নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ
, ১৮ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৫ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৪ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ২০ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র ১২ই মুহররমুল হারাম শরীফ ১৪৪৮ হিজরী শরীফ মোতাবেক ২৮শে আউওয়াল ১৩৯৪ শামসী লাইলাতুল আহাদ শরীফ (রবিবার রাত) মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ফালইয়াফরহূ শরীফ অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফযীলত মুবারক কতটুকু এটা মানুষ কি বুঝবে? কোনো দিন বুঝবে না। এটা বুঝা কখনো সম্ভব না। এটা মেনে নিতে হবে। এটা
يُؤْمِنُونَ بِالْغَيْبِ
‘অদৃশ্যে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে।’ এটা কোনো দিন তোমরা বুঝবে না। বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। অনেক কিছু আছে। এর মধ্যে অনেক হিকমত, হাক্বীক্বত, অনেক কিছু আছে। যেটা মানুষ আসলেই বুঝতে পারবে না। ঐ যে নূর মুবারক উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আছে- হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন,
يَا رَسْوُلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاَبِـىْ اَنْتَ وَاُمِّىْ اَخْبِرْنِـىْ عَنْ اَوَّلِ شَىْءٍ خَلَقَهُ اللهُ تَعَالـٰى قَبْلَ الْاَشْيَاءِ
‘ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, দয়া করে আমাকে এ বিষয়ে সংবাদ মুবারক দান করুন যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম কোন্ জিনিস সৃষ্টি করেছেন।’
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন,
نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ
‘অর্থাৎ আপনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নবী-রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূর মুবারক পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করেছেন।’
এইযে বিষয়টা এটার মধ্যে কিন্তু অনেকগুলি হিকমত আছে, এর মধ্যে অনেক হিকমত আছে, কুদরত আছে। এখানে শেষে বলা হচ্ছে-
يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى وَلَـمْ يَكُنْ فِـىْ ذٰلِكَ الْوَقْتِ لَوْحٌ وَلَا قَلَمٌ، وَلَا جَنَّةٌ وَلَا نَارٌ، وَلَا مَلَكٌ، وَلَا سَـمَاءٌ وَلَا اَرْضٌ، وَلَا شَـمْسٌ وَلَا قَمَرٌ، وَلَا جِنِّـىٌّ وَلَا اِنْسِىٌّ
এখানে বলা হচ্ছে- ঐ সময় লওহো-কলম, বেহেশ্ত-দোযখ, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম, আসমান-যমীন, সূর্য-চন্দ্র, জিন-ইনসান কোনো কিছুই ছিলো না।’ তাহলে উনি কোথায় ছিলেন? এটা তো মানুষ আসলে কেউ জানে না। আমাদের কুদরত মুবারক উনার বইটা যে, সেখানে লেখা হয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ছিলেন, কিছু ছিলো না। ঠিক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি নূরুল ইযহার মুবারক হয়েছেন, কিছু ছিলো না। এখানে আরেকটা বিষয়, পরে আরেকটা হাক্বীক্বত আছে। এরপরে আরেকটা বিষয় আছে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে-
فَلَمَّا اَرَادَ اللهُ تَعَالـٰى اَنْ يـَّخْلُقَ الْـخَلْقَ
এটা কিন্তু মানুষ ফিকির করে না।
فَلَمَّا اَرَادَ اللهُ تَعَالـٰى اَنْ يـَّخْلُقَ الْـخَلْقَ قَسَّمَ ذٰلِكَ النُّوْرَ اَرْبَعَةَ اَجْزَاءٍ
‘অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন মাখলূক্বাত সৃষ্টি করার ইচ্ছা মুবারক করেন, তখন তিনি সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে চার ভাগ করেন।’
তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মূল ওজূদ মুবারক গেলেন কই? হ্যাঁ? বুঝো এটা? বলো দেখি। বুঝোনি আমার কথা মুবারক?
এখানে যে বলা হলো-
فَلَمَّا اَرَادَ اللهُ تَعَالـٰى اَنْ يـَّخْلُقَ الْـخَلْقَ قَسَّمَ ذٰلِكَ النُّوْرَ اَرْبَعَةَ اَجْزَاءٍ
‘অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন মাখলূক্বাত সৃষ্টি করার ইচ্ছা মুবারক করেন, তখন তিনি সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে চার ভাগ করেন।’
তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মূল ওজূদ মুবারক গেলেন কই? বলো দেখি।
আরজী: ঐ নূর মুবারক থেকে একটা হিস্সা নিয়ে ভাগ করেছেন।
জওয়াব মুবারক: হ্যাঁ?
