পানি নামলেই কৃষকের হাতে ধানের চারা দেবে সরকার -কৃষিমন্ত্রী
, ২৯ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৬ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৫ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ৩১ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দেশের খবর
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বন্যাকবলিত এলাকায় আমনের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়াকে কৃষি খাতের প্রধান সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষকেরা যাতে দ্রুত ধান রোপণ করতে পারেন, সে জন্য বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলোর জমিতে জরুরি ভিত্তিতে বীজতলা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) বন্যা পরিস্থিতিতে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতের ক্ষয়ক্ষতি এবং সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করতে গিয়ে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যাকবলিত অধিকাংশ এলাকায় এখনও ব্যাপকভাবে ধান রোপণের মৌসুম শুরু হয়নি। অল্প কিছু জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছিল। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বীজতলায়। ধান রোপণের জন্য বপন করা বীজ থেকে বিপুল পরিমাণ চারা গজিয়েছিল। বন্যার পানিতে ডুবে এসব কচি চারা প্রায় সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সাধারণত ১০ থেকে ১৫ দিন বয়সে বীজতলা থেকে ধানের চারা তুলে জমিতে রোপণ করা হয়। এ সময় চারাগুলো খুবই কচি থাকে। একদিন পানির নিচে থাকলেও সেগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কয়েক দিনের বন্যায় আক্রান্ত এলাকাগুলোতে ধানের চারার বড় সংকট তৈরি হয়েছে।
পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষকের জমি রোপণের উপযোগী হলেও চারা না পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে উল্লেখ করে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, আগামী দুই দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত অঞ্চলে কৃষি বিভাগের বিভিন্ন সংস্থার জমিতে বীজতলা তৈরির প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মঙ্গলবারই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে জমি প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের এমন কিছু ধানের জাত রয়েছে, যা ১৫ আগস্ট পর্যন্ত রোপণ করা যাবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসব জাতের চারা উৎপাদন করা হবে। পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকের প্রয়োজন অনুযায়ী চারা বিতরণ করা হবে।
যেসব কৃষক ইতোমধ্যে ধান রোপণ করেছিলেন, তাদের জমির ধান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি প্রয়োগ করা সারও পানিতে ভেসে গেছে বা কার্যকারিতা হারিয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। ফলে নতুন করে চাষ করতে তাদের আবার বীজ, চারা ও সার প্রয়োজন হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ব্যবসায়ীর কান কামড়ে বিএনপি নেতা বললেন, ‘এলাকা ছাড়’
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছে ১৩৩৬ বাংলাদেশি
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৬৩, মোটরসাইকেলে ১৭৩ মৃত্যু
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এখনও মাঝে মাঝে হতাশ লাগে -প্রধানমন্ত্রী
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে -বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং জুনে এইচএসসি পরীক্ষা হবে
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের ৯২ শতাংশের বেশি চিকিৎসাসেবা নেন না -স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
২০৩০ সালের মধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবার পাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৫২৭ কোটির বাঁধ টিকল মাত্র দেড় মাস!
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশে ফিরলে কী হবে হাসিনার, আইন কী বলছে?
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
তথ্য কমিশন ২২ মাস ধরে কার্যত অচল
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












