SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুনাজাত%' OR titleBn LIKE '%মুনাজাত%' OR descriptionEn LIKE '%মুনাজাত%' OR descriptionBn LIKE '%মুনাজাত%' OR slug LIKE '%মুনাজাত%' OR metaTag LIKE '%মুনাজাত%' OR metaDescription LIKE '%মুনাজাত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
দুয়া মুনাজাত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি সেজন্য বলতেন, কোন নেক কাজ আমি আমার নিজের জন্য রাখিনা। সব বন্টন করে আমি খালি হয়ে থাকি। উনার মুনাজাতের মাধ্যমেও মহান আল্লাহ পাক উনার দানের এই প্রশস্ততার বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়। যিকিরের পর ছওয়াব রেসানীতে তিনি অনেক লম্বা মুনাজাত করতেন। তিনি এভাবে ছওয়াব রেসানীর মুনাজাত করতেন-
“আয় মহান আল্লাহ পাক, আমরা দোয়া-দরূদ, তাসবীহ-তাহলীল, ছলাত, ছাওম ইত্যাদি যা কিছু পড়েছি এবং জীবনে যত ফরয-ওয়াজিব, সুন্নত, নফল ইবাদত করেছি, তাতে যা কিছু ভুল-ত্রুটি হয়েছে আপনার রহমতের দ্বা বাকি অংশ পড়ুন...
তাশাহ্হুদ পড়ার সুন্নতসমূহ
১. পুরুষেরা বাম পা বিছিয়ে ডান পায়ের অঙ্গুলির উপর ভর দিয়ে গোড়ালী উপর দিকে রেখে বসবে এবং বসার সময় বাম পায়ের অঙ্গুলিসমূহও ক্বিবলামুখী করে রাখবে। আর মেয়েরা দু’পায়ের পাতা ডান দিকে কিছু বের করে যমীনের উপর বসবে।
২. তাশাহহুদ পড়ার সময় ‘লা-ইলাহা’ উনার ‘লা’ বলার সাথে সাথে শাহাদাত অঙ্গুলি দ্বারা উপরের দিকে ইশারা করবে এবং ‘ইল্লাল্লাহু’ উনার ‘হু’ বলার সাথে সাথে নামাবে।
৩. শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার পর দুরূদ শরীফ ও দু‘আ মা’ছুরা পড়া।
৪. প্রথমে ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে অতঃপর বাম দিকে সালাম ফিরানো আর সালামের সাথে সাথে ডান বাকি অংশ পড়ুন...
দুয়া মুনাজাত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আলোকে ছওয়াব রেসানীর বিশেষ ফায়দা প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিম্নে উনার অভিমত প্রদত্ত হলো-
“মহান আল্লাহ পাক তিনি ছদকা বা দান-খয়রাত প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ৩য় পারার পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ উনার ২৬১নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
مَثَلُ الَّذِيْنَ يُنْفِقُوْنَ اَمْوَالَهُمْ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ اَنْبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِىْ كُلِّ سُنْبُلَةٍ مِئَةُ حَبَّةٍ وَ اللهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَّشَاءُ وَ اللهُ وَاسِعٌ عَلِيْمٌ
অর্থ: যারা মহান আল্লাহ পাক উনা বাকি অংশ পড়ুন...
দু’জন থেকে খিলাফত লাভ:
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে বড় হুযূর কিবলা অর্থাৎ ফুরফুরা শরীফের তৎকালীন গদীনশীন পীর, কাইয়ূমে যামান, হযরত মাওলানা আবদুল হাই ছিদ্দিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও সম্মানিত খিলাফত মুবারক দিয়েছিলেন। তবে উনার প্রধান মুর্শিদ কিবলা ছিলেন হযরত ন’হুযূর কিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। সেজন্যই পবিত্র শাজরা শরীফে উনার মুর্শিদ কিবলা দু’জন দেখানো হয়েছে। হযরত বড় হুযূর কিবলা তিনিও উনাকে অত্যন্ত মুহব্বত করতেন।
হযরত বড় হুযূর কিবলা তিনি ঢাকা মিরপু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈদের নামাযের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাযের মতো নয়। যেমনঃ ঈদের দুই রাকায়াত নামাযে কোনো আযান, ইক্বামাত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিম্নে সেই নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো :
পবিত্র ঈদের নামায আদায় করার পদ্ধতিঃ
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নিয়ত-
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صَلوةِ الْعِيْدِ الْاَضْحى مَعَ سِتَّةِ تَكْبِيْرَاتٍ وَاجِبُ اللهِ تَعَالى اِقْتَدَيْتُ بِهذَا الْإِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ.
