সর্বশ্রেষ্ঠ রাত পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ উনার রাত মুবারক) আজ থেকে প্রায় ৭০০ বছর আগের শ্রেষ্ঠত্বের পক্ষে দলীলসমূহ (২য় পর্ব)
, ১১ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৬ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৫ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ১০ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহিলাদের পাতা
সম্মানিত দুই রাত মুবারক পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ না পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ রাত মুবারক) কোনটি শ্রেষ্ঠ? প্রখ্যাত মালেকী ফক্বীহ ও মুহাদ্দিছ হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মারজুক আত-তিলেমসানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৭৮১ হিজরী, ১৩৭৯ ঈসায়ী) রচনা করেন এক কালজয়ী গ্রন্থ: যার আরবী নাম-
جنى الجنتين في شرف الليلتين: ليلة القدر - ليلة المولد
অর্থাৎ “দুই রাতের মর্যাদা সম্পর্কে দুই জান্নাতের ফল, পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ ও পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক।
এই কিতাবটি রচনার মূল প্রেক্ষাপট ও ঐতিহাসিক কারণ:- প্রথম পর্বে ১. আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুসা ইবনে মুহম্মদ আল-লখমি আল-গারনাতি আশ-শাতিবী- (ওফাত ৭৯০ হিজরী, ১৩৮৮ ঈসায়ী) এর বক্তব ও কিতাব আল-ই’তিসাম এর আলোচনা হয়েছে সেটা ছিল সমসাময়িক কিন্তু এর পূর্বে-
২. তাজউদ্দীন আবু হাফস উমর বিন আলী বিন সালেম বিন সাদাকাহ আল-লখমী আল-ফাকাহানী (ওফাত: ৭৩১ হিজরী, ১৩৩১ ঈসায়ী) তার লিখিত গ্রন্থ المورد في عمل المولد (আল-মাওরিদু ফি আমালিল মাওলিদ) কিতাবের
ক. পবিত্র মাওলিদ শরীফ বা (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক ওয়াজিব, মুস্তাহাব বা মুবাহ হতে পারে না; অতএব এটি কেবল মাকরুহ বা হারাম।
খ. পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ বা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহুম ও হযরত তাবেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের থেকে পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ রাত মুবারক) উনাদের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না।
গ. পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিছালী শন মুবারক প্রকাশ করেন, ফলে এতে আনন্দিত হওয়ার চেয়ে শোক প্রকাশ করাই যুক্তিযুক্ত।
ঘ. মূল সারসংক্ষেপ হলঃ আল-ফাকাহানীর কিতাবসহ অন্যান্যদের বক্তব্য লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত মুবারক উনার বিশেষ মর্যাদা নেই" সংক্রান্ত দাবির ওপর ভিত্তি করেই পবিত্র লাইলাতুল ক্বদরের প্রসঙ্গটিকে মূল বিষয় দ্বার করিয়ে ২১টি যৌক্তিক কারণ (الوجوه) কিতাবটি সাজিয়েছেন এবং অসংখ্য দলিলের মাধ্যমে তিনি লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত মুবারক উনার শ্রেষ্ঠত্বের পক্ষে ২১টি কারণ উপস্থাপন করেন, এর পাশাপাশি ২১টি কারণের পরে আবার কি কি প্রশ্ন হতে পারে সেটাও উত্তর দিয়ে গেছেন। আমরা ২১টি কারণ ও তার পরের প্রশ্নের উত্তর ধারাবাহিক প্রকাশ করবো। ইনশাআল্লাহ!
২১টি যুক্তিসমূহ ধারাবাহিক প্রকাশ করা হলো। উক্ত কিতাব থেকে- (১৯১ থেকে ২০৫ পৃষ্ঠা পর্যন্ত-) ১-২-৩ যুক্তির পর ৪-৫-৬- প্রকাশ করা হল ।
الأدلة على أفضلية ليلة المولد
পবিত্র মাওলিদ শরীফ বা (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ): রাত মুবারক উনার শ্রেষ্ঠত্বের পক্ষে দলীলসমূহ :
الرابع: إنَّ ليلة القدر شرفت باعتبار ما خصت به، وهو منقض بانقضائها إلى مثلها من السنة المقبلة على الأرجح من القولين، وليلة المولد شرفت بمن ظهرت آثاره، وبهرت أنواره أبدًا في كل فرد من أفراد الزمان إلى انقضاء الدنيا.
চতুর্থ কারণ: নিশ্চয়ই পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ সম্মানিত হয়েছে এমন কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে যা উনাকে বিশেষভাবে প্রদান করা হয়েছে, যা দুটি মতের মধ্যে অধিক শক্তিশালী মতানুযায়ী সেটির সমাপ্তির সাথে সাথেই পরবর্তী বছরের ঠিক একই সময় পর্যন্ত শেষ হয়ে যায়। পক্ষান্তরে পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক সম্মানিত হয়েছে এমন এক মহাপবিত্র সত্তা মুবারক উনার মাধ্যমে, যাঁর নিদর্শনসমূহ প্রকাশিত হয়েছে এবং উনার মহাপবিত্র নূর মুবারক দুনিয়ার সমাপ্তি পর্যন্ত কালের প্রতিটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিরকাল আলোকোজ্জ্বল ও উদ্ভাসিত রয়েছে।
الخامس: إنَّ ليلة القدر شرفت بنزول الملائكة فيها، وليلة المولد شرفت بظهور النبي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فيها، ومن شرفت به ليلة المولد أفضل ممن شرفت بهم ليلة القدر على الأصح المرتضى، فتكون ليلة المولد أفضل من هذا الوجه وهو المطلوب.
