সম্পাদকীয়-১
পতিত সরকারের প্রতারণার পন্থা দ্বৈত নাগরিকত্ব যথাযথভাবে বাতিলে কোন উদ্যোগ ও তৎপরতা নেই কেন? দ্বৈত নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করে নির্বাচন করার প্রক্রিয়া সংবিধান ও আইন সম্মত হচ্ছে না। এ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিতরা বেআইনী থেকেই যাবে। দেশ ও অর্থনীতির স্বার্থে দৈত্ব নাগরিকত্ব বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
, ১৯ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
বর্তমানে বাংলাদেশীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব নেয়ার সুযোগ আছে বিশ্বের ১০১টি দেশে।
প্রচুর বাংলাদেশী গত দেড় দশকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুবিধা নিয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশ থেকে অর্থ পাচার, বিদেশে স্থায়ী নিবাস, ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডসহ বহু দেশে অর্থ ও সম্পদ সরিয়ে নিয়েছে তারা। বিদেশী বাংলাদেশীদের অস্বাভাবিকভাবে সম্পদ বৃদ্ধি এমনকি বিলিয়ন ডলারের সম্পদ গড়ে তোলার ঘটনাও বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সংস্থার প্রতিবেদনেও উঠে আসছে। বিশেষ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বেশকিছু প্রভাবশালী এমপি-মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিলব্ধ অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে।
আহমদ কায়কাউস বিগত সরকারের প্রশাসনের অন্যতম শীর্ষ কর্মকর্তা। প্রথমে জ্বালানি সচিব ও পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিবের দায়িত্ব পালন করে। সে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলো। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছে।
এইভাবে দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল, সাবেক আইজিপি বেনজীর তারাও দ্বৈত নাগরিককে সুযোগ দিয়েছে।
পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া বাকিরা সবাই অন্য দেশের নাগরিক ছিলো।
এছাড়া দেশের বড় বড় উদ্যোক্তা, ব্যাংকার, অলিগার্কদের বেশিরভাগই হয় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে অন্য দেশের নাগরিক হয়েছে অথবা দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েছে।
এমনকি বিগত সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন অনেক কর্মকর্তাও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েছে।
(২)
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতি ও ভালো রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে না ওঠার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুবিধা। শক্তিশালী দেশ গঠনের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দেখা দিয়েছে এটি।
সংবিধানের ৬৬তম অনুচ্ছেদে দ্বৈত নাগরিকদের মন্ত্রী বা এমপি হওয়ার কোনো সুযোগ রহিত করা হয়েছে। কিন্তু পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনেকে দ্বৈত নাগরিক থাকাকালে মন্ত্রী-এমপি হয়েছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বিগত সরকারের মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও এমপিসহ ২৪ আওয়ামী লীগ নেতার দ্বৈত নাগরিকত্ব বা বিদেশে স্থায়ী নিবাসী হিসেবে অনুমতি গ্রহণ করেছিলো।
বলার অপেক্ষা রাখে না দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগে অবাধ অর্থপাচারের পাশাপাশি তারা এখন নিজেদেরও পাচার করেছে।
(৩)
জালেম হাসিনা সরকারের এই অবৈধ পন্থা বর্তমান সময়েও সমানতালে চলছে।
বিএনপি এবং জামায়াতের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রবাসী প্রার্থী এরই মধ্যে নির্বাচনি মাঠে নেমেছেন। তবে তাদের মধ্যে কয়ছর এম আহমদ ব্যতীত বাকিদের নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থার ফাঁকফোকর এবং সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে শুরু হয়েছে বিচার-বিশ্লেষণ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২(গ) দফা অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি বিদেশি নাগরিক হলে বা বিদেশি রাষ্ট্রের আনুগত্য স্বীকার করলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেবল আবেদনের রিসিভ কপি নয়, বরং বিদেশি সরকারের ইস্যুকৃত চূড়ান্ত ‘ত্যাগপত্র’ বা সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা না হলে এই সাংবিধানিক সংকটের সমাধান সম্ভব নয়।
