গণমাধ্যমে লেখালেখি, বলাবলি হচ্ছে- “ইসলামী শরয়ী দৃষ্টিতে, পূজায় শুভেচ্ছা জ্ঞাপন, দেখতে গেলে, অবস্থান করলে, পূজার পক্ষে বিবৃতি দিলে- ‘মুসলমান ঈমান হারায়’। গণমাধ্যমের এতসব বার্তায় সরকারের কর্তাব্যক্তিরা হেদায়েত হচ্ছে না কেন? কিভাবে বিএনপি মহাসচিব বলতে পারে- “দূর্গাপূজা মুসলমানদেরও উৎসব”। (নাউযুবিল্লাহ)
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
হিন্দুরা তো শবে বরাতে, জুমুয়াহয়, কুরবানীতে আসে না, তাহলে উৎসব সবার কেমনে? এই প্রশ্ন করার পরও ক্বওমী রাজনীতিকরা যদি নিজেরাই পূজামন্ডপে যায় তবে তাদের নিকৃষ্ট মুনাফিক আর ধর্মব্যবসায়ী ছাড়া কীই বলা যায়?
, ০৯ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২২ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ২১ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ০৫ কার্তিক, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
আইন বিভাগ বিচার বিভাগ, প্রশাসন বা নির্বাহী বিভাগের পর রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হলো সংবাদপত্র। গতকাল বঙ্গভবনে সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি নিজেও বলেছে ‘গণমাধ্যম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মূলস্তম্ভ’। গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়ায়ই সদ্য অব্যাহতি দেয়া হলো বৈধ অস্ত্র প্রদর্শনকারী মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে। যদিও অবৈধ অস্ত্র কেলেঙ্কারীতে সাবেক উপদেষ্টা আসিফকে বাদ দেয়া হয়নি। নির্বাচিত সরকার হিসেবে বিএনপি গণমাধ্যমের প্রতি সংবেদনশীল হলে তা ইতিবাচক, আপাতভাবে বলা যায়। সেক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা এসে যায় পূজা নিয়ে অত্যধিক বাড়াবাড়ি প্রসঙ্গে। পূজাকে মুসলমানদের উৎসব বলার ক্ষেত্রে। পূজায় মুসলমানদের অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা নিয়ে। অনেকটা পূজাকে মুসলমানদের উপর চাপিয়ে দেয়ার মত অবস্থা তৈরির প্রেক্ষিতে। গত ১৯ শে অক্টোবর বিএনপির মহাসচিব বলেছে- ‘পূজা শুধু হিন্দুদের উৎসব নয় এটা মুসলমানদেরও উৎসব’। (নাউযুবিল্লাহ)
অথচ দেশের প্রথম সারির পত্রিকাগুলোতে মুসলমানের জন্য পূজায় যাওয়া হারাম শীর্ষক লেখা ছাপছে এবং অনলাইনে ব্যাপকভাবে হারাম বলে প্রচারণা চলছে।
খবর শিরোনাম:- শারদীয় শুভেচ্ছা জানানো কি জায়েজ নাকি হারাম? ইসলামের বিধান কী (যুগান্তর, ১৮ অক্টোবর ২০২৬)
খবর ভাষ্য:- যুগান্তরে বলা হয়- ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে অন্য ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানানো, তাদের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কিংবা উপহার বিনিময় করা নিয়ে ইসলামের বিধান কী, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে একটি ফতোয়ায় অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো ও উৎসবের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেওয়াকে নিষিদ্ধ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফতোয়ায় বলা হয়েছে, খ্রিষ্টানদের বড়দিনসহ অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো হারাম।
ফতোয়াটিতে বলা হয়, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কাউকে অভিনন্দন জানানো ওই আচারকে সমর্থন করার শামিল হতে পারে। তাই এমন শুভেচ্ছা থেকে মুসলমানদের বিরত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া অন্য ধর্মের উৎসবের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া, ওই উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করা, উপহার বিনিময়, মিষ্টান্ন বিতরণ কিংবা উৎসবকেন্দ্রিক ছুটি উদ্যাপনের মতো কর্মকা- থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।
ফতোয়ায় বলা হয়েছে, অন্য ধর্মের ধর্মীয় উৎসবে সরাসরি অংশগ্রহণ করা শুভেচ্ছা জানানোর চেয়েও গুরুতর বিষয়। এতে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া হয় বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
যুগান্তর ছাড়া, দৈনিক ইত্তেফাক, বাংলাদেশ প্রতিদিন সহ প্রথম সারির সব পত্রিকা এবং অন্তর্জালে একই ফতওয়া ব্যাপক প্রচার হয়েছে ও হচ্ছে।
এতসব প্রচারণার থাকার পরও সরকারের নীতি নির্ধারণী পক্রিয়ায় তথা কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে তার প্রতিফলন নেই কেনো?
