নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এই (যিলহজ্ব শরীফ উনার প্রথম দশদিন) দশ দিনের আমলে ছলেহ মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট এত প্রিয় পছন্দনীয় যে, অন্য কোন দিনের আমলে ছলেহ এত প্রিয়, পছন্দনীয় নয়।
মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে প্রিয়, পছন্দনীয় আমল হলো পবিত্র জিলহজ্ব শরীফ মাসের প্রথম দশদিন-দশরাত ইবাদত-বন্দেগী করা এবং ইয়াওমুন নহর অর্থাৎ ঈদুল আদ্বহার দিনে কুরবানী করা। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশরাতে বিশেষভাবে ইবাদত-বন্দেগী ও দুআ-মুনাজাত করা এবং প্রথম দশদিন রোযা রাখা। যা দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা অত্যন্ত সহজ ও সম্ভব হবে।
, ২৭ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৮ আউওয়াল, ১৩৯১ শামসী সন , ১৭ জুন, ২০২৩ খ্রি:, ০২ আষাঢ়, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত চারটি হারাম মাস উনাদের মধ্যে অন্যতম হলো পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস। এই সম্মানিত যিলহজ্জ শরীফ মাস সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফজর শরীফ উনার ১,২,৩নং আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “কসম ফজরের অর্থাৎ সকালের। কসম দশ রাত্রির। কসম জোড় ও বিজোড়ের।” এই মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ফজরের কসম করে দশ তারিখ ইয়াওমুন নহরের সকালের গুরুত্ব বুঝানো হয়েছে। সকালের আমল হচ্ছে কুরবানী করা।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত দশ তারিখ ইয়াওমুন নহরের সকালে কুরবানী করার গুরুত্ব এবং ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, এই মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা বুঝা যাচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ইয়াওমুন নহরে সকালের সবচেয়ে প্রিয় আমল হচ্ছে কুরবানী করা। আদম সন্তানের জন্য এদিন কুরবানী করার চেয়ে অধিক কোন উত্তম আমল মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট নেই। এই কারণে কুরবানীর পশুর শিং, পশম এবং খুর যেগুলো ফেলে দেওয়া হয় সেগুলোও কিয়ামতের দিন ওজনের পাল্লায় আনা হবে। এমনকি সেই পশুর রক্ত মাটিতে পতিত হওয়ার পূর্বেই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কুরবানী কবুল হয়। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে দশ রাত্রির কসম বলতে পবিত্র জিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশ দিন ও দশ রাত উদ্দেশ্য। এই দশ দিন ও দশ রাতের কেমন ফযিলত ও গুরুত্ব রয়েছে সে সম্পর্কে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এই পবিত্র যিলহজ্ব শরীফ উনার দশদিনের ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এই দিনের ইবাদতের চেয়ে আর এমন কোন প্রিয় দিন নেই। (এই পবিত্র জিলহজ্ব শরীফ উনার দশ দিনের) প্রতিদিনের রোযার একবছর রোযার সমপরিমান ফযিলত বা সওয়াব রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! আর প্রতি রাতের ইবাদত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ রাতের ইবাদতের সমপরিমান ফযিলত বা সওয়াব রয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! অর্থ্ৎ, এই দশ দিনের ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে বেশি প্রিয় বা পছন্দনীয়। দশ দিনের প্রতি রোযা এক বছর রোযার সমতুল্য। সুবহানাল্লাহ! আর দশ দিনের প্রতি রাতের ইবাদত পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ উনার সমতুল্য। অর্থাৎ দশ দিনে দশ পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ উনার সওয়াব লাভ করা যাবে। যে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ বছরে একবার রমাদ্বান শরীফ মাসের শেষ দশ দিনে তালাশ করা হয়। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, এত ফযিলত, মর্যাদা ও সম্মান মহান আল্লাহ পাক এই দশ দিনে ও রাত্রিতে দান করেছেন! সুবহানাল্লাহ! এই দশদিন ও দশরাতের ফযিলত সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এই (যিলহজ্ব শরীফ উনার প্রথম দশদিন) দশ দিনের আমলে ছলেহ মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট এত প্রিয় পছন্দনীয় যে, অন্য কোন দিনের আমলে ছলেহ এত প্রিয়, পছন্দনীয় নয়। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদ করাও কি তার সমান হবে না? নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদ করাও তার সমান হবে না। তবে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত যে তার মাল-জান নিয়ে বের হয়েছে। আর সে কোন কিছু নিয়েই ফিরেনি, সেই ব্যক্তি পছন্দনীয়।” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে প্রিয়,পছন্দনীয় আমল হলো পবিত্র জিলহজ্ব শরীফ মাসের প্রথম দশদিন-দশরাত ইবাদত-বন্দেগী করা এবং ইয়াওমুন নহর অর্থাৎ ঈদুল আদ্বহার দিনে কুরবানী করা। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- পবিত্র যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশরাতে বিশেষভাবে ইবাদত-বন্দেগী ও দুআ-মুনাজাত করা এবং প্রথম দশদিন রোযা রাখা। যা দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা অত্যন্ত সহজ ও সম্ভব হবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ বা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিবসসমূহ পালন করা সকলের জন্য আবশ্যক। তাই, সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- অত্যাধিক ধৈর্য্য ও শুকুরগুজারী, যওক্ব-শওক্ব, মুহব্বত, তা’যীম-তাকরীম ও সম্মানের সাথে পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উদযাপন করা, পালন করা।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের জন্য ফরয হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি বিশুদ্ধ আক্বীদা রেখে উনাদের প্রতিটি আদেশ-নিষেধ মুবারক পরিপূর্ণরূপে পালন করা।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
রঊফুর রহীম, হারীছুন আলাল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতবাসীর সমস্ত আরজী পূরণ করেন।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উভয়ের প্রতি পবিত্র ঈমান আনো এবং মহান রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করো, উনাকে সম্মান করো ও উনার ছানা-ছিফত মুবারক বা আলোচনা মুবারক করো সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়েমীভাবে।’ সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা পবিত্র জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করা সকলের জন্যই ফরয।
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা আমাকে মুহব্বত না করবে। আর তোমরা আমাকে মুহব্বত করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত না করবে।” মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে ঘরে পবিত্র ছলাত শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ-পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা হবেনা সেই ঘর অন্ধকার কবরের মত হয়ে যাবে অর্থাৎ বিরান হয়ে যাবে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি ও আখেরী রসূল মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন, এছাড়া বাকি সব কিছু। সুবহানাল্লাহ!
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বর্তমানে মুসলমানরা যে সারাবিশ্বে ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার একটাই কারণ- মুসলমানরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ!¬ অতএব, সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘য়াত উনার বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ মুবারক হলো- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘নূরে মুজাসসাম’ অর্থাৎ তিনি আপদমস্তক নূর মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব। উনাকে মুহব্বতকারীদের জন্য সুসংবাদ আর উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের জন্য জাহান্নাম।
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
যারা পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা থেকে বিরত থাকবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ-নিষেধ মুবারক অনুযায়ী জীবন পরিচালিত করে দুনিয়া হতে বিরাগ হয়ে পরকালের দিকে হাক্বীক্বীভাবে রুজু হওয়া।
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












