কিতাবে বর্ণিত আছে-
عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ اَلصُّوفِيِّ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا جَعْفَرٍ عَلَيْهِ اَلسَّلاَمُ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِيٍّ اَلرِّضَا عَلَيْهِ اَلسَّلاَمُ وَ قُلْتُ لَهُ يَا اِبْنَ رَسُولِ اَللَّهِ لِمَ سُمِّيَ اَلنَّبِيُّ اَلْأُمِّيَّ قَالَ مَا يَقُولُ اَلنَّاسُ قَالَ قُلْتُ لَهُ جُعِلْتُ فِدَاكَ يَزْعُمُونَ إِنَّمَا سُمِّيَ اَلنَّبِيُّ اَلْأُمِّيَّ لِأَنَّهُ لَمْ يَكْتُبْ فَقَالَ كَذَبُوا عَلَيْهِمْ لَعْنَةُ اللَّهِ أَنَّى يَكُونُ ذَلِكَ وَ اَللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ فِي مُحْكَمِ كِتَابِهِ ্রهُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي اَلْأُمِّيِّينَ رَسُولاً مِنْهُمْ يَتْلُوا عَلَيْهِمْ آيٰاتِهِ وَ يُزَكِّيهِمْ وَ يُعَلِّمُهُمُ اَلْكِتٰابَ وَاَلْحِكْمَةَ فَكَيْفَ كَانَ يُعَلِّمَهُمْ مَا لاَ يُحْسِنُ وَ اللَّهِ لَقَدْ كَا বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সূরা বাক্বারা শরীফের ৭৮ নং আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنْهُمْ أُمِّيُّونَ لَا يَعْلَمُونَ الْكِتَابَ إِلَّا أَمَانِيَّ وَإِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ
তোমাদের কিছু লোক উম্মী। তারা মিথ্যা আকাঙ্খা ছাড়া মহান আল্লাহ পাক উনার গ্রন্থের কিছুই জানে না। তাদের কাছে কল্পনা ছাড়া কিছুই নেই।
এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে ইমাম জারীর তাবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন-
عن ابن عباس: (ومنهم أميون)، قال: الأميون قوم لم يصدقوا رسولا أرسله الله، ولا كتابا أنزله الله، فكتبوا كتابا بأيديهم ثم قالوا لقوم سِفلة جهال: هذا من عند الله
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সূরা জুমুয়ার ২নং আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মীদের মধ্য থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের কাছে পাঠ করেন উনার আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত। ইতিপূর্বে তারা ছিল ঘোর পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত।
বাতিল ফিরকারা উপরোক্ত আয়াত শরীফ থেকে তাদের পক্ষে দলীল দেয়ার চেষ্ট করে, তারা অর্থ করে উম্মী মানে হচ্ছে নির বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের সমাজে একটি ফিতনা প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, কিছু সংখ্যক অজ্ঞ এবং চরম বেয়াদব শ্রেনীর মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত ‘উম্মী’ শব্দকে কেন্দ্র করে বলে থাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখতে ও পড়তে জানতেন না। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
লুগাত বা অভিধান অনুযায়ী উম্মী শব্দের অনেক অর্থ আছে যা সাধারনভাবে আলোচিত হয়। কিন্তু উম্মী শব্দের আরেকটি অর্থ আছে যা পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে প্রমাণিত যা কিনা সাধারনত কেউ উল্লেখ করে না। বরং একশ্রেনীর মিথ্যাবাদী বাতিল ফিরকার অনুসারী বাকি অংশ পড়ুন...