তবে কি সরকার গণমত ও গণমাধ্যমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়? গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাসী নয়? ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের দ্বীনি অনুভূতির প্রতি সক্রিয় নয়? দায়িত্বশীল নয়?
সরকারের কাছে কি দ্বীন ইসলাম তবে নিরাপদ নয়?
(২)
দূর্গাপূজা নিয়ে মাতামাতি করার কারণে জামাতীদের গুরু মওদুদী, গো’যম, সাইদী ইত্যাদির ফতওয়া মোতাবেক যদি জামাতের বর্তমান আমীর, সেক্রেটারী, জেনারেল, এমপি, নেতা বক্তা, আইনজীবি মুসলমানিত্ব হারায়, মুসলমান থেকে বাদ হয়ে যায় তবে অন্য কার কী করার আছে?
মওদুদীর মতে যেহেতু দুর্গাপূজার মূল ভিত্তি হচ্ছে বহুঈশ্বরবাদ ও প্রতিমা উপাসনা, যা ইসলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় পাপ বা 'শিরক', তাই একজন তাওহীদে বিশ্বাসী মুসলিমের জন্য এই ধর্মীয় আচারে কোনো ধরনের সমর্থন বা অংশ নেওয়া অবান্তর ও নিষিদ্ধ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমও মওদুদীর এই ধর্মতাত্ত্বিক অবস্থানকেই পূর্ণ সমর্থন করতো।
গোলাম আযম ও তার দল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে অমুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তার কথা বললেও, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে হিন্দুদের ধর্মীয় আচারে (যেমন পূজাম-পে যাওয়া, পূজা উদ্যাপন করা) পূজায় শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা মুসলিমদের শরিক হওয়াকে পুরোপুরি হারাম মনে করতো। অপরদিকে দূর্গা পূজা নিয়ে সাঈদীর যে বক্তব্য অনলাইনে ভাইরাল হচ্ছে:
“বাবা দূর্গা পূজা হিন্দু উৎসব। আমি এক লক্ষ বার, এক কোটি বার বলবো দূর্গা পূজার সাথে এই দেশের মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নাই। এটা মুসলমানদের অনুষ্ঠান নয়।”
অথচ মিডিয়ায় এসেছে- দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে হিন্দুদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছে জামাতের আমীর। পূজাকে রোজার সাথে তুলনাকারী শিশির-মনিরের বিরুদ্ধে তার কোন প্রতিক্রিয়া বা পদক্ষেপ নেই। কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য, যে পূজামন্ডপে নিয়ে ৫ মিনিট গীতা পাঠ করেছে এবং নেতাকর্মী যারা রাধাকৃষ্ণের ছবি সম্বলিত গেঞ্জি ও মাথায় ফিতা পড়ে পূজায় অংশ গ্রহণ করেছে তাদের বিরুদ্ধেও জামাতী আমীরের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।
জামাতের বর্তমান সেক্রেটারী বলেছে- ‘আমাদের পূজা সামনে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের এই ভিডিও ভাইরাল।
হিন্দুদের পুজাকে ‘নিজেদের’ বলে দাবি করেছে জামায়াত নেতা গোলাম পরওয়ার। তাহলে দেখা যাচ্ছে মওদুদী গো’আযম সাইদীর ফতওয়া মোতাবেকই জামাতীরা আর মুসলমান নাই।
(৩)
অপরদিকে কওমী, হেফাজতী, খেলাফতীরাও এখন পূজা মন্ডপে যাচ্ছে। আগে ক্বওমী নেতা জুনায়েদ হাবীব গং বলতো- কৈ হিন্দুরা তো মুসলমানদের জুমুয়াহ, শবে বরাত, কুরবানীতে আসে না। তাহলে উৎসব সবার হলো কেমনে?
এবারে তার প্রতিদ্বন্দি রুমিন ফারহানা বলেছে- ‘গত একমাস ধরে সে শাড়ী সংগ্রহ করছে। পূজার বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শাড়ী পড়ার জন্য। এবং পূজাকে সে বলেছে প্রাণের উৎসব।’ প্রাসঙ্গিক ছিল জুনায়েদ হাবীব ফতওয়া দিবে- ‘ইসলামের দৃষ্টিতে রুমিন ফারহানা এসব কথা বলে মুশরিক হয়ে গেছে’। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেলো সে সহ কওমী রাজীতিকরা নিজেরাই পূজামন্ডপে গিয়ে অংশগ্রহণ করছে। (নাউযুবিল্লাহ)
এদের নিকৃষ্ট মুনাফিক আর ধর্মব্যবসায়ী ছাড়া আর কীইবা বলা যায়। (নাউযুবিল্লাহ)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যদি গোবর-গোচনা থেকে বিরত থাকতে চান, তাহলে বিধর্মীদের হোটেলে খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকুন মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা (পূজারী) নাপাক”।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












