গত জুমুয়াবারে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকার দোহারে
ভূমিকম্পসহ সর্বপ্রকার আযাব-গযব থেকে বাঁচার জন্য রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এবং উনার সম্মানিত পূত-পবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার বিকল্প নেই।
, ১৬ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০৭ ছানী ‘আশির, ১৩৯০ শামসী সন , ০৭ মে, ২০২৩ খ্রি:, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গত জুমুয়াবার (৫ মে) ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ এর আশপাশের কয়েকটি জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, গত জুমুয়াবার ভোরের ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.৩। এর উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৪২ কিলোমিটার দূরে দোহারে। আর ভূপৃষ্ঠ থেকে গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল দুপুরে চট্টগ্রামে ৪.৬ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়। যেটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মাউলাইকে। গত ২৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের তারাবো এলাকায় সংঘটিত ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয় ৩.৯ মাত্রা।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৫৭ বার ভূমিকম্প হয়েছে বাংলাদেশে। এরপর চলতি বছর টেকনাফ, কক্সবাজার ও নারায়ণগঞ্জে এবং সর্বশেষ গত জুমুয়াবার সকালে দোহারে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে কেঁপে ওঠে ঢাকা শহর। আর এই কম্পনকে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে ঢাকার এত কাছে এ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার ইতিহাস খুবই কম। রাজধানীর কাছে এত সক্রিয় ভূ-চ্যুতি থাকার বিষয়টিতেও উদ্বেগ জানিয়েছেন ভূতত্ত্ববিদরা।
জিএসবির সাবেক পরিচালক ফজলুল করিম আজাদ বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সক্রিয় ভূমিকম্প অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলাদেশের আশপাশে বড় ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার ভূগাঠনিক অবস্থা বিরাজমান।
মূলত, এ শঙ্কার কথা এখন প্রচারণার ঊর্ধ্বে। গণমানুষ নিজেরাই তা মর্মে মর্মে অনুভব করছে। কিন্তু ভূমিকম্প, খরা, বন্যা, সিডর ইত্যাদির কাছে কথিত শক্তিশালী রাষ্ট্রও নিতান্তই অসহায়, অবলা ও অক্ষম। দেশবাসীর সামনে আজ তাই প্রশ্ন উপস্থিত- ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা কি দুর্ভাগার মতো মৃত্যুবরণ করবে? তাদের সামনে কি করার কিছু আছে?
বলাবাহুল্য, ভূমিকম্প বন্ধের বিষয়ে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রযন্ত্র এ পর্যন্ত কিছু বলেনি। কিছু বলার ক্ষমতাও তার নেই। কিছু বলার জ্ঞানও তার নেই। তবে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে যথাযথ বিবরণ রয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন গণীমতের মালকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হবে, আমানতকে গণীমতের মাল মনে করা হবে, যাকাতকে জরিমানা ধারণা করা হবে, দ্বীন ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে ইলিম হাসিল করা হবে, পুরুষ (আহাল বা স্বামী) তার স্ত্রী বা আহলিয়ার আনুগত্য করবে এবং সন্তান মায়ের নাফরমানী করবে, বন্ধুকে খুব নিকটে স্থান দিবে এবং আপন পিতাকে দূরে সরিয়ে রাখবে, মসজিদে শোরগোল করা হবে, ফাসিক ব্যক্তি গোত্রের সরদার (নেতা) হবে, জাতির নিকট নিকৃষ্ট ব্যক্তি সমাজের কর্তৃত্ব করবে, ক্ষতির ভয়ে মানুষকে সম্মান করা হবে, গায়ক-গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপকভাবে প্রকাশ লাভ করবে, মদ্যপান বেড়ে যাবে এবং এই উম্মতের পরবর্তীকালের লোকেরা পূর্ববর্তী লোকদের প্রতি অভিসম্পাত করতে থাকবে; সেই সময় রক্তিম বর্ণের ঝড়ের, আকৃতি বিকৃতি, ভূকম্পনের, ভূমিধসের এবং সুতা ছেঁড়া তাসবীহর দানার ন্যায় একটির পর একটি গযবের জন্য তোমরা অপেক্ষা করো।” নাঊযুবিল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)
পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল হওয়ার পূর্বেকার অবাধ্য জাতিসমূহকে মহান আল্লাহ পাক তিনি গযব দিয়ে ধ্বংস করেছেন, সে সবের অধিকাংশ গযবই ছিল ভূমিকম্প। ভূমিকম্প এমনই একটা দুর্যোগ, যা নিবারণ করার মতো কোনো প্রযুক্তি মানুষ আবিষ্কার করতে পারেনি। এর পূর্বাভাস পাওয়ার মতো কোনো প্রযুক্তিও মানুষ আজ পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেনি। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে একাধিকবার বলা হয়েছে যে, “মানুষের দুষ্কর্মের জন্যেই ভূমিকম্পের ন্যায় মহাদুর্যোগ নেমে আসে।”
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি ভয় দেখানোর জন্যেই (তাদের কাছে আযাবের) নিদর্শনসমূহ পাঠাই।” (পবিত্র সূরা ইসরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৯)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের প্রতি, তোমাদের উপর থেকে (আসমান থেকে) অথবা তোমাদের পায়ের নিচ (যমীন) থেকে আযাব পাঠাতে সক্ষম। (যার ব্যাখ্যা হলো, ভূমিকম্প এবং ভূমিধসের মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঢুকে যাওয়া।)” (পবিত্র সূরা আল আনআম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৫)
নিঃসন্দেহে বর্তমানে যেসব ভূমিকম্পগুলো ঘটছে, তা মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে প্রেরিত সতর্ককারী নিদর্শনগুলোর একটি যা দিয়ে তিনি উনার বান্দাদের সতর্ক করে থাকেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সূর্যগ্রহণ দেখে বলতেন, “যদি এরকম কিছু দেখো, তখন দ্রুততার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করো, উনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
তাই যখন কোথাও ভূমিকম্প সংঘটিত হয় অথবা সূর্যগ্রহণ হয়, ঝড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন মানুষের উচিত- মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অতি দ্রুত তওবা করা, মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিকহারে স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং উনার নিকট নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- হযরত সালমা ইবনে আকওয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আকাশের তারকারাজি আসমানবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী। আর আমার পবিত্র আহলু বাইত শরীফ তথা আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা আমার উম্মত তথা গোটা কায়িনাতবাসীর একমাত্র নিরাপত্তা দানকারী তথা নাজাত দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! (কানযুল উম্মাল)
বলার অপেক্ষা রাখে না, পবিত্রতম হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যমণি হচ্ছেন- ছহিবে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার পূত-পবিত্রতম আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালামগণ। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! উনারাই কায়িনাতের বুকে সকল উম্মতের একমাত্র নিরাপত্তা দানকারী, নাজাত দানকারী। সুবহানাল্লাহ! উনাদের নেক ছোহবত মুবারক, রূহানী ফয়েয তাওয়াজ্জুহ হাছিলে সম্ভব ভূমিকম্পসহ সব গযব থেকে বেঁচে থাকা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
চলমান সংসদে “সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হবে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলীর মূল ভিত্তি- এই অনুচ্ছেদ পূর্ণবহালের প্রতিশ্রুতির সাথে চতুর্থ শ্রেণী থেকে হারাম খেলাধূলায় বাধ্য করার ঘোষণা চরম সাংঘর্ষিক।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পৃথিবী চাইলেই বাংলাদেশ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চাইতে পারেনা। তাহলে সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি প্রমাণ হয়না। শিক্ষামন্ত্রী তথা সরকারকে অবিলম্বে অনলাইন শিক্ষা থেকে সরে আসতে হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












