল্লাহ!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুলতান আব্দুল হামিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইলদিজ প্রাসাদে ইফতার আয়োজনের স্মৃতিকথা
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৬)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের অনবদ্য তাজদীদ মুবারক-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের হাঁচি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৬)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক পবিত্র কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












