মন্তব্য কলাম
এক সন্তান নীতি থেকে সরে এলো চীন। বিধর্মী দেশগুলোতে অধিক সন্তান গ্রহণে দেয়া হচ্ছে পুরস্কার। বিপরীতে ইহুদীবাদীদের ভ্রান্ত ম্যালথাসবাদের প্রসার হচ্ছে মুসলিম দেশগুলোতে; বিশেষ করে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ সরকারকে এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থেকে বের হওয়ার পাশাপাশি জনগনকেও সচেতন হতে হবে।
, ২রা রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২২ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ০৭ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও পরিবর্তনের জন্য চাপ তৈরি হচ্ছিল। তাই এবার দুই নয়, তিন সন্তানের জন্মের বিষয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর ছাড়পত্র দিলো চীন সরকার।
শুধু চীন নয় পৃথিবীর বহু দেশেই এই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি চালু রয়েছে। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মূলত বিশ্বব্যাপী একটি ইহুদীবাদী ঘৃণ্য এজেন্ডা। যার ফাঁদে পড়ে নিঃশেষ হচ্ছে বহু দেশের জনসংখ্যার সমীকরণ। এর শুরুটা হয়েছিল জনসংখ্যা নিয়ে ম্যালথাসের ভ্রান্ত সূত্র থেকে। ম্যালথাসবাদ অর্থাৎ মানুষ বৃদ্ধি হয় জ্যামিতিক হারে অর্থাৎ ১, ২, ৪, ৮, ১৬ ইত্যাদি আর খাদ্য বাড়ে গাণিতিক হারে ১, ২, ৩, ৪ ইত্যাদি। সুতরাং জন্মবৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে। যদিও সময়ের পরীক্ষায় এসব তত্ত্ব ও সূত্র মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ম্যালথাসের কল্পনাপ্রসূত সূত্র হাওয়ায় মিশে গেছে। পৃথিবীর ১ ভাগ মাটি আর তিন ভাগ পানি। স্থলভাগে যে খাদ্য উৎপন্ন হয় এবং উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে তা দিয়ে পৃথিবীর জনসংখ্যার বহুগুণ মানুষ খেতে পারবে। এরপর তিন ভাগ পানিতে যে কী পরিমাণ খাদ্য রয়েছে মানুষের চিন্তার বাইরে।
ম্যালথাসের এই ভ্রান্ত সূত্রের মাধ্যমে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হয় ৬০ এর দশকে ঙাবৎ চড়ঢ়ঁষধঃরড়হ ঐুংঃবৎরধ-র মাধ্যমে। অতঃপর ১৯৭৪ সালে কুখ্যাত ইহুদী রাজনীতিক হেনরি কিসিঞ্জার ‘পরিবার পরিকল্পনাকে’ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দেবার পলিসি তৈরি করে এই পরিকল্পনাকে চূড়ান্ত রুপ দেয়। বিশ্বব্যাপী জন্মনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ব্লুপ্রিন্ট বাস্তবায়নে আমেরিকার সহকারি ছিল টঘঋচঅ এর মত ইহুদী এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো।
টঘঋচঅ এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ কতটা ভয়াবহ, তার একটা উদাহরণ হলো, সাম্প্রতিক সময়ে যে চীন অধিক সন্তান গ্রহণের বিষয়ে পাশ দিয়েছে সেই চীনও একসময় হেনরির পরিবার পরিকল্পনা নামক ইহুদী এজেন্ডার শিকার হয়েছিলো। জাতিসংঘের এ অঙ্গপ্রতিষ্ঠানটি শুধু চীনেই ফ্যামিলি প্ল্যানিং এ ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। চীনের শাসকেরা যেভাবেই হোক, এ ব্যপারে কনভিন্সড হয় যে, অতিরিক্ত জনসংখ্যা তাদের জন্য ক্ষতিকারক। তাই, এক সন্তান নীতির আওতাধীন তারা ৪০০ মিলিয়ন শিশুর গর্ভপাত ও জন্ম প্রতিরোধ করিয়েছে। ৪০ কোটি শিশু, যা আমেরিকার বর্তমান জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। তবে হেনরির এই পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির মূল লক্ষ্যই ছিলো মুসলিম দেশগুলোর জনসংখ্যা কিভাবে হ্রাস করা যায়। এজন্য বিপুল পরিমাণ ফান্ডিং এবং শত শত এনজিওর মাধ্যমে