মুদি দোকানদার বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপরেও কর বসানো কী?
গুপ্ত বা ডিপ স্টেটের এজেন্টদের কর্মকান্ড?
যারা দেশে দুর্ভিক্ষ আনতে চায়, উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে ক্ষুদ্রব্যবসায়ী ও জনগণকে পিষ্ট করতে চায়। এদেরকে চিহ্নিত ও প্রত্যাহার করতে হবে। করের জুলুম ও শোষণ থেকে জনগণকে নিরাপদ রাখতে হবে
, ২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ ৭৫ হাজার প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় থাকলেও দেশে মুদি বা খুচরা ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কয়েক কোটি। শুধু বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির হিসাবেই খুচরা বিক্রেতার সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ। এই বাস্তবতায় মুদি দোকানসহ ১৬ থেকে ১৭ ধরনের ক্ষুদ্র ব্যবসাকে সুনির্দিষ্ট কর বা নির্ধারিত ভ্যাট ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।
গত ২৬ শে জুন অর্থমন্ত্রী জানায়, আগামী অর্থবছরে ১৬ ধরনের ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এগুলো হলো- মুদি দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের দোকান, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট এবং স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিন-রড-সিমেন্টের দোকান, ফার্নিচারের দোকান, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্নের দোকান এবং রেস্টুরেন্ট।
অর্থমন্ত্রীর এ ঘোষণা ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মুদি দোকানি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
তাদের ভাষ্য, বর্তমানে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় লাভের পরিমাণ অনেক কমে গেছে। এর মধ্যে নতুন করে করের বোঝা চাপলে ব্যবসা পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
অভিজ্ঞমহল মনে করেন, সরকার যদি মুদি দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপর কর আরোপ করে, তাহলে অতিরিক্ত ব্যয়ের একটি অংশ শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। এতে সাধারণ ক্রেতাদেরই বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হবে।
গত কয়েক বছরের তুলনায় এখন মুদি পণ্যের ব্যবসায় লাভ অনেক কমে গেছে। দোকানের সংখ্যা বেড়েছে, প্রতিযোগিতাও বেড়েছে। কোনোমতে টিকে তবে এর মধ্যে নতুন করে কর আরোপ করা হলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে।
গত (২৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
প্রস্তাবিত বাজেটে মুদি দোকান, রেস্তোরাঁসহ ১৬ ধরনের খাতকে মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) আওতামুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।
তারা স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯১ সালে যখন দেশে ভ্যাট প্রবর্তন করা হয়, তখন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে হাট-বাজার ও বন্দরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর ভ্যাট আরোপ করা হবে না। বর্তমান সিদ্ধান্ত সেই মূলনীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।
দেশে মোট ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় পৌনে ৮ লাখ। গত অর্থবছরে আদায় হওয়া প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকার মধ্যে বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) আওতাভুক্ত মাত্র ১০৯টি প্রতিষ্ঠানই দিয়েছে মোট ভ্যাটের প্রায় ৬০ শতাংশ। আর এলটিইউভুক্তসহ বড় ৫ হাজার প্রতিষ্ঠান দিয়েছে মোট আদায়ের ৯৮ শতাংশ। অর্থাৎ বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেই ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ অনেক বেশি। এই ফাঁকি বন্ধ করা গেলে রাজস্ব বাড়াতে সারা দেশের ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ দেওয়ার কোনো প্রয়োজন পড়ে না।
মুদি দোকানির ভাষায়, “একটা ছোট দোকান দিয়ে কোনোমতে সংসার চলে। আমাদের আবার ট্যাক্স কী?” এই মনোভাব শুধু একজন দোকানির নয়, দেশের লাখো কোটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর ক্ষোভ আর রোষের প্রতিক্রিয়া একই।
এই রোষের অনলের আচ অনুভব করতে পেরে ছোট ছোট মুদি দোকানকে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের আওতায় আনার অর্থমন্ত্রীর পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা ও আপত্তি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীও।
দেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “সরকারকে এমন সমস্ত পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে সাধারণ, গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা ও ভরণপোষণ নিশ্চিত হয়।”
কিন্তু তার বিপরীত পন্থা যখন অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন তখন প্রতিভাত হয় যে বি.এন.পির কর্তাব্যক্তিদের মাঝেও আছে গুপ্ত জামাত বা ডিপ স্টেটের এজেন্ট। যারা এদেশে দুর্ভিক্ষ আনতে চায়। জনগণকে পেটে ভাতে রাখতে চায়। যাতে জনগণ বিদেশী হস্তক্ষেপের প্রতিবাদের শক্তি হারিয়ে ফেলে।
সঙ্গতকারণেই সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতির সরকারকে এসব এজেন্টকে বরখাস্ত করতে হবে এবং জনগণকে শোষনের প্রতিক্রিয়া পুরো নির্মূল করতে হবে।
মুদি দোকান তথা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপর ভ্যাট বা কর বসানোর পরিকল্পনা আজই প্রত্যাহার করতে হবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আস সাদিস হযরত ইমাম মুহসিন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খইরুল আবনা ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বইয়িদুল খলায়িক, সাইয়্যিদুল খলায়িক, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার এবং মালিকুল জান্নাত, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরহ্ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল হাদী আশার মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সুমহান বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার দিবস মুবারক।
২২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাহ, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, যাকিয়াহ, রাদ্বিয়াহ, মারদ্বিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আশবাহুল খলক্বি বি-রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার, আল মুবাশ্শির, আল আর্বারু, আল আজওয়াদ, সাইয়্যিদুনা হযরত আন্ নূরুছ ছালিছ হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যা উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান নিসবতে আযীম শরীফ দিবস। একই সাথে জামিউল কুরআন, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন হযরত উছমান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং নবম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ও নকশ্বন্দিয়া তরীক্বার ইমাম হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশ্বন্দ বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুধু পরকালীন শাফায়াত ই একমাত্র চাওয়া পাওয়া নয়;
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শে নাগরিকদের সংশোধনের জন্য পাঠাতে হবে
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
“মুসলিম বিশ্ব যদি ডলারের পরিবর্তে নিজেদের মধ্যে ‘ইসলামী দিনার’ চালু করে, তবে তা পশ্চিমাদের জন্য পারমাণবিক বোমার চেয়েও বড় ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












