চোখে সুরমা ব্যবহার করা মহাসম্মানিত সুন্নতী মুবারক (১)
, ০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن حضرت ام المؤمنين الثالثة الصديقة عليها السلام قالت كان لرسول صلى الله عليه وسلم المد يكتحل به عند منامه في كل عين
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট ‘ইছমিদ' নামক সুরমা ছিলো। তিনি ঘুমানোর পূর্বে তা প্রত্যেক মহাসম্মানিত নূরুল মুনাওওয়ার (মহাসম্মানিত চোখ) মুবারকে তিনবার করে লাগাতেন। (আখলাকুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে বিভিন্নরূপ বর্ণনা এসেছে-
عن حضرت ابن عباس رضى الله تعالى عنه قال كان كانت للنبي صلى الله عليه وسلم مكحلة يكتحل منها عند النوم ثلاثا في كل عين
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একটি সুরমাদানি ছিলো। তিনি ঘুমানোর পূর্বে তা থেকে প্রত্যেক মহাসম্মানিত নূরুল মুনাওওয়ার (মহাসম্মানিত চোখ) মুবারকে তিনবার করে সুরমা লাগাতেন। (আখলাকুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অপর বর্ণনায় এসেছে-
عن حضرت ابن عباس رضى الله تعالى عنه قال كانت لرسول الله صلى الله عليه وسلم مكحلة يكتحل منها عند النوم في كل عين ثلاثا
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একটি সুরমাদানি ছিলো। তিনি ঘুমানোর সময় তা থেকে তিনবার করে প্রত্যেক মহাসম্মানিত নূরুল মুনাওওয়ার (মহাসম্মানিত চোখ) মুবারকে সুরমা লাগাতেন। ঘুমানোর পূর্বে চোখে সুরমা লাগানো উত্তম এবং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। অতএব মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার নিয়তেই সুরমা লাগানো উচিত। তাতে সর্বশ্রেষ্ঠ নি’য়ামত মুবারক অর্জিত হবে এবং দৃষ্টিশক্তির জন্যও উপকারী হবে। বিশেষত ‘ইছমিদ' নামক সুরমার অসংখ্য উপকার রয়েছে।(আখলাকুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, তোমাদের সুরমার মধ্যে ইছমিদ সুরমা সর্বোত্তম, যা চোখের দৃষ্টিশক্তি সতেজ করে এবং চোখের পাতা উৎপন্ন করে।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে চোখে সুরমা ব্যবহারের নিয়ম বর্ণিত রয়েছে,নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বেজোড় সংখ্যায় সুরমা লাগাতেন, প্রত্যেক মহাসম্মানিত নূরুল মুনাওওয়ার (মহাসম্মানিত চোখ) মুবারকে তিনবার অথবা এক মহাসম্মানিত নূরুল মুনাওওয়ার (মহাসম্মানিত চোখ) মুবারকে তিনবার এবং অপর মহাসম্মানিত নূরুল মুনাওওয়ার (মহাসম্মানিত চোখ) মুবারকে দুইবার। (অসমাপ্ত)
-আহমদ হুসাইন
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পথচলা এবং চলার পথে দৃষ্টিপাত করার মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক (১)
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পথচলা এবং চলার পথে দৃষ্টিপাত করার মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক (১)
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
রোগীর জন্য প্রয়োজনে খাদ্য আহার করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা মহাসম্মানিত সুন্নাহ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
খাওয়ার পর দাঁত খিলাল করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার মাধ্যমেই সর্বপ্রকার নেয়ামত মুবারক হাছিল করা সহজ ও সম্ভব
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৬)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৫)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৪)
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (২)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (১)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