বাংলায় নিয়ত করলে এভাবে করবে: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দিনের শুরুটা হয় সূর্যের আলো দ্বারা। রাতের শুরুটা হয় চাঁদ উঠার দ্বারা। চাঁদ ও সূর্য উভয়ের অবস্থানই আসমানে। আসমান থেকেই বৃষ্টি হয়। কি পার্থিব জীবনে কী মানবীয় জীবনে, আসমানের গুরুত্ব অত্যাধিক। আসমান ছাড়া জীবন অকল্পনী বাকি অংশ পড়ুন...
জেটি ভরে যেতো বিদায় দিতে আসা স্বজনদের ভিড়ে:
অনেকে ফিরে আসতে না পারা বা জীবনের শেষ ভ্রমণ হিসেবে হজকে বিবেচনা করতেন। তাই হজে যাওয়া ব্যক্তিদের বিদায় দিতে আসতেন চেনা-জানা সবাই। তারা আশেপাশের হোটেলে বা আত্মীয়দের বাসায় উঠতেন।
আত্মীয়-পরিজনের কারণে এতই ভিড় হতো যে, চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে অবস্থিত চার নম্বর জেটি হজযাত্রীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিলো। ১৭টি জেটির মধ্যে চার নম্বর জেটি ছিলো সবচেয়ে বড় এবং খোলামেলা পরিবেশের।
বিদায় দেওয়ার দিন হজযাত্রীদের বাসে করে নিয়ে যাওয়া হতো বন্দরে। সকাল ৯টা-১০টা নাগাদ জাহাজে সব যাত্রী উঠে পড়লে জাহাজের বাকি অংশ পড়ুন...
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। বিশ্বব্যাপী পালিত হবে পবিত্র কুরবানীর ঈদ। মুসলমানরা এই দিনে পশু কুরবানী করবেন মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের জন্য। পাশাপাশি, সম্মানিত শরীয়ত উনার রীতিনীতি পালনের মাধ্যমে এই দিনে মুসলমানগণ খুশি প্রকাশ করে থাকেন। পূর্বের মুসলমান শাসনগুলোতেও পবিত্র কুরবানীর ঈদ বিশেষ রীতিনীতির সাথে পালিত হতো। বিশেষ করে পবিত্র এই দিবস উনার সাথে ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাতের বিশেষ কিছু তাহযীব জড়িত রয়েছে।
তুরস্কে পবিত্র কুরবানীর ঈদ ‘কুরবান বাইরাম’ নামে পরিচিত। উসমানীয়রা পবিত্র কুরবানীর ঈদ অত্যন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ পবিত্র ফজর থেকে ১৩ তারিখ পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামায উনার পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা সম্মানিত শরীয়ত উনার ন বাকি অংশ পড়ুন...
মা-বাবা, ভাই-বোন এবং অধীনস্থ তথা পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে যে তা’লীম বা শিক্ষাদান করা হয়, তাকে পারিবারিক তা’লীম বলে। পারিবারিক তা’লীম বিশেষ জরুরী, অতিব গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক অভিভাবকের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য বটে। পরিবারের সকল সদস্যের আমল আখলাক, ছিরত ছুরত প্রতিটি বিষয়ের খোঁজখবর রাখার পাশাপাশি সকলের মাঝে বন্ধন সুদৃঢ় করতে পারিবারিক তালিমের ব্যবস্থা করার বিকল্প নেই। তাই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সকল অভিভাবককে তার নিজ নি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতায় ও দিক-নির্দেশনায় পরিচালিত ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ উনার সংবাদ অনুযায়ী বাংলাদেশে গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) দিবাগত সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পর পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখা গেছে।
তাই ১০ই যিলহজ্জ শরীফ ১৪৪৭ হিজরী মুতাবিক আগামী ২৮ ছানী আশার ১৩৯৩ শামসী (২৮ মে ২০২৬ খৃ:) ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) পালিত হবে ঈদুল আদ্বহা অর্থাৎ পবিত্র কুরবানীর ঈদ।
উল্লেখ্য, পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সাধারণভাবেই ইন্তেকাল প্রাপ্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকেও কুরবানী করা জায়িয
৩য় দলীল
তিরমিযী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘তুহফাতুল আহওয়াযীতে’ বর্ণিত রয়েছে-
وَفِىْ رِوَايَةٍ صَحَّحَهَا الْحَاكِمُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَلٰى مَا فِى الْمِرْقَاةِ اَنَّهٗ كَانَ يُضَحِّىْ بِكَـبْشَيْنِ عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِكَـبْشَيْنِ عَنْ نَـفْسِهٖ وَقَالَ اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَنِىْ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ اَبَدًا فَاَنَا اُضَحِّىْ عَنْهُ اَبَدًا فَرِوَايَةُ الْحَاكِمِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ هٰذِهٖ مُخَالِفَةٌ لِرِوَايَةِ التِّرْمِذِىِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَيُمْكِنُ الْجَمْعُ بِاَنْ يُّـقَالَ اِنَّهٗ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ا বাকি অংশ পড়ুন...












