লাভজনক হওয়ায় বিদেশি ফলের আবাদে ঝুঁকছে কৃষকরা
, ২৬ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২২ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ০৬ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) দেশের খবর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশে বিদেশি ফলের বাগানের সংখ্যা দিনে-দিনে বাড়ছে। বিদেশি ফল বাজারে বিক্রি করে অধিক লাভবান হওয়ায় এদিকে ঝুঁকছেন তরুণরাও। এতে দেশের পুষ্টি নিরাপত্তাও জোরদার হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ড্রাগন, মাল্টা, রাম্বুটান, স্ট্রবেরি, অ্যাভোকাডো, পার্সিমন, কাঠলিচু, সাম্মাম ও মাচায় বেড়ে ওঠা তরমুজের মতো উচ্চমূল্যের বিদেশি ফলগুলো দেশীয়ভাবে উৎপাদনে আমাদের কৃষি অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিতে অবদান রাখছে।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের (ডিএই) উদ্যানতত্ত¦ শাখার উপ-পরিচালক নাদিরা খানম বলেন, এই পরিবর্তন কেবল কৃষিকাজ সম্পর্কিত নয়, এটি স্মার্ট খামার সম্পর্কিতও।
তিনি আরো বলেন, ক্রমবর্ধমান দেশীয় চাহিদা মেটাতে এবং ফলের আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে আমরা কৃষকদের বিদেশি ফল চাষে উৎসাহিত করছি।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্যানুসারে, বিদেশি ফলের মোট উৎপাদন ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯২২ টন থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৫৭৭ টন। এক বছরে উৎপাদন ২১ হাজার টনেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে বিদেশি ফল চাষের জমির পরিমাণ ১৫ হাজার ৪৩১ থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ৫৬৮ হেক্টর হয়েছে।
নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার দুকু-ি গ্রামের কৃষক আকরাম হোসেন বলেন, আমি আমার পুকুরের চারপাশে রাম্বুটান চাষ করেছি। এ বছর ১ লাখ টাকার ফল বিক্রি হয়েছে। আগামী বছর এখান থেকে আড়াই লাখ টাকার বেশি আয়ের আশা করছি। ফলটি ৩ থেকে ৪ মাস স্থায়ী হয় এবং বাগানে প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয় এবং খুচরা বাজারে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়।
এদিকে, নাটোর সদর উপজেলার সৌখিন কৃষক সেলিম রেজা ২০১২ সাল থেকে ১৩ থেকে ১৪ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করে আসছেন। এর আগে তিনি পেয়ারা ও বরই চাষ করতেন। এখন তিনি ‘দৃষ্টান্ত অ্যাগ্রো ফার্ম অ্যান্ড নার্সারি’ পরিচালনা করেন। এটি ২৫ হেক্টর জমিতে বিস্তৃত এবং স্থানীয় ফলের পাশাপাশি অ্যাভোকাডো ও রাম্বুটানও সেখানে উৎপাদন করা হয়।
খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের মতো পাহাড়ি জেলায় বিদেশি ফলের চাষের ঊর্ধ্বগতি বিশেষভাবে দৃশ্যমান। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২২ সালে রাঙ্গামাটিতে শুধু ১ হাজার ১৭৯ হেক্টর জমি থেকে ১০ হাজার ৭২৯ টন মাল্টা উৎপাদিত হয়েছিল।
পাহাড়ি অঞ্চলে ড্রাগন ফল ছয় মাস ধরে সংগ্রহ করা হয় এবং বান্দরবান শহরেই এটি প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। সেখান থেকে ব্যবসায়ীরা ড্রাগন ফল চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ঢাকার প্রধান বাজারগুলোতে নিয়ে যায়। স্থানীয়ভাবে সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার পরেও প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি করা ফল বাজারে প্রাধান্য পায়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘এত খারাপ সময় আর আসেনি, সংসার আর চলছে না’
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ৫০ টাকা, ডিমের ডজন দেড়শ ছাড়ালো
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই -শিক্ষামন্ত্রী
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ঈদের আগে পোশাক শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ভিসা সহজীকরণে ৮ মুসলিম দেশের বৈঠক, সভাপতিত্বে বাংলাদেশ
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট-দোকানপাট
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসির সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বগুড়ার পশুর হাটে বিএনপি সিন্ডিকেটের দাপট
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দুর্নীতি-সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক পরিচয়ে বিবেচনা না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
তিন বিভাগে ভারি বৃষ্টির আভাস
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
খুনোখুনি থামছে না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে, সক্রিয় ৬ সশস্ত্র গোষ্ঠী
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
খুনোখুনি থামছে না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে, সক্রিয় ৬ সশস্ত্র গোষ্ঠী
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












