মসজিদুল আকসাকে পুরো মুসলমান শূন্য করতে চাচ্ছে ইহুদী-খ্রীষ্টানরা
ব্যর্থ ও.আই.সির বিপরীতে মুসলিম দেশগুলো নিয়ে সামরিক জোট গঠনের জন্য ইরানের আহবানকে গুরুত্বের সাথে সাড়া দিতে হবে।
, ২৫ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১২ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ১১ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সম্পাদকীয়
গত সপ্তাহে মিডল ইস্ট আই-এর একটি বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক।
বলা হয়েছে, ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদের দেখভালের যে দায়িত্ব জর্ডানের ওপর এত দিন ধরে আছে, সে দায়িত্ব তুলে নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে কাজ করছে।
এটি নিছক কূটনৈতিক কোনো পদক্ষেপ নয়। বরং এটি দীর্ঘদিন ধরে চলা এক সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টার চূড়ান্ত রূপ, যার লক্ষ্য অধিকৃত জেরুজালেম থেকে ইসলামের উপস্থিতি একেবারে মুছে ফেলা।
একসময় যে আল-আকসায় জুমার নামাজে লাখো মানুষ সমবেত হতো, আজ সেখানে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে উপস্থিতি নেমে এসেছে কয়েক হাজারে, কখনো কখনো কয়েক শততে। কে প্রবেশ করবে, কে করবে না-সবকিছুই এখন ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে।
ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় আল-আকসা টানা চল্লিশ দিন বন্ধ রাখা হয়েছিল। আটটি আরব ও ইসলামি দেশ এর নিন্দা জানালেও বাস্তবে তা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
মুসলিম বিশ্ব মূলত নীরব। তাদের দিক থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়, তারপর আবার সব আগের মতো চলতে থাকে। যেসব রাষ্ট্র অর্থনৈতিক বা কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারত, তারা নিজেদের স্বার্থের হিসাব কষে পিছিয়ে থাকে।
তবে ইরান প্রধান কয়েকটি মুসলিম দেশকে নিয়ে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে এবং যুক্তি দিয়েছে যে, ইসরায়েলি আগ্রাসন মোকাবেলা ও অঞ্চলজুড়ে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা অপরিহার্য।
ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে বাধা দেয়া হচ্ছে কারণ তথাকথিত পরাশক্তিগুলো জানে, একটি ঐক্যবদ্ধ মুসলিম রাষ্ট্র তাদের জন্য হুমকি। কিন্তু বাস্তব সত্য হলোÑ মুসলিমদের হাতে যদি শত পারমাণবিক অস্ত্রও থাকে, তবে তা কোনো কাজে আসবে না, যদি আমাদের মধ্যে ঐক্যের অভাব থাকে। আমেরিকা ও ইসরাইল শত শত বোমা নিয়ে আমাদের হুমকি দিচ্ছে; কিন্তু মুসলমানকে ঈমানি ঐক্য যেকোনো ভৌত পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়ে শতগুণ বেশি শক্তিশালী।
১৯৬৯ সালে গঠিত ওআইসি গত পাঁচ দশকে ফিলিস্তিন বা রোহিঙ্গা সংকটে কোনো কার্যকর যৌথ নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারেনি। ১৯৯৭ সালের ডি-৮ বা ২০১৯ সালের কুয়ালালামপুর সম্মেলন প্রতিটিই জাতীয় স্বার্থের বিভাজনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে ৫৭টি ওআইসি সদস্যের মধ্যে ২৩টি দেশ সরাসরি মার্কিন সামরিক সহায়তার আওতাভুক্ত। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৫ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কেনে। এই দেশগুলো ইরানের নেতৃত্বে কোনো জোটে যোগ দেবে, তা বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবসম্মত মনে হয় না।
এসআইপিআরআই-এর ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ ২০০০ সালের ৩৬ শতাংশ থেকে নেমে এখন ১৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে; বিপরীতে চীনের অংশ ৫ থেকে বেড়ে ১৩ শতাংশ হয়েছে। অর্থাৎ আ¤্রকিা এখন শুধুই কাগুজে বাঘ।
অপর দিকে ২০২৪ সালে ব্রিকস-এ ইরান, সৌদি, মিশর ও আমিরাতের যোগদানের পর এই জোটের অর্থনৈতিক আকার বৈশ্বিক জিডিপির ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা জি-৭ কে ছাড়িয়ে গেছে।
পাশাপাশি এসসিও-তে পাকিস্তান ও ইরানের যৌথ উপস্থিতি এবং বিআরআইয়ের সম্পৃক্ততা মিলিয়ে পশ্চিমা বিকল্প একটি বহুপাক্ষিক কাঠামো ধীরে ধীরে সংখ্যার ভিত পাচ্ছে। ইরানের পেজেশকিয়ানের মুসলিম সামরিক প্রস্তাব সেই কাঠামোর মধ্যেই মুসলিম শক্তিমত্তা খোঁজার চেষ্টা।
অন্যদিকে ড্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ ফাটল এবং ইউরোপের নিজস্ব প্রতিরক্ষায় মনোযোগ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা মুসলিম দেশগুলোর জন্য কৌশলগত সামরিক জোট একটি বাস্তব সুযোগ তৈরি করেছে, যা পাকিস্তান ও তুরস্ক এ মুহূর্তে নিখুঁতভাবে কাজে লাগতে উদ্যত হয়েছে। বাংলাদেশ সহ অপরাপর মুসলিম দেশগুলোরও স্বতঃস্ফুর্তভাবে সক্রিয় হওয়া উচিত।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ও ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস মুবারক। পাশাপাশি সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূলিল্লাহ আর রবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুল মুজতাহিদীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল হাদী আশার আলাইহিস সালাম উনার সুমহান বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস মুবারক।
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আস সাদিস হযরত ইমাম মুহসিন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খইরুল আবনা ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বইয়িদুল খলায়িক, সাইয়্যিদুল খলায়িক, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার এবং মালিকুল জান্নাত, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরহ্ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল হাদী আশার মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সুমহান বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার দিবস মুবারক।
২২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাহ, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, যাকিয়াহ, রাদ্বিয়াহ, মারদ্বিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আশবাহুল খলক্বি বি-রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার, আল মুবাশ্শির, আল আর্বারু, আল আজওয়াদ, সাইয়্যিদুনা হযরত আন্ নূরুছ ছালিছ হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যা উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান নিসবতে আযীম শরীফ দিবস। একই সাথে জামিউল কুরআন, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন হযরত উছমান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং নবম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ও নকশ্বন্দিয়া তরীক্বার ইমাম হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশ্বন্দ বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুধু পরকালীন শাফায়াত ই একমাত্র চাওয়া পাওয়া নয়;
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শে নাগরিকদের সংশোধনের জন্য পাঠাতে হবে
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