আরজী: ঐ নূর মুবারক থেকে একটা হিস্সা নিয়ে ভাগ করেছেন।
জওয়াব মুবারক: হ্যাঁ। তবে এখানে তো এটা লেখা নেই।
আরজী: মামদূহজী ভালো জানেন।
فَاَخَذَ اللهُ مِنْ ذٰلِكَ النُّوْرِ جُزْءً ثُمَّ قَسَّمَ ذٰلِكَ الْجُزْءَ اَىْ قَسَّمَ ذٰلِكَ النُّوْرَ
বুঝতে পারলে? ওটার মধ্যে লেখা আছে কি? তাহলে বুঝলে কিভাবে?
আরজী: ‘মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নছীহত মুবারক থেকে।’
সবাই যে বলে যে, এক কাতরা নূর মুবারক নিয়ে। তাহলে কোথায় এটার দলীলটা? আমাদের পত্রিকায়رَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ (বুলন্দী শান মুবারক সম্পর্কে) একটা লেখা এবার নতুন সংখ্যায় আসবে। এটার ব্যাখ্যায় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা দিয়েছে। অর্থটা দিয়েছে, আরবীটা না; অর্থটা। আমি যখন অর্থটা পড়তেছিলাম, এই জাগায় আসলাম, ওটা সংশোধন করতেছিলাম, তখন মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে আমাকে নিদা মুবারক করা হলো যে, ‘তাহলে উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ওজূদ মুবারক গেলেন কোথায়?’
এটার অর্থ ঠিক হয়নি। ওখানে হবে-
فَاَخَذَ اللهُ مِنْ ذٰلِكَ النُّوْرِ جُزْءً ثُمَّ قَسَّمَ ذٰلِكَ الْجُزْءَ اَىْ قَسَّمَ ذٰلِكَ النُّوْرَ
বুঝতে পেরেছো কি এখন আমার কথা মুবারক? নূর মুবারক যদি চার টুকরা হয়ে যান, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি কোথায় ছিলেন? অর্থাৎ ওখান থেকে একটা অংশ নিয়ে ওটাকে চার টুকরা করেছেন। ওখন থেকে একটা অংশ নিয়ে-
فَاَخَذَ اللهُ
‘মহান আল্লাহ পাক তিনি নিলেন।’
مِنْ ذٰلِكَ النُّوْرِ جُزْءً
‘ঐ নূর মুবারক থেকে একটা অংশ নিলেন।’
ثُمَّ قَسَّمَ ذٰلِكَ الْجُزْءَ اَىْ قَسَّمَ ذٰلِكَ النُّوْرَ
বুঝতে পেরেছো আমার কথা মুবারক? অনেক ফিকির আছে এর মধ্যে। ফিকির না করলে তো এগুলি বুঝা যায় না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে বুলন্দী শান মুবারক, এটা কল্পনাতীত বিষয়। এটা মানুষ কোনো দিন বুঝবে না, কখনোই বুঝবে না। যাকে যতটুকু বুঝানো হয়, সেটা বুঝতে পারে। কিন্তু এটা বুঝা কখনো স্বাভাবিক না। কারণ, অন্তরের অনেক বিশুদ্ধতা প্রয়োজন, অনেক ইছলাহী প্রয়োজন। এই ইছলাহী না থাকার কারণে মানুষ এলোমেলো লিখে। শান মুবারক-এ ঠিক মত লেখতে পারে না। বুঝটা অনেক কঠিন বিষয়। এজন্য বললাম- আমরা যে এখানে অনন্তকালব্যাপী জারী করলাম, তোমারা তো এটা বুঝলে না। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত আমরা হলাম, উম্মতও বুঝলো না। তাহলে কিভাবে হবে? মহান আল্লাহ পাক তিনি যে কি আমাদেরকে দিলেন? কত নিয়ামত, আর কতকিছু। এর কত শুকুরগুজারী আছে? সাধারণত ঈমানের জন্য শুকুরগুজারী করলেই তো মানুষ শেষ করতে পারে না। আর ঈমানেরও ঈমানই হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি। তাহলে উনার কত শান-মান মুবারক? কত ফযীলত মুবারক? এটা মানুষ কি ব্যাখ্যা করবে? তোমাদের মাহফিলে আসা উচিত, শুনা উচিত, বসা উচিত। এটা মনে রাখবে। আমার বলার আমি বলে দিলাম।”
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (১৭)
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জীবনী মুবারক আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৫)
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চার খানা বিশেষ খুছূছিয়ত মুবারক (১)
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১৬)
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১৫)
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, আল হাদ্বির ওয়ান নাযির, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জীবনী মুবারক
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১৪)
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, আল হাদ্বির ওয়ান নাযির, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জিবনী মুবারক
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১৩)
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, আল হাদ্বির ওয়ান নাযির, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জিবনী মুবারক
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