এশিয়াসহ সারাবিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম খুব দ্রুততার সাথে পরিচালনা করা হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র থেকে বাদ নেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশও। বাংলাদেশে ১৯৫৩ সাল থেকেই হেনরির এই জন্মনিয়ন্ত্রণ নামক ইহুদীবাদী চক্রান্তের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। বর্তমানে সমাজ সেবার নাম দিয়ে বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে সর্বত্র বিভিন্ন এনজিও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এসব এনজিও সংস্থার কর্মসূচির একটি কাজ হলো-
মুসলমানদের কাছে তারা বিভিন্ন ধরনের জন্মনিরোধ উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করছে। এমনকি কিশোরী ও বয়স্কা মহিলাদের বিনামূল্যে লাইগেশান করাচ্ছে আর কিশোর ও পুরুষদের বিনামূল্যে ভ্যাসেকটমি করাচ্ছে এবং সঙ্গে কিছু টাকাও ধরিয়ে দিচ্ছে। ২০১১ সালে প্রকাশিত একটি খবর ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। গাইবান্ধার দারিদ্র্যপীড়িত সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের উপর ‘জন্মনিয়ন্ত্রণের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের টার্গেট পূরণ না হলে চাকরি চলে যাবে’ বলে হুমকি থাকায় তারা একটি দালাল চক্রের মাধ্যমে অসচ্ছলতার সুযোগ নিয়ে বিধবা থেকে শুরু করে বালক-বালিকা ও কিশোর-কিশোরীদের পর্যন্ত ভ্যাসেকটমি ও লাইগেশান করায়। তাদের এই টার্গেট পূরণের গোপন সংবাদটি প্রকাশ পায় ১২ বছরের এক বালককে জোর করে ধরে নিয়ে ভ্যাসেকটমি করানো এবং তার হাতে কিছু অর্থ ধরিয়ে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। তাদের এই অপতৎপরতা এখনো প্রান্তিক পর্যায়ে সচল রয়েছে। তাদের এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের ভেতর থাকা একশ্রেণীর মুনাফালোভী মহলের সহযোগীতায় তারা এদেশে শ্লোগান চালু করেছে, ‘দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়।’
মূলত জন্ম নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে- একটি আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, যার মাধ্যমে মুসলমানদের চরিত্র নষ্ট করার তথা মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঠেকিয়ে তাদের সংখ্যা হ্রাস করার একটি নীল নকশা। অথচ, তাদের এসব কার্যক্রমের আওতায় নেই বিধর্মী দেশগুলো। উপরন্তু বিধর্মী দেশগুলোতে অধিক সন্তান গ্রহণে ঘোষণা দিয়ে পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
১. অধিক সন্তান গ্রহণে বিনামূল্যে জমি বিতরণ করছে কানাডা সরকার। ২. জনসংখ্যা বাড়াতে সিঙ্গাপুরে মন্ত্রণালয় গঠন ৩. ভারতে হিন্দু জনসংখ্যা বাড়াতে ১০ সন্তান নেওয়ার আহ্বান ৪. সার্বিয়ায় জনসংখ্যা বাড়াতে সরকারের আহবান ৫. জনসংখ্যা বাড়াতে জাপান সরকারের উদ্যোগ ৬. ডেনমার্কে জনসংখ্যা বাড়াতে সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা ৭. জনসংখ্যা বাড়াতে রাশিয়ার পরিবারগুলোর প্রতি পুতিনের কমপক্ষে ৩টি শিশু নেয়ার আহ্বান ৮. ফিনল্যান্ডে জনসংখ্যা বাড়াতে বেবি বোনাস ঘোষণা ৯. জনসংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ স্পেন সরকারের ১০. জনগণকে খরগোশের মতো সন্তান জন্মদানের আহবান পোল্যান্ড সরকারের ১১. মিজোরামে ৪টি করে সন্তান জন্ম দিতে চার্চের আহবান।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম রাষ্ট্র। বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান এবং বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রদ্বীন সম্মানিত ইসলাম। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে দ্বীন ইসলাম উনার হাক্বীকী আদর্শ-অনভূতির প্রচার-প্রসার না থাকার কারণে মুসলমানরা বিধর্মীদের এসকল ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। জন্মনিয়ন্ত্রণ যে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে কাট্টা হারাম সে বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞানই নেই। উল্টো এদেশের কিছু কথিত সুশীল নামধারী মহল প্রচার করে বেড়ায় যে, অধিক সন্তান জন্ম নিলে খাওয়া-পরার সমস্যা হয়ে যাবে। অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে পড়তে হবে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘তোমরা অধিক সন্তান সম্ভাব্য নারীকে বিয়ে করবে। কারণ, আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মাতের উপর গর্ব করব ।”(আবু দাউদ শরীফ, নাসাঈ শরীফ)। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদের সন্তানদের হত্যা করো না দারিদ্রতার ভয়ে। আমি তোমাদের রিজিক দিবো এবং তোমাদের সন্তানদেরও। (পবিত্র সূরা আনআম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৫১)।
মূলত, অতীতে যেভাবে সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের সংখ্যাধিক্য ছিলো (বর্তমানেও রয়েছে), মুসলমানগণ সারা পৃথিবী শাসন করেছে, মুসলমানদের ইনসাফের কারণে দলে দলে বিধর্মীরা দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছে সেরকম পরিস্থিতি যাতে বর্তমানেও সংঘঠিত না হয়, মুসলমানরা যাতে বিশ্বে আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে, সংগঠিত হতে না পারে এজন্য ইহুদীবাদী শক্তি প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত পরিচালনা করে আসছে। যারই একটি ধাপ হচ্ছে এই পরিবার পরিকল্পনা।
পরিশেষে, জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ, বড় নিয়ামত। এই অমূল্য সম্পদ বা নিয়ামত থেকে বিধর্মীরা বঞ্চিত। বাংলাদেশ বর্তমানে এই অমূল্য সম্পদের অধিকারী। যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানের বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যেও প্রকাশ পেয়েছে। সরকার এর আগে বলেছিলো, ‘জনসংখ্যা বোঝা নয় বরং সম্পদ’। তাই সরকারের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে দেশের সচেতন মহল আশা করে থাকে যে, অনতিবিলম্বে সরকার সাম্রাজ্যবাদী ইহুদীবাদী শক্তির ষড়যন্ত্রমূলক জন্মনিয়ন্ত্রণ এবং পরিবার পরিকল্পনা নামক ষড়যন্ত্র রুখে দেবে। এসব কর্মকান্ডে যাতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না হয় সে ব্যাপারে আইন তৈরী করতে হবে। বিশেষ করে, দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে যে সকল এনজিও ইহুদীবাদীদের এসকল ষড়যন্ত্র চক্রান্ত দেশের অসহায় দরিদ্রদের নিয়ে বাস্তবায়ন করছে তাদেরকে এদেশ থেকে বিতাড়িত করা। তাদের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা। এসব কর্মসূচি থেকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা হটিয়ে এসবের সাথে জড়িত দেশীয় বিদেশী এনজিওগুলোর বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সরকারের এক মূর্খ মন্ত্রী বলেছে তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতি হবে না। অথচ তেলের দাম বৃদ্ধিতে প্রথম দাম বাড়বে খাদ্যের।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












