মহিলাদের জন্য হাত, পা ও চেহারা আবৃত করে ঘর থেকে বের হওয়া ফরজ। খোলা রেখে বের হওয়া হারাম, জায়েয বলা কুফরী (১০)
, ০৫ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৫ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ০৪ মে, ২০২৫ খ্রি:, ২১ বৈশাখ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহিলাদের পাতা
পবিত্র ক্বুরআন শরীফ থেকে মুখ ঢেকে পর্দা করার ৩য় দলীল :
وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلٰى جُيُوبِهِنَّ
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারাও মহিলাদের চেহারাসহ সমস্ত শরীর পর্দায় আবৃত করে ঘর থেকে বের হওয়া ফরয প্রমাণিত
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلٰى جُيُوبِهِنَّ-
অর্থ: মহিলার যেন তাদের গলা ও বক্ষদেশ ওড়না দ্বারা ঢেকে নেয়। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩১)
উল্লেখিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীর প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَة الصِّدِّيْقَة عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ يَرْحَمُ اللَّهُ نِسَاءَ المُهَاجِرَاتِ الأُوَلَ لَمَّا أَنْزَلَ اللَّهُ ”وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ“ شَقَّقْنَ مُرُوطَهُنَّ فَاخْتَمَرْنَ بِهَا-
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, প্রথম হিজরত কারিণী সম্মানিতা হযরত মহিলা ছাহাবিয়্যাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণ উনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার খাছ রহমত মুবারক বর্ষিত করুন। কেননা, পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ
وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلٰى جُيُوبِهِنَّ-
অর্থ: মহিলারা যেন তাদের গলা ও বক্ষদেশ ওড়না দ্বারা ঢেকে নেয়।
যখন এই সম্মানিত পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হলো তখন প্রথম হিজরতকারিণী সম্মানিতা হযরত মহিলা ছাহাবিয়্যাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণ উনারা উনাদের ইযার মুবারককে দু’টুকরা করেন। এক টুকরা দ্বারা উনারা ইযার হিসেবে ব্যবহার করেন এবং অন্য টুকরা দ্বারা উনারা উনাদের ওড়না হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে দেন। (বুখারী শরীফ, সুনানুল কুবরা লিল-বাইহাক্বী- ২/২৩৪, আবূ দাউদ শরীফ, জামি‘উর রুইয়াত- ৭/৬৯, মা‘য়ালিমুস সুনান- ৪/১৯৮)
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখিত فَاخْتَمَرْنَ بِهَا এর অর্থ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে-
فَاخْتَمَرْنَ بِهَا أي غطين وجوههن
অর্থ: উনারা উনাদের ওড়না দ্বারা চেহারাসমূহ ঢাকতে লাগলেন। (আত-তাওশীহু শারহুল জামি‘য়িছ ছহীহ-৭/২৯৬৪, উমদাতুল ক্বরী শারহু ছহীহিল বুখারী-১৯/৯২, জামি‘উল উছূল-২/২৮০, আর-রদ্দুল মুফহাম- ১৯ পৃষ্ঠা, ফাতহুল বারী লি-ইবনি হাজার-৮/৪৮৯, বুখারী শরীফ-৬/১০৯, আল-মুহীতুন ফীল আহাদীছিন নবভিয়্যাহ-১০১/১১)
-মুহম্মদ মুফীদ্বুর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মেহমানদারী করার মাধ্যমে উদযাপনে শাফায়াত মুবারক লাভ
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যে ৪ শ্রেণীর লোকদের জন্য ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ ওয়াজিব হবে
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সকল বিপদ-আপদে মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেই স্বরণ; এবং তাতেই মুক্তি
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সর্বক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রাধান্য দিতে হবে
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
শাহিদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশ্তে প্রবেশ করবে না
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












