পতিত আওয়ামী আমল থেকে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার তলদেশ থেকে গ্যাস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে ভারত।
‘সবার আগে বাংলাদেশ’
- প্রতিশ্রুতির সরকারকে এক্ষুণি বাংলাদেশের সামুদ্রিক গ্যাস সম্পদ রক্ষার ও উত্তোলনের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করতে হবে।
, ২১ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৮ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সরকারের নিয়ন্ত্রণহীনতা, নিস্ক্রিয়তা, নির্লিপ্ততায় বঙ্গোপসাগরের নীল পানির হাজার হাজার ফুট গভীরে এক অবিশ্বাস্য আন্তর্জাতিক ডাকাতি চলছে। কোন যুদ্ধ না করে, কোনো সংঘর্ষ না করে, কোনো জবরদস্তি না করে, কোনো খবর না করে সম্পূর্ণ নীরব উপায়ে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন টাকার সম্পদ-প্রাকৃতিক গ্যাস। আর এই বৈজ্ঞানিক চুরির গোপন নকশা এত বছর পর ফাঁস করলো চীন।
তরল বা গ্যাসীয় পদার্থ উচ্চ চাপ থেকে নিম্ন চাপের দিকে ধাবিত হয়। বিজ্ঞানের এ সূত্র কাজে লাগাচ্ছে ভারত। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্যাস তুলে নিচ্ছে। এতে আমাদের ভূ-গর্ভের রিজার্ভে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ১৯৯০ সালে সাদ্দাম হোসেন কুয়েত আক্রমণের একটি কারণ ছিল এটি। একে বলা হয় স্ল্যান্ট ড্রিলিং বা বাঁকা পদ্ধতিতে। ইরাক অভিযোগ করেছিল কুয়েত মাটির নিচ দিয়ে বাঁকা পাইপ ঢুকিয়ে ইরাকের বিখ্যাত রুমায়না অয়েল ফিল্ড থেকে তেল চুরি করছে।
এই তেল চুরিকে কেন্দ্র করে ইরাক ও কুয়েতের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। সেই একই পথ অবলম্বন করে ভারত বাংলাদেশের গ্যাস টেনে নিচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটে নীরবে এবং লোকচক্ষুর আড়ালে। ভারতও ঠিক একই কৌশলে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানা থেকে গ্যাস টেনে নিচ্ছে।
২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বাংলাদেশ বিশাল সমুদ্রসীমা পাওয়ার পর বঙ্গোপসাগরে বেশ কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেলেও কোনো যাচাই-বাছাই এবং আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়াই তুলে দেয়া হয় ভারতের দুটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ওএনজিসি এবং ওয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের হাতে। প্রতিষ্ঠান দুটি উৎপাদন শুরু না করে বছরের পর বছর ফাইল আটকে রেখে সময়ক্ষেপণ করেছে এবং পুরো প্রক্রিয়াকে নিষ্ক্রিয় করে রেখেছে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল, বাংলাদেশের ব্লকগুলোকে পুরোপুরি অচল রাখা, যাতে বাংলাদেশ কোনোভাবেই সেখান থেকে গ্যাস তুলতে না পারে। এই অচলাবস্থার মধ্যে ভারত তার এলাকা কৃষ্ণ গোদাবরি থেকে শতশত ঘনফুট গ্যাস দিন-রাত উত্তোলন করে গেছে। শুধু ভারত নয়, মিয়ানমারও গ্যাস টেনে নিচ্ছে। এতে বাংলাদেশের রিজার্ভ গ্যাস ধীরে ধীরে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তের দিকে চলে যাচ্ছে। হাসিনা সরকার নিজের ক্ষমতা এবং দিল্লির একচেটিয়া সমর্থন ধরে রাখতে এই অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি।
জালানি বিশেষজ্ঞরা বহু বছর ধরেই জরুরিভিত্তিতে বঙ্গোপসাগরের বিপুল গ্যাসভা-ার অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের পদক্ষেপ নেয়ার তাকিদ দিয়ে আসছে। তাতে বিগত সরকার কর্ণপাত করেনি। এর ফলে যা হচ্ছে, তা হলো, প্রতিবেশি ভারত এবং মিয়ানমার যে গ্যাস উত্তোলন করছে, তাতে বাংলাদেশের পানিসীমায় থাকা গ্যাস চলে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে, একসময় বাংলাদেশের সীমানায় থাকা বঙ্গোপসাগরের গ্যাসও ফুরিয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি, আন্তর্জাতিক আইন ও ট্র্যাকিং প্রযুক্তির সহায়তায় ভারতসংলগ্ন ব্লকগুলোর ভূ-গর্ভস্থ পরিস্থিতি পরীক্ষা করতে হবে, যেন কোনো ধরনের ‘ক্রস-বর্ডার ড্রিলিং’ বা সম্পদ পাচার না হয়। চীনের প্রস্তাবিত আধুনিক অফশোর ড্রিলিং প্রযুক্তিকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি দরপত্রে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘বাপেক্সের’ সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যেন দেশীয় প্রতিষ্ঠানই দীর্ঘমেয়াদে গভীর সমুদ্রে নিজস্ব অনুসন্ধান ও উত্তোলনে সফল হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সামুদ্রিক গ্যাসসম্পদ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতি তথা সার্বভৌমত্বের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য।
সঙ্গতকারণেই ভারত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের সীমানার গ্যাস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে বলে চীন যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে, তা সরকারের কঠিনভাবে আমলে নেয়া উচিত।
পাশাপাশি, অবিলম্বে বঙ্গোপসাগরের গ্যাস অনুসন্ধান এবং মজুতের পরিমাণ জরিপ করে তা জনগণকে জানিয়ে উত্তোলনের যথাযথ পদক্ষেপ এক্ষুণি নিতে হবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘সবার আগে বাংলাদেশ’
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ভারতের আগ্রাসান বহুর্মুখী। যুবসমাজকে ধ্বংস করার জন্য এদেশে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার করছে।
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশীদের মধ্যে দেশের মুহব্বত, মুসলমানের মুহব্বত ও ঈমানের জজবার তীব্র জাগরণ দরকার।
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
অনেক বেশী দামে গম আমদানী করা হচ্ছে
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
টাকার অভাবে তিন কোটি মানুষ পায় না চিকিৎসা
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী খাজায়ে খাজেগাঁ, হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশবন্দ বুখারী আল হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গুপ্ত বা ডিপ স্টেটের এজেন্টদের কর্মকান্ড?
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই মুহররমুল হারাম শরীফ আজ।
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত আশূরা শরীফ! পবিত্র আশূরা শরীফ উনার আমল ইহকালীন ও পরকালীন সব সমস্যার সমাধানে মহানিয়ামত। অথচ রাষ্ট্রযন্ত্র তথা সরকার এবং মিডিয়া যুগপৎভাবে সে সম্পর্কে একান্তই বেখবর। ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে পবিত্র আশুরা শরীফ পালনে সরকারী উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা আবশ্যক।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ মুহররমুল হারাম শরীফ! যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আফদ্বালুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই মুহররমুল হারাম শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা, ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা সর্বোপরি উনার নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সব নারীদের জন্য ফরয।
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












