৫২৭ কোটির বাঁধ টিকল মাত্র দেড় মাস!
, ২৯ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৬ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৫ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ৩১ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দেশের খবর
মুন্সিগঞ্জ সংবাদদাতা:
ভাঙন রোধে পদ্মার তীরে নির্মাণ করা হয়েছিল স্থায়ী নদীরক্ষা বাঁধ। বাঁধ নির্মাণের পর নদীপাড়ের মানুষ স্বপ্ন দেখেছিলেন, এবার হয়তো আর হারাতে হবে না বসতভিটা। রক্ষা পাবে শেষ সম্বল। কিন্তু সেই স্বপ্ন ম্লান দেড় মাসেই। মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নে নির্মিত নদী তীররক্ষা বাঁধের একটি অংশ পদ্মার প্রবল ¯্রােতে ধসে পড়েছে। বাঁধের সিসি ব্লক একের পর এক সরে গিয়ে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নতুন করে ভাঙন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে।
লৌহজং উপজেলার গাউদিয়া ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে, পদ্মাপাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত অংশের আশপাশে বসবাসকারী পরিবারগুলো চরম উৎকণ্ঠায় রাত কাটাচ্ছে। অনেকেই নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ঘরের মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, ভাঙন কবলিত স্থানে প্রায় দেড় মাসে আগে বাঁধের কাজ শেষ করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পদ্মা বহুমুখী সেতুর ভাটিতে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পদ্মা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় বাড়ানো হয়েছে মেয়াদ। সবমিলিয়ে ৫২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার এ প্রকল্পের কাজে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে কাজের মান নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নে নির্মিত নদী তীররক্ষা বাঁধের একটি অংশ পদ্মার প্রবল ¯্রােতে ধসে পড়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থায়ী বাঁধে এত দ্রুত ধস নামায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, নির্মাণকাজে কোনো ধরনের দুর্বলতা বা ত্রুটি ছিল কি-না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা বলছেন, বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই যদি বাঁধের এই অবস্থা হয়, তাহলে সামনে নদীর পানি ও ¯্রােত আরও বাড়লে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।
মুন্সিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক বলেন, ‘এখন ভয়ের কোনো কারণ নেই। খবর পাওয়ার পর থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নদীর তীরে মাটি সরে যাওয়ায় স্থায়ীভাবে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ কারণে জিও ব্যাগ ফেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মুন্সিগঞ্জ সংবাদদাতা:
ভাঙন রোধে পদ্মার তীরে নির্মাণ করা হয়েছিল স্থায়ী নদীরক্ষা বাঁধ। বাঁধ নির্মাণের পর নদীপাড়ের মানুষ স্বপ্ন দেখেছিলেন, এবার হয়তো আর হারাতে হবে না বসতভিটা। রক্ষা পাবে শেষ সম্বল। কিন্তু সেই স্বপ্ন ম্লান দেড় মাসেই। মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নে নির্মিত নদী তীররক্ষা বাঁধের একটি অংশ পদ্মার প্রবল ¯্রােতে ধসে পড়েছে। বাঁধের সিসি ব্লক একের পর এক সরে গিয়ে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নতুন করে ভাঙন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে।
লৌহজং উপজেলার গাউদিয়া ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে, পদ্মাপাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত অংশের আশপাশে বসবাসকারী পরিবারগুলো চরম উৎকণ্ঠায় রাত কাটাচ্ছে। অনেকেই নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ঘরের মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, ভাঙন কবলিত স্থানে প্রায় দেড় মাসে আগে বাঁধের কাজ শেষ করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পদ্মা বহুমুখী সেতুর ভাটিতে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পদ্মা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় বাড়ানো হয়েছে মেয়াদ। সবমিলিয়ে ৫২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার এ প্রকল্পের কাজে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে কাজের মান নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নে নির্মিত নদী তীররক্ষা বাঁধের একটি অংশ পদ্মার প্রবল ¯্রােতে ধসে পড়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থায়ী বাঁধে এত দ্রুত ধস নামায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, নির্মাণকাজে কোনো ধরনের দুর্বলতা বা ত্রুটি ছিল কি-না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা বলছেন, বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই যদি বাঁধের এই অবস্থা হয়, তাহলে সামনে নদীর পানি ও ¯্রােত আরও বাড়লে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।
মুন্সিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক বলেন, ‘এখন ভয়ের কোনো কারণ নেই। খবর পাওয়ার পর থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নদীর তীরে মাটি সরে যাওয়ায় স্থায়ীভাবে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ কারণে জিও ব্যাগ ফেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সীমান্তবর্তী যুবকদের জন্য মোবাইল ফোন সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ চালু করল বিজিবি
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
১০ বছর ধরে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত ১২ বিমান বিক্রি হবে ভাঙারি হিসেবে
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাবা-ছেলের সিন্ডিকেটে ১০ বছর চলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ফ্যাসিবাদী শাসন দেশকে ঋণ ও আমদানিনির্ভর করেছিল -প্রধানমন্ত্রী
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিএনপির মহাসচিব পদে জোর আলোচনা, যা বললেন রিজভী
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
৫ আগস্ট বিপ্লব নয়, হয়েছিল মহাগণঅভ্যুত্থান -ড. মাহবুব উল্লাহ
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
জ্বালানি নিরাপত্তা মাফিয়াদের হাতে তুলে দেয়ার চক্রান্ত রুখে দেয়া হবে -এনসিপি
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নির্মোহভাবে মূল্যায়ন হয়েছে’
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘বাংলাদেশ চায় হাসিনা এবং হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণ ত্বরান্বিত হোক’
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
► সাড়ে পাঁচ বছরে ৫ হাজার ৬২৭ লাশ
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সার ডিলার নিয়োগে নতুন নীতিমালা, এক ব্যক্তির একাধিক ডিলারশিপ নয়
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












