খলিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আনআম শরীফ উনার ১২৫ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে হিদায়েত করতে চান, তার অন্তরকে ইসলাম উনার জন্য প্রসারিত করে দেন। আর যাকে গোমরাহ করতে চান অর্থাৎ যে গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় তার অন্তরকে সংকুচিত বা কঠিন করে দেন।”
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
তাই প্রত্যেকের উচিত কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে সেই মহা মূল্যবান নিয়ামত মুবারক হাছিল করা।
, ১৯ই রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৩ তাসি, ১৩৯০ শামসী সন , ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ২৮ই মাঘ, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন, উনার মধ্য থেকে কিছু আয়াতে মুহকামাত (স্পষ্ট আয়াত শরীফ) এগুলো হল কিতাব উনার মূল, আর অন্যগুলো হল আয়াতে মুতাশাবিহাত (ব্যাখ্যা সাপেক্ষ বা রূপক আয়াত শরীফ)। আর যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে তারা ফিৎনা সৃষ্টি ও অপব্যাখ্যা করার উদ্দেশ্যে রূপক আয়াত শরীফ উনাদের অনুসরণ করে। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত উনাদের সঠিক ব্যাখ্যা কেউ জানে না। আর যারা গভীর ইলম উনার অধিকারী, অর্থাৎ খাছ ইলমে লাদুন্নি প্রাপ্ত উনারা বলেন, আমাদের রব উনাদের পক্ষ থেকে যেসব (কিতাব) নাযিল হয়েছে, সেসব বিষয়ের প্রতি আমরা ঈমান আনলাম, আর জ্ঞানীরা ব্যতীত কেউ নছিহত গ্রহন করে না।”
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, এই মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারলাম যে, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আয়াত শরীফ দুই ধরণের। ১. মুহকামাত-স্পষ্ট আয়াত শরীফ ২. মুতাশাবিহাত- রূপক তথা ব্যাখ্যা সাপেক্ষ আয়াত শরীফ। অর্থাৎ মুহকাম আয়াত শরীফ উনাদের অর্থ স্পষ্ট, সহজেই উপলব্ধি করা যায় এবং অর্থ নির্ধারণ ও গ্রহণে কোন অসুবিধা হয় না। আর মুতাশাবিহ আয়াত শরীফ উনাদের অর্থ রূপক, ব্যাখ্যা ব্যতীত হাক্বীক্বী মর্ম উপলব্ধি করা সম্ভব না। তবে যারা রছিখুন তথা গভীর ইলম উনার অধিকারী উনারাই পারেন এই সমস্ত আয়াত শরীফ উনাদের মর্ম উদঘটন করতে। মুতাশাবিহ আয়াত শরীফ উনার উনার অর্থ করতে গিয়ে যাদের কম আক্বল-সমঝ রয়েছে তারা বলে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে হিদায়েত করেন, সেই হিদায়েত লাভ করে। আর যাকে গোমরাহ করেন কেউ তাকে হিদায়েত দিতে পারে না। তাহলে কি মহান আল্লাহ পাক তিনি একজনের একরকম চান আর আরেকজনের আরেক রকম চান? নাউযুবিল্লাহ! মূলত, এরূপ ধারণা পোষণ করা মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারক উনার খিলাফ। মেছাল স্বরূপ বলা যায়, একজন পিতা-মাতার একাধিক সন্তান থাকলে পিতা-মাতা সবার সাথেই সমান ব্যবহার করেন। কিন্তু যে সন্তান পিতা-মাতার অনুগত, স্বাভাবিক ভাবেই পিতা-মাতা সেই সন্তানের প্রতি মায়া মুহব্বত বেশী থাকে। আর যে সন্তান তাদের অনুগত নয়, সে অনুগত না হওয়ার কারণে আদর মুহব্বত পায় না। অথচ পিতা-মাতা চায় সবাইকে সমান মুহব্বত করতে। অন্যদিকে যে সন্তান অনুগত নয় তাকেও যে মুহব্বত করা হয়না তা কিন্তু নয়। তদ্রুপ যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে রুজু হয়, সেই হিদায়েত পায়। আর যে উনার দিকে রুজু হয় না, ফরমাবরদারি করে না, গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে সে হিদায়েত লাভ করতে পারে না।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র সূরা আনআম শরীফ উনার ১২৫ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে হিদায়েত করতে চান, তার অন্তরকে ইসলাম উনার জন্য প্রসারিত করে দেন। আর যাকে গোমরাহ করতে চান অর্থাৎ যে গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় তার অন্তরকে সংকুচিত বা কঠিন করে দেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা যুমার শরীফ উনার ২২ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে ইসলাম উনার জন্য প্রসারিত করেন, তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নূরে নূরান্বিত হয়ে যান। যার অন্তর মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির না করার কারণে কঠিন হয়ে যায়, তার জন্য ধ্বংস, জাহান্নাম। তারাই প্রকাশ্য গোমরাহির মধ্যে রয়েছে।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যে বা যারা হেদায়েত চায় সে বা তারা হেদায়েত লাভ করে। আর যে বা যারা গুমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে সে বা তারা হেদায়েত লাভ করতে পারে না। আরো উল্লেখ্য হিদায়েত লাভ করার জন্য অন্যতম হচ্ছে অন্তর প্রসারিত হওয়া। যে ব্যক্তি হিদায়েত লাভ করে তার অন্তর নূরে নূরান্বিত হয়ে যায়, ইলমে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আর যে গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে তার অন্তরটা সংকুচিত হয়ে যায়।