নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৪)
, ০৯ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
কিতাবে বর্ণিত আছে-
عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ اَلصُّوفِيِّ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا جَعْفَرٍ عَلَيْهِ اَلسَّلاَمُ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِيٍّ اَلرِّضَا عَلَيْهِ اَلسَّلاَمُ وَ قُلْتُ لَهُ يَا اِبْنَ رَسُولِ اَللَّهِ لِمَ سُمِّيَ اَلنَّبِيُّ اَلْأُمِّيَّ قَالَ مَا يَقُولُ اَلنَّاسُ قَالَ قُلْتُ لَهُ جُعِلْتُ فِدَاكَ يَزْعُمُونَ إِنَّمَا سُمِّيَ اَلنَّبِيُّ اَلْأُمِّيَّ لِأَنَّهُ لَمْ يَكْتُبْ فَقَالَ كَذَبُوا عَلَيْهِمْ لَعْنَةُ اللَّهِ أَنَّى يَكُونُ ذَلِكَ وَ اَللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ فِي مُحْكَمِ كِتَابِهِ ্রهُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي اَلْأُمِّيِّينَ رَسُولاً مِنْهُمْ يَتْلُوا عَلَيْهِمْ آيٰاتِهِ وَ يُزَكِّيهِمْ وَ يُعَلِّمُهُمُ اَلْكِتٰابَ وَاَلْحِكْمَةَ فَكَيْفَ كَانَ يُعَلِّمَهُمْ مَا لاَ يُحْسِنُ وَ اللَّهِ لَقَدْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ يَقْرَأُ وَ يَكْتُبُ بِاثْنَيْنِ وَ سَبْعِينَ أَوْ بِثَلاَثَةٍ وَ سَبْعِينَ لِسَاناً وَ إِنَّمَا سُمِّيَ اَلْأُمِّيَّ لِأَنَّهُ كَانَ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ وَمَكَّةُ مِنْ أُمَّهَاتِ اَلْقُرَى وَ ذَلِكَ قَوْلُ اَللَّهِ تَعَالَى فِي كِتَابِهِ لِتُنْذِرَ أُمَّ اَلْقُرىٰ وَمَنْ حَوْلَهٰا
অর্থ: হযরত জাফর ইবনে মুহম্মদ আল-সুফী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেছেন আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন ইমাম আলী রিযা আলাইহিস সালাম উনার আওলাদ হযরত ইমাম আবু জাফর মুহাম্মদ আলাইহিস সালাম কে জিজ্ঞাসা করলাম হে সম্মানিত আওলাদে রসূল আলাইহিস সালাম, কেন মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উম্মী বলা হয়? উত্তরে তিনি বললেন, লোকেরা কি বলে? আমি বললাম, তারা দাবি করে যে, তিনি নিরক্ষর হওয়ার কারণে উনাকে উম্মী বলা হত। নাউযুবিল্লাহ!
তিনি জবাব দিলেন, তারা মিথ্যুক! তাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত। মহান আল্লাহ পাক সুস্পষ্টভাবে উনার কিতাবে ইরশাদ মুবারক করেছেন, তিনিই উম্মীদের (যারা আহলে কিতাব না, যাদের কাছে কোন রসূল আসে নাই তাদের জন্য তাদের মধ্যে) মধ্য থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের কাছে তেলাওয়াত করেন উনার আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত। ইতিপূর্বে তারা ছিলো ঘোর পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত। (জুমুয়া ২) তিনি নিজে যদি না পারতেন তবে তিনি তা কীভাবে অন্যকে শিক্ষা দিতেন?
মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৭২ ভাষা অথবা ৭৩টি ভাষা পড়তে এবং লিখতে জানতেন! (মূলত তিনি দুনিয়ার সকল ভাষাই পড়তে ও লিখতে জানতেন, কারণ মহান আল্লাহ পাক উনাকে সমস্ত ইলম হাদিয়া করেছেন) তিনি ছিলেন পবিত্র মক্কা শরীফ উনার থেকে, এজন্য উনাকে উম্মী বলা হতো। মক্কা হলো শহরগুলোর মাতা এবং এ কারণেই মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন; যাতে আপনি শহরগুলির মাকে (অর্থাৎ মক্কা) এবং তার আশেপাশের সবাইকে সতর্ক করতে পারেন। (মায়ানিল আখবার পৃষ্ঠা ৫৩)
সূতরাং প্রমাণ হলো উম্মী মানেই নিরক্ষর বা লেখা পড়া না জানা নয়। যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিরক্ষর বলার জন্য উম্মীর অপব্যাখ্যা করে তারা মূলত বিদ্বেষ ও বেয়াদবির জন্যই করে থাকে। এ শ্রেণীর মানুষের বাপ-মাকে কেউ অশিক্ষিত মূর্খ বললেও এদের শরীরে লাগে, অথচ এরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অবলীলায় এমন কূরুচিপূর্ণ শব্দ দ্বারা আঘাত করে একবারের জন্যও তাদের অন্তরে ও বিবেকে লাগে না। লা’নত এমন চরম বেয়াদবদের প্রতি।
‘উম্মী’ অর্থ যদি নিরক্ষর, লেখাপড়া না জানা, অক্ষরজ্ঞানহীন হয় তবে এই হাদীছ শরীফের কি অর্থ হবে?
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتَ عَلِيٍّ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهُ عَلَيْهِ السَّلَامُ، قَالَ عَهِدَ إِلَىَّ النَّبِيُّ الأُمِّيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ لاَ يُحِبُّنِي إِلاَّ مُؤْمِنٌ وَلاَ يُبْغِضُنِي إِلاَّ مُنَافِقٌ.
অর্থ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মী নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে অবগত করলেন যে, মু’মিন ব্যক্তিরাই আমাকে মুহব্বত করবে এবং মুনাফিকরাই আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফ ১১৪)
এই পবিত্র হাদীছ শরীফে লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে- قَالَ عَهِدَ إِلَىَّ النَّبِيُّ الأُمِّيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ এই বাক্যটি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার নিজের কথা। যার অর্থ হচ্ছে- উম্মী নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে অবগত করেছেন।
এরপর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পরবর্তী অংশে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- أَنَّهُ لاَ يُحِبُّنِي إِلاَّ مُؤْمِنٌ وَلاَ يُبْغِضُنِي إِلاَّ مُنَافِق যার অর্থ মু’মিন ব্যক্তিরাই আমাকে (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম) মুহব্বত করবে এবং মুনাফিকরাই আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে।’ এই অংশটি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীছ শরীফ।
এখন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার বক্তব্যের দিকে খেয়াল করুন- عَهِدَ إِلَىَّ النَّبِيُّ الأُمِّيُّ আমাকে উম্মী নবী অবগত করেছেন। নবীর ক্ষেত্রে যেহেতু তারা উম্মী অর্থ- নিরক্ষর, অক্ষরজ্ঞানহীন, লেখা পড়া না জানা, এরূপ করে থাকে সেহেতু তাদের ভাষ্য অনুযায়ী অর্থ কি দাঁড়ায়- “আমাকে লেখা পড়া না জানা, নিরক্ষর নবী অবগত করেছেন”। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
ফিকিরের বিষয় হচ্ছে যিনি আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রথম ইমাম তিনি এমন বিশেষণে কি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মোধন করতে পারেন?
যারা এমন ধারণা রাখে তাদের বাবা যদি প্রকৃতপক্ষে নিরক্ষর, অশিক্ষিত, মূর্খ হয়। এখন তাদের যদি বলা হয় অমুক মূর্খলোকের ছেলে এই কাজটি করেছে তার এই বিশেষণটি শুনতে কেমন লাগবে? অথবা সে নিজেই মূর্খ, তাকে যদি বলা হয় মূর্খ লোকটি এ কাজটি করেছে তার শুনতে কেমন লাগবে? তার কাছে নিশ্চয়ই পছন্দনীয় হবে না।
তাহলে এই পবিত্র হাদীছ শরীফে উম্মী অর্থ কি নিরক্ষর, অশিক্ষিত, লেখাপড়া না জানা হবে? সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি কি এই অর্থে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উম্মী বলবেন? নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
-খাজা মুহম্মদ নুরুদ্দীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ফতওয়া: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১১)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘গরুর গোস্তে রোগ আছে’ এই সংক্রান্ত বাতিল হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ২৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (৮)
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র রওযা শরীফ উনার বেমেছাল শান-মান, মর্যাদা মুবারক
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