পঞ্চম কারণ : নিশ্চয়ই পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ সম্মানিত হয়েছে সেটিতে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা অবতীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে, পক্ষান্তরে লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত মুবারক সম্মানিত হয়েছে সেটি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে। আর অধিক শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য মতানুযায়ী,( মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) রাত মুবারক যাঁর মাধ্যমে সম্মানিত হয়েছে, তিনি ওই সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ যাঁদের অবতীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ সম্মানিত হয়েছে। সুতরাং এই দিক বিবেচনা করেও লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক লাইলাতুল ক্বদর শরীফের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, আর এটিই কাক্সিক্ষত বিষয়।
السادس: الأفضلية عبارة عن ظهور فضل زائد في الأفضل، والليلتان معاً اشتركتا في الفضل بتنزل الملائكة فيهما معاً حسبما سبق مع زيادة ظهور خير الخلق صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ في ليلة المولد، ففضلت من هذا الوجه على القولين جميعاً في المفاضلة بين الملائكة والأنبياء عليهم الصلاة والسلام.
ষষ্ঠ কারণ: শ্রেষ্ঠত্ব হলো অধিক শ্রেষ্ঠ পবিত্র সত্তা মুবারকের মাঝে অতিরিক্ত ফজিলত বা মর্যাদার প্রকাশ ঘটা। আর উভয় মুবারক রাতই (পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ ও লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ) ইতিপূর্বে যেমনটি বর্ণিত হয়েছে, উভয়ের মধ্যে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের অবতীর্ণ হওয়ার ফজিলতের ক্ষেত্রে যৌথভাবে অংশীদার রয়েছে; তবে এর সাথে লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত মুবারক সৃষ্টিজগতের মূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশের অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য যুক্ত রয়েছে। সুতরাং হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম ও হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যকার শ্রেষ্ঠত্বের তুলনামূলক আলোচনায় উভয় মতানুযায়ীই এই দিক থেকে পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক অধিক ফজিলতপূর্ণ ও শ্রেষ্ঠ প্রমাণিত হয়েছে।
السابع: إنَّ ليلة القدر شرفت بنزول الملائكة عليهم الصلاة والسلام وانتقالهم من محالهم من الأعلى إلى الأرض، وليلة المولد (٤٥/ب) شرفت بوجوده صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وظهوره، وما شرف بالوجود والظهور أشرف مما شرف بالانتقال.
সপ্তম কারণ: নিশ্চয়ই পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ সম্মানিত হয়েছে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের অবতীর্ণ হওয়া এবং সর্বোচ্চ স্থান থেকে জমিনে উনাদের স্থানান্তরের মাধ্যমে। পক্ষান্তরে পবিত্র লাইলাতুল মাওলিদ শরীফ (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) রাত মুবারক (৪৫/ব অংশ) সম্মানিত হয়েছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র অস্তিত্ব মুবারক এবং উনার (মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ) দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশ উনার মাধ্যমে। আর উনার মহাপবিত্র অস্তিত্ব মুবারক ও আত্মপ্রকাশ উনার মাধ্যমে যে বিষয় সম্মানিত হয়, তা কেবল স্থানান্তরের মাধ্যমে সম্মানিত হওয়া কোনো বিষয়ের চেয়ে অনেক বেশি শ্রেষ্ঠ। (চলবে)
বর্তমান সময়ে অকাট্য, প্রকাশ্য দলিল দ্বারা এবং ৯০ দিনব্যাপী আজিমুশ্বন মাহফিল উনার ইন্তেজাম করে এই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ দিবস মুবারক তথা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন যিনি ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মহান মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম।
-খন্দকার মুহম্মদ আরিফ হাসান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র ১২ই শরীফ নিয়ে সাধারণ মানুষের উপলব্ধি এবং আমাদের করণীয়
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নূর মুবারক সৃষ্টি সম্পর্কিত হাদীছ শরীফ মুবারক
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
“প্রত্যেককে মু’মিনে কামিল হতে হবে” (২য় পর্ব)
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার ইন্তিজামকারী বিনা হিসাবে সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করবেন
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তালাক দেয়ার অধিকারী কে? চেয়ারম্যান, মেম্বার নাকি আহাল বা স্বামী? (৪)
২২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করা কাট্টা কুফরী
২২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শানে সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম
২১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“যিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন, তিনি অবশ্যই ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবেন এবং বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবেন”
২১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে ৪ শ্রেণীর লোকদের জন্য ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ ওয়াজিব হবে
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হাশরের ময়দানে যে ৫টি প্রশ্নের উত্তর প্রত্যেককেই দিতে হবে
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