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই। তাই প্রত্যেকের উচিত কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে সেই মহা মূল্যবান নিয়ামত মুবারক হাছিল করা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যারা পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা থেকে বিরত থাকবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ-নিষেধ মুবারক অনুযায়ী জীবন পরিচালিত করে দুনিয়া হতে বিরাগ হয়ে পরকালের দিকে হাক্বীক্বীভাবে রুজু হওয়া।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দুনিয়া একটি মৃত প্রাণী থেকেও অতি নিকৃষ্ট। যে যত বেশি দুনিয়া ত্যাগ করতে পারবে সে তত বেশি মহান আল্লাহ পাক উনার মুহাব্বত-মারিফত, নিসবত-কুরবত হাছিল করতে পারবে। ইনশাআল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পুলসিরাত পার হওয়ার জন্য কুরবানী দাতাকে কুরবানীর পশু দেয়া হবে এবং কুরবানীর পশু দ্বারা কুরবানীদাতা বিদ্যুৎ গতিতে পুলসিরাত পার হতে পারবে। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার জন্য অত্যন্ত হৃষ্ট-পুষ্ট ও মোটা-তাজা পশু দেখে কুরবানী করা।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা এবং ইখলাছের সাথে প্রতিটি আমল করা ফরয। সুবহানাল্লাহ! কেননা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কবুল হয় না। ইখলাছ হাছিল করতে হলে অবশ্যই একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ইলমে তাছাউফ অর্জন করতে হবে। তাই সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- ইখলাছ অর্জন করা ফরয, ইলমে তাছাউফ অর্জন করা ফরয, বাইয়াত গ্রহণ করা ফরয, ক্বালবী যিকির করা ফরয এবং ছোহবত ইখতিয়ার করা ফরয।
০৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রত্যেকেই পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন এবং অন্যদেরকেও পালন করার ব্যাপারে ব্যাপক উৎসাহ প্রদান করেছেন। সুবহানাল্লাহ! অতএব, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা ও জিন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ যথাযথভাবে পালন করা। যা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি বা সন্তুষ্টি মুবারক, ইহকালে রহমত-বরকত এবং পরকালে নাযাত-নিসবত লাভের কারণ হবে।
০২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না। তাই, সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছেন- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সমস্ত কিছু থেকে; এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করা, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ মুবারক এবং সর্বোত্তম হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ করা।
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে ঘরে পবিত্র ছলাত শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ-পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা হবেনা সেই ঘর অন্ধকার কবরের মত হয়ে যাবে অর্থাৎ বিরান হয়ে যাবে।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “অন্যান্য ফরযের পর হালাল কামাই করা ফরয।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- প্রত্যেকের জন্য হালাল কামাই করা, হালাল কাপড় ও দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। তাই, সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে সম্মানিত শরীয়ত কর্তৃক নির্দেশিত তারতীবে নিজে হালাল কামাই করা, হালাল কাপড় ও দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করা, হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণ করা। একই সাথে অধীনস্তদেরকে হালাল কামাই, হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণে বাধ্য করা।।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা বা বোরকা মুসলমানগণ উনাদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাগণ উনাদের সম্মান এবং ব্যক্তিত্বেরও প্রতীক। প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলার জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- শরীয়ত নির্দেশিত তারতীবে সঠিকভাবে পর্দা করা এবং সর্বপ্রকার বেপর্দা-বেহায়াপনা হতে বিরত থাকা। সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- দেশের সর্বত্র শরঈ পর্দা জারি করা এবং যারা পর্দা বা বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ বা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিবসসমূহ পালন করা সকলের জন্য আবশ্যক। তাই, সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- অত্যাধিক ধৈর্য্য ও শুকুরগুজারী, যওক্ব-শওক্ব, মুহব্বত, তা’যীম-তাকরীম ও সম্মানের সাথে পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উদযাপন করা, পালন করা।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রঊফুর রহীম, হারীছুন আলাল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতবাসীর সমস্ত আরজী পূরণ করেন। তাই, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে খাছভাবে রুজু হওয়া ও খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিল করা।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












