সম্পাদকীয়-২
দেশের ১০ কোটিরও বেশী শীতার্ত দরিদ্র জনসাধারণের জন্য মাত্র ১৫ কোটি টাকার কম্বল বরাদ্দ করা চরম বৈষম্য এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন পাশাপাশি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের চেতনার সাথে চরম সাংঘর্ষিক খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা ও জজবা ধারণ করে এর অবসান ঘটাতে হবে ইনশাআল্লাহ
, ০১ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৫ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ০৮ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
প্রকৃতির নিয়ম মেনে আমাদের দেশে ফি বছর শীত আসে, আবার চলেও যায়, কিন্তু শীতকালে আমাদের দেশের দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ যেন শেষই হয় না। প্রতিবছর কমবেশি একই চিত্র দেখা যায়। এবারও এরই মধ্যে শীতের তীব্রতা এবং দুর্ভোগ একই সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রকট হয়ে উঠেছে।
এ মৌসুমে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে বলে আগেই জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসে ১২টি শৈত্যপ্রবাহ ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। ইতিমধ্যে তাপমাত্রা ১২ নিচে নেমে এসেছে। এ অবস্থায় শীত ব্যবস্থাপনায় প্রস্তুতির চরম ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
এ বছর শীত এসেছে যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে। এমনিতেই মূল্যবৃদ্ধির চাপে মানুষ দিশেহারা। সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। খেটে খাওয়া মানুষেরা জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। এর মধ্যে শীতের তীব্রতা তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। শীতের সময় ঘর থেকে বের হওয়া খুবই কষ্টদায়ক। কিন্তু তার মধ্যেও সংসার চালাতে ও পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য কাজের সন্ধানে তাদের বের হতে হচ্ছে। এটা যে কী কষ্টের, তা বলে বোঝানো যাবে না!
তীব্র শীতেও সংসার চালাতে কাজের সন্ধানে বের হতে হচ্ছে খেটে-খাওয়া মানুষকে।
এ পরিস্থিতিতে গরিব মানুষগুলোর কী হবে? ক্ষুধা নিবারণই যেখানে কষ্টসাধ্য, সেখানে শীতবস্ত্র জোগাড় হবে কীভাবে?
শীতার্তদের জন্য ১৫ কোটি টাকার কম্বল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলমান শীত মোকাবিলায় শীতার্ত ও দুঃস্থদের মাঝে এই কম্বল বিতরণ করা হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এসব কম্বল কিনবে।
এতে বলা হয়েছে, ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ৪৯৫ উপজেলায় ৩ লাখ টাকা করে ১৫ কোটি ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের জেলা পর্যায়ে পাঠানো টাকায় যে কম্বল কেনা হয় তাতে শীত কিছুই মানে না। এসব কম্বলে শীত নিবারণের মূল উপাদান উলের অস্তিত্বই থাকে না। কুড়িগ্রামের বাসিন্দা নুর হোসেন বলেন, ‘দুই পাটের (স্তর) হলে ভালো হতো। কম্বল খুবই পাতলা, আর আকারও অনেক ছোট। একজনের বেশি থাকা যায় না।’
ঠাকুরগাঁওয়ের আবদুর রহমান বলেন, ‘শীতে সরকারিভাবে যে কম্বল দেওয়া হয়, তা খুবই নিম্নমানের। গত বছর ৫০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকায় যে কম্বল বিক্রি হয়েছে, তা সরকারি কম্বলের চেয়ে অনেক ভালো।’
উল্লেখ্য শীত বস্ত্র নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সে অধিকার পূরণে মাত্র ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেশের দরিদ্র সাধারণের প্রতি কঠিন উপহাসের শামিল। এটা বরদাশতের বাইরে। পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, তোমরা জালিমও হয়ো না, মজলুমও হয়ো না।
এটা চরম বৈষম্যের প্রমাণ। গত একনেক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেশসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।
অপরদিকে সারাদেশের প্রায় ১০ কোটি শীতার্ত দরিদ্র জনগণের জন্য মাত্র ১৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটা পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য চট্টগ্রাম নির্ভর উপদেষ্টা সরকারের বিশেষ পক্ষাপাতিত্ব এবং সমতল ভূমির জনগণের প্রতি চরম বৈষম্য। যা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের আদর্শের সাথে চরম সাংঘর্ষিক। সুতরাং এটা হতে পারে না। শীতার্ত দরিদ্র জনসাধারণের জন্য শীত-বস্ত্রসহ জীবন-জীবিকার জন্য প্রয়োজনে ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দিতে হবে ইনশাআল্লাহ।
মূলত, এসব বিষয় বাস্তবায়নের অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা ও জজবা এবং পরিক্রমা থেকে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












