ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য ও হুকুম-আহ্কাম (৩৬)
, ০১ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৮ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
মহান আল্লাহ পাক তিনি আয়াত শরীফ নাযিল করবেন, হুকুম-আহ্কাম নাযিল করবেন, সেটাই জারী করে দিবেন আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
তোমরা বসে বসে কষ্ট দিচ্ছ আর মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সে কষ্ট বরদাস্ত করে যাচ্ছেন। যেহেতু ওহী নাযিল হচ্ছে না সেহেতু কিছুই বলছেন না। তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি ওহী নাযিল করে দিলেন।
মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্ট বলে দিলেন যাতে উম্মতের ইহ্সান হয়। উম্মতকে উপকার করার জন্য, ঈমান হিফাযতের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি আয়াত শরীফ নাযিল করে দিলেন।
কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উম্মত কষ্ট দিবে, তাহলে তো ঈমান থাকতে পারে না। তারা ঈমানহারা হয়ে জাহান্নামী হয়ে কাফির হয়ে ইন্তিকাল করবে।
যাতে তারা ঈমান নিয়ে যেতে পারে, মুসলমান হয়ে, খালিছ মুসলমান হয়ে যেতে পারে, সেজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি
وَاللهُ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ
মহান আল্লাহ পাক তিনি সত্য বলতে লজ্জা করেন না। মহান আল্লাহ পাক তিনি সত্য বলে থাকেন। সেখানে কাউকে পরওয়া করেন না।
সেটাই বলে দিলেন মহান আল্লাহ পাক তিনি যে, তোমরা এমন আচরণ করনা বরং এভাবে করো। আর সেটাই আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জানিয়ে দিলেন। তাই বলা হয়েছে-
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ
“নিশ্চয়ই আমিই নাযিল করেছি এবং আমিই হিফাযত করব। ”
মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করেছেন হুকুম-আহ্কাম এবং হিফাযতের জিম্মাদার মহান আল্লাহ পাক। মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যম দিয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটা জারী করে দিয়েছেন; এবং হিফাযতের ব্যবস্থা করেছেন।
এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذَا سَأَلْتُمُوهُنَّ مَتَاعًا فَاسْأَلُوهُنَّ مِنْ وَّرَاءِ حِجَابٍ
“যখন তোমরা মেয়েদের নিকট কিছু চাবে তখন পর্দার আড়াল থেকে চেও। ”
পূর্বে বলা হয়েছে, তোমরা অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করো। বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করবে না। পর্দা রক্ষা করবে।
আর যেটা অন্য আয়াত শরীফে বলা হয়েছে-
وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولٰى
“তোমরা ঘরে পর্দার সহিত থেকো। বে-পর্দা হয়ে, বস্ত্রহীন হয়ে, সৌন্দর্য প্রদর্শন করে, আইয়ামে জাহিলিয়াতের মত রাস্তায় ঘুরে বেড়িও না। ”
বে-পর্দা হতে নিষেধ করে দেয়া হয়েছে। পর্দা রক্ষা করার জন্য আদেশ করা হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কোন মুসলমানের জন্য কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা জায়েয নেই
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড এর পরিচিতি এবং উদ্দেশ্য (৬)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্বদরের রাত্রিতে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম যমীনে নাযিল হয়ে তিন ব্যক্তির উপর খাছ রহমত বর্ষণের দুআ করেন-
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আসমাউর রিজাল, জারাহ ওয়াত তা’দীল, উছুলে হাদীছ শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাকে জাল বলছে ওহাবী সালাফীরা (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দুনিয়ার তাছীর বা ক্রিয়া থেকে প্রত্যেক ব্যক্তির সতর্ক থাকা আবশ্যক
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রোযা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












