সম্পাদকীয়-১
সরকারের পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রকাশিত সিটিজেন পারসেপশন সার্ভে ২০২৫-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অনুযায়ী, জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে ৪৭ দশমিক ১৭ শতাংশ মানুষ। বাস্তবে চরম উদ্বিগ্ন দেশের ৯৮ ভাগ মানুষ।
জানমালের নিরাপত্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যার্থতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
, ০৯ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০১ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৫ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মব সন্ত্রাস, ধর্ষণ, নির্যাতন, খুন, অপহরণ, রাহাজানি ও কিশোর গ্যাং সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এমনকি বিভিন্ন মাজার শরীফেও ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। নাউজুবিল্লাহ! চলতি বছর দিনদুপুরেও বিভিন্ন যানবাহনে ছিনতাই হয়েছে অভিনব কায়দায়। ছিনতাইকালে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করছে ছিনতাইকারীরা। জানমাল ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে। শারীরিক হামলা, ঘরবাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে আক্রমণ, পাশাপাশি মূল্যবান সম্পদের নিরাপত্তা নিয়েও এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সরকার ডেভিল হান্ট ও ডেভিল হান্ট ফেজ-টুসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করলেও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে প্রত্যাশিত স্বস্তি আসেনি এবং সাধারণ মানুষের মনে বিরাজমান আতঙ্ক এখনো কাটেনি। অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চরম দায়িত্বহীনতা ও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রকাশিত সিটিজেন পারসেপশন সার্ভে (সিপিএস) ২০২৫-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে ৪৭ দশমিক ১৭ শতাংশ মানুষ। এছাড়া দেশের ৩৩ দশমিক ৯১ শতাংশ মানুষ শারীরিক হামলার আশঙ্কায় থাকার কথা বলেছে। ঘরবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে হামলার শঙ্কার কথা জানিয়েছে ৪১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচনকালীন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান উন্নতি আনা জরুরি। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে শুধু ভোটার উপস্থিতিই বাড়বে না, বরং নির্বাচনের প্রতি আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতাও বাড়বে। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে (বিদেশী বিনিয়োগসহ) নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে দেশের সার্বিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকারকে দ্রুত দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়া উচিত।
(২)
অন্তর্বর্তী সরকার এখনো দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য পর্যায়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। শুরু থেকেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে জানমাল ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলেও বাস্তব চিত্র তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কোথাও কোথাও অপরাধ সংঘটিত হলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এটি পুরো আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে। এ অবস্থার অবসান না ঘটলে আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা ও অবিশ্বাস আরো বিস্তৃত হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের জন্য এখনই দৃঢ়, নিরপেক্ষ ও কার্যকর উদ্যোগ নেয়া জরুরি।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার পর থেকেই নির্বাচনী পরিবেশ ঘিরে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রশ্ন ছিল নির্বাচনী নিরাপত্তা ঘিরে। এ প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হরহামেশাই বলে আসছেন যে নিরাপত্তাজনিত কোনো ঝুঁকি নেই। যদিও প্রকৃত চিত্র তার দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত।
(৩)
গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ক্রমেই বেড়েছে, যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। কেবল গত নভেম্বরে দেশে ৭২টি রাজনৈতিক সহিংসতায় ৭২৪ জন আহত এবং নিহত হয়েছেন নয়জন। রাজনৈতিক সহিংসতার তথ্য লক্ষ করলে আরো দেখা যায় অক্টোবরের তুলনায় এটি বেড়েছে। অক্টোবরে ৪৯টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৫৪৭ জন আহত ও দুজন নিহত হয়েছিলেন বলে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। রাজনৈতিক সহিংসতাই নয়, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় থেকে এ পর্যন্ত দেশে মব সহিংসতাও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ২৫৬টি ঘটনায় কমপক্ষে ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
(৪)
অন্তর্বর্তী সরকারের কর্তব্য জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এ দায়িত্ব পালন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল আচরণ ও ভূমিকা পালন করা উচিত। পুলিশ প্রশাসনকে দুষ্কৃতিকারীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে সর্বোচ্চ নজর দিতে হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে কর্মসূচির নামে সহিংসতা, বাসে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনা এবং এসব নাশকতা প্রতিরোধের নামে পাল্টা কর্মসূচি আকছার দেখা যায়। রাজনৈতিক দলগুলো নাগরিকদের জিম্মি করে কর্মসূচি পালন করতে অভ্যস্ত। এতে শেষ পর্যন্ত নাগরিকেরাই দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে পড়েন, নাশকতার আগুনে মৃত্যু হয়, সর্বস্ব হারান। এই ধারার সংঘাতময় রাজনীতির অবসান হচ্ছে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যার্থতায়।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ার পেছনে কোনো অজুহাত থাকতে পারে না, থাকা উচিত নয়।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়লেও সুবিধার বাইরে ৭১ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দারিদ্রের যাঁতাকল থেকে জনগণকে বের করে না আনলে দেশ অবিলম্বে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাঁচতে হলে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই পাওয়া যাবে প্রকৃত নিরাপত্তা ও সফলতা ইনশাআল্লাহ
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো ১৭ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজকের এ মহান দিনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নির্বাহী আদেশে নয় সাংবিধানিক ভাবেই রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র ঈদ উনার ছুটি কমপক্ষে ১৫ দিন হওয়া উচিত। ঈদ মুসলমানদের বাৎসরিক খুশীর দিন। সে খুশী পালনার্থে ৬৪ জেলাব্যাপী কোটি কোটি মুসলমানদের নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, অবস্থান করা এবং পুনরায় ফেরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে যাবতীয় ঈদ ব্যবস্থাপনা সরকারের একান্ত কর্তব্য ও অন্যতম বাস্তবতা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুবারক হো ১৫ই রমাদ্বান শরীফ! তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন্ নাবিইয়ি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জালিম ও তাবেদার সরকারের করে যাওয়া আত্মঘাতী পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আমলাদের বাধা অবদমন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর পূরো কর্তৃত্বের অধিকার সেনাবাহিনীকেই প্রতিফলিত করে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নতুন সরকারের উচিত দেশের পতিত জমির দিকে নজর দেয়া প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৫৫ হাজার শতক পতিত জমি আবাদের আওতায় এনে দেশকে মহা সমৃদ্ধ করা যায় যতদিন খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা না হবে ততদিন এসব নিয়ামত অধরাই থেকে যাবে (নাউযুবিল্লাহ)
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ১২ই রমাদ্বান শরীফ আজ। সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা সর্বোপরি নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সবার জন্য ফরজ।
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো মহিমান্বিত ১১ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজ ক্বায়িম-মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সৌদি আরবের প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির সাথে বাংলাদেশের আরো জোরদার সম্পৃক্ততা তথা লেনদেন দরকার সৌদি আরব বাংলাদেশের অর্থনীতি একে অপরের বিশেষ পরিপূরক হতে পারে।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