ব্রিটিশ ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট ১৯৮১-এর ১২ ধারা অনুযায়ী, নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ ও জটিল। লন্ডনের আইন বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, একজন নাগরিককে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ‘ডিক্লারেশন অব রেনানসিয়েশন’ (ফর্ম আরএন) প্রদান করতে হয়। এর জন্য ৪৮২ পাউন্ড ফি জমা দিতে হয়। স্বরাষ্ট্র সচিবের দফতরে এই ঘোষণা নিবন্ধিত হওয়ার পরই কেবল নাগরিকত্ব কার্যকরভাবে সমাপ্ত হয়।
যুক্তরাজ্যের আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করলেই হবে না, বরং স্বাক্ষরিত ও সিলমোহরযুক্ত ‘ডিক্লারেশন অব রেনানসিয়েশন’ হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ওই ব্যক্তি ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবেই গণ্য হন। এমনকি আবেদন সফল হওয়ার পর পূর্বের ‘ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন’ (আইএলআর) মর্যাদাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে আসে না।
তারা আরো জানান, মার্কিন পাসপোর্ট ত্যাগের শর্তাবলিতেও একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট (সেকশন ৩৪৯(এ)) অনুযায়ী নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অবস্থিত কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেটে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কনস্যুলার অফিসারের সামনে শপথ নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ২,৩৫০ ডলার ফি দিতে হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ‘সার্টিফিকেট অব লস অব ন্যাশনালিটি’ (সিএলএন) প্রদান করা হলে তবেই তিনি নাগরিকত্ব হারান।
(৪)
বাংলাদেশে এমপি প্রার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই- এটি প্রমাণের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের শিথিলতা নিয়ে বিশেষ অভিযোগ উঠেছে। বাস্তবে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের চূড়ান্ত প্রমাণ জমা দেওয়ার পরিবর্তে অনেকে শুধু আবেদনের একটি প্রাপ্তিস্বীকারপত্র জমা দিচ্ছেন। স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা বা ডিসি অফিস তা গ্রহণও করছে।
আমরা এ বিষয়ে সতর্ক করে বলতে চাই, ‘এটি সম্পূর্ণ একটি অবৈধ প্রক্রিয়া। নমিনেশন বৈধ হওয়ার পর কেউ যদি নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন, তবে তিনি কার্যত বিদেশি নাগরিক হিসেবেই থেকে যাচ্ছেন। অথচ এই প্রাপ্তিস্বীকারপত্রের সুযোগ নিয়ে তিনি নির্বাচন করছেন, যা বাংলাদেশের সংবিধানের স্পষ্ট লঙ্ঘন। যদি কেউ এই বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করেন, তবে অনেক প্রার্থীরই প্রার্থিতা বাতিলের মুখে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।’
সংস্কারের দাবীদার বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পতিত সরকারের সমালোচনা করলেও তাদের সমালোচিত পদক্ষেপগুলোর অবসান ঘটাচ্ছে না। সমালোচিত দ্বৈত নাগরিকের বিধান এক্ষনি বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ নিয়ে যত অবৈধ অর্থপাচার হয়েছে তাও দেশ জাতির কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে ইনশাআল্লাহ।
মূলত, এসব বিষয় বাস্তবায়নের অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা ও জজবা এবং পরিক্রমা থেকে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
চলমান সংসদে “সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হবে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলীর মূল ভিত্তি- এই অনুচ্ছেদ পূর্ণবহালের প্রতিশ্রুতির সাথে চতুর্থ শ্রেণী থেকে হারাম খেলাধূলায় বাধ্য করার ঘোষণা চরম সাংঘর্ষিক।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পৃথিবী চাইলেই বাংলাদেশ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চাইতে পারেনা। তাহলে সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি প্রমাণ হয়না। শিক্ষামন্ত্রী তথা সরকারকে অবিলম্বে অনলাইন শিক্ষা থেকে সরে আসতে হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