এই আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে একখানা ওয়াকেয়া বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَلْقَمَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ لَعَنَ اللهُ الْوَاشِمَاتِ وَالْمُوْتَشِمَاتِ وَالْمُتَنَمِّصَاتِ وَالْمُتَفَلِّجَاتِ لِلْحُسْنِ الْمُغَيِّرَاتِ خَلْقَ اللهِ فَبَلَغَ ذَالِكَ امْرَأَةً مِنْ بَنِىْ اَسَدٍ يُقَالُ لَهَا حَضْرَتْ اُمُّ يَعْقُوْبَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهَا فَجَاءَتْ فَقَالَتْ اِنَّه بَلَغَنِىْ عَنْكَ اَنَّكَ لَعَنْتَ كَيْتَ وَكَيْتَ فَقَالَ وَمَا لِىْ اَلْعَنُ مَنْ لَعَنَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَنْ هُوَ فِىْ كِتَابِ اللهِ فَقَالَتْ لَقَدْ قَرَأْتُ مَا بَيْنَ اللَّوْحَيْنِ فَمَا وَجَدْتُ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এ ছাড়া সব। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর (আমা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অসংখ্য-অগণিত বুলন্দী শান মুবারক উনার মধ্যে অন্যতম একখানা বুলন্দী শান মুবারক হচ্ছেন পবিত্র মি’রাজ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
মশহূর ও বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী পবিত্র মাহে রজবুল হারাম শরীফ উনার ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতে পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটিত হয়েছেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক ছিলেন ৫১ বছর, আনুষ্ঠানিকভাবে নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের একাদশ বছর বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অসংখ্য-অগণিত বুলন্দী শান মুবারক উনার মধ্যে অন্যতম একখানা বুলন্দী শান মুবারক হচ্ছেন পবিত্র মি’রাজ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
মশহূর ও বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী পবিত্র মাহে রজবুল হারাম শরীফ উনার ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতে পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটিত হয়েছেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক ছিলেন ৫১ বছর, আনুষ্ঠানিকভাবে নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের একাদশ বছর বাকি অংশ পড়ুন...
মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্কে হত্যা:
মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্ ছিলো বনী তামীম গোত্রের প্রধান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারককালে সে পবিত্র যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তখনও সে বনী তামীম গোত্রের প্রধানই ছিলো। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করার কারণে হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি শা বাকি অংশ পড়ুন...
আমর ইবনে আব্দে উদ্দকে হত্যা:
যেসব মুশরিকরা আমর ইবনে আব্দে উদ্দের পিছনে দাঁড়িয়ে ছিলো, আমর ইবনে আব্দে উদ্দের ধরাশায়ী হওয়ার দৃশ্য দেখে তাদের অন্তরে এতটাই ভয়-ভীতি সৃষ্টি হলো যে, তারা নিজেদের অজান্তেই লাগাম ধরে নিজেদের ঘোড়াগুলোকে পরিখার দিকে চালনা করলো এবং একমাত্র নওফেল ছাড়া তাদের সবাই তাদের নিজেদের সেনাশিবিরে ফিরে গেলো। নওফেলের ঘোড়া পরিখার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলো এবং সে নিজেও মাটিতে পড়ে গিয়ে কঠিন আঘাত পেয়েছিলো। পরিখার নিকট দায়িত্বরত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা তার দিকে পাথর নিক্ষেপ করতে থাকলেন, তাই সে চ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক রয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ سَعِيْدِ ۣ الْـخُدْرِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اَتَانِـىْ حَضْرَتْ جِبْرِيْلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ اِنَّ رَبِّـىْ وَرَبَّكَ يَقُوْلُ لَكَ كَيْفَ رَفَعْتُ ذِكْرَكَ قَالَ اللهُ اَعْلَمُ قَالَ اِذَا ذُكِرْتُ ذُكِرْتَ مَعِىْ
অর্থ: “হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি আমার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ এস বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন,
وَلَوْ اَنَّ عَبْدًا عَبَدَ اللهَ وَصَدَّقَهٗ فِـىْ كُلِّ شَىْءٍ وَّلَـمْ يَشْهَدْ اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَـمْ يَنْتَفِعْ بِشَىْءٍ وَّكَانَ كَافِرًا
অর্থ: “যদি কোনো ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত-বন্দেগী করে এবং উনার যাবতীয় বিষয়সমূহ বিশ্বাস করে, তারপরেও সে এক যাররা পরিমাণ ফায়দা লাভ করতে পারবে না এবং নিঃসন্দেহে সে কাফির; যদি সে সাক্ষ্য না দেয়,
اَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লা বাকি অংশ পড়ুন...












