মহান রব্বুল আলামীন তিনি সূরা আল-ইমরান শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, এই পবিত্র কুরআন শরীফ মানুষের জন্য সুস্পষ্ট বর্ণনা বা দলীল এবং মুত্তাকী উনাদের জন্য হিদায়েত ও নছীহত।
উত্তম কথা উত্তম গাছরে ন্যায় ফলদায়ক। উত্তম কথা ব্যতীত অতিরিক্ত কথা বলার দ্বারা মানুষের অন্তর কঠিন হয়ে যায় এবং মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে দূরে সরে যায়। তাই কথা বললে উত্তম কথা বলতে হবে, যে কথায় মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক রয়েছে; অন্যথায় মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মশগুল থাকতে হবে।
, ২৫ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৬ আউওয়াল, ১৩৯১ শামসী সন , ১৫ জুন, ২০২৩ খ্রি:, ০১ আষাঢ়, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান রব্বুল আলামীন তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, আপনি কি দেখেননি? (অর্থাৎ আপনি দেখেছেন), মহান রব্বুল আলামীন তিনি কিভাবে উত্তম কথার দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। উত্তম কথা হচ্ছে উত্তম গাছের ন্যায়। যার শিকড় অত্যন্ত মজবুত এবং শাখা-প্রশাখা আসমানে। (সেই গাছ) সবসময় মহান রব্বুল আলামীন উনার আদেশ মুবারকে ফল দেয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষের জন্য এই দৃষ্টান্তগুলো বর্ণনা করেছেন যাতে তারা ইবরত-নছীহত গ্রহণ করে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, এই পবিত্র আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি উত্তম কথাকে এমন গাছের সাথে তুলনা করেছেন; যে গাছের শিকড় খুবই মজবুত এবং শাখা-প্রশাখা আসমানে। অর্থাৎ উত্তম কথা হচ্ছে, এমন কথা যার সম্পর্ক মহান আল্লাহ পাক এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে। উত্তম কথা বলার দ্বারা সর্বদাই রহমত-বরকত, সাকীনা বর্ষিত হয়। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, উত্তম কথা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টিমূলক এমন কথা বলে, যা তার অন্তরে পৌঁছেনি অর্থাৎ অন্তর থেকে বলেনি। এর দ্বারা মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে উচ্চ মর্যাদা দান করবেন। অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তি এমন একটি উত্তম কথা বলল, যার মর্যাদা র্সম্পকে সে জানে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সাথে সাক্ষাৎ দিবস পর্যন্ত এই উত্তম কথা বলার কারণে, তার জন্য উনার সন্তুষ্টি মুবারক লিপিবদ্ধ করে রাখেন। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, উত্তম কথা হলো দ্বীনি কথা-বার্তা তথা মহান আল্লাহ পাক ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সম্পর্কিত আলোচনা মুবারক। এছাড়া মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে যে বাক্য দ্বারা ডাকা হয় এর সবই উত্তম কথার অন্তর্ভূক্ত। অপরদিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি মন্দ কথার দৃষ্টান্ত পেশ করে সূরা ইবরাহীম শরীফের ২৬ নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, আর মন্দ কথার দৃষ্টান্ত হচ্ছে মন্দ গাছের ন্যায়, যা মাটির উপর থেকে তুলে ফেলা হয়। যার কোনো স্থায়িত্ব থাকে না।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মন্দ কথার পরিণাম র্সম্পকে পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নিশ্চয়ই বান্দা এমন একটি অসন্তুষ্টিমূলক কথা বলে যা সে মনোযোগের সাথে বা গুরুত্ব দিয়ে বলেনি, এই মন্দ কথা বলার কারণে সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তি এমন একটি মন্দ কথা বলে, সে জানে না এই মন্দ কথা তাকে কোথায় নিয়ে পৌঁছাবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সাক্ষাৎ দিবস পর্যন্ত তার আমলনামায় অসন্তুষ্টি লিপিবদ্ধ করে রাখেন। নাঊযুবিল্লাহ! তাই সবসময় খেয়াল রাখতে হবে জবান দিয়ে উত্তম কথা ব্যতীত যেন কোনো রকম মন্দ কথা বের না হয়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, উত্তম ও মন্দ উভয় কথারই তাছির হয়। উদাহরণ স্বরূপ একটি ঘটনা উল্লেখ করা যেতে পারে- পৃথিবীর বিখ্যাত চিকিৎসাবিদ ইবনে সিনার সহপাঠী ছিলেন একজন বুযুর্গ ব্যক্তি। ইবনে সিনা মাঝে-মধ্যে সেই বুযুর্গ ব্যক্তির কাছে আসতেন। একবার এসে বললেন, আপনারা যে ফুঁ দেন, এই ফুঁ তে যদি সব কিছু হয়ে যেত তাহলে এত ওষুধ-পত্রের কি প্রয়োজন ছিল? তখন বুযুর্গ ব্যক্তি মনে মনে ভাবলেন, উনাকে তো এর হাক্বীক্বত সম্পর্কে সাধারণভাবে বললে বুঝবেন না। ভিন্ন আঙ্গিকে বুঝাতে হবে। তিনি ইবনে সিনাকে পরের দিন বাদ মাগরিব উনার বাড়িতে দাওয়াত করলেন। মাগরিবের পর তিনি যখন আসলেন এবং দরজার কড়া নাড়লেন, বুযুর্গ ব্যক্তি দরজা খুলে খুব রাগ করে বললেন, ‘সময়-অসময় নেই, যখন তখন এসে বিরক্ত করো!’ একথা বলে তার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিলেন। এরকম দূর্ব্যবহারে ইবনে সিনা খুব রেগে গেলেন এবং বললেন, আমাকে দাওয়াত দিয়ে এনে এমন অপমান? এমন সময় বুযুর্গ ব্যক্তি আবার দরজা খুললেন এবং হাসি মুখে সালাম দিয়ে বললেন, ওহ আপনি! আসুন, আসুন। ইবনে সিনা রাগ করে ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেন না। তারপরও তিনি জোর করে উনাকে ঘরে প্রবেশ করালেন। অনেক খাবার-দাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। খাওয়া-দাওয়া করানো হলো, অনেক কথা বার্তা বলা হলো। ইবনে সিনার রাগও দূর হয়ে গেলো। সেই বুযুর্গ ব্যক্তি এরপর বললেন, আসলে আপনার সাথে কোনো খারাপ ব্যবহার করার উদ্দেশ্য ছিল না। মূলত আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। আমি যখন আপনার সাথে রাগ করে কথা বললাম তখন আপনার মধ্যে এক ধরণের পরিবর্তন আসলো, আবার আমি যখন আপনার সাথে ভালভাবে কথা বললাম তখন আপনার মধ্যে আরেক ধরণের পরিবর্তন আসলো। এখন বান্দা হয়ে যদি আমার কথার এমন তাছির হয়ে থাকে তাহলে মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পাক পড়ে ফুঁ দিলে সেটার কেন তাছির হবে না?
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যারা উত্তম কথা শুনে তাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, “যারা ক্বওল শরীফ বা বাণী মুবারক শুনে অতঃপর উত্তমভাবে বাণী মুবারকের অনুসরণ করবেন, মহান রব্বুল আলামীন তিনি উনাদেরকেই হিদায়েত দান করেন এবং উনারাই হচ্ছেন জ্ঞানী।” মূলত মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কথা মুবারকই উত্তম কথা। হিদায়েত উনার উপর ইস্তেক্বামত থাকতে হলে সর্বদাই উত্তম কথা শুনে, সে অনুযায়ী আমল করতে হবে। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ব্যতীত অতিরিক্ত কথা বলো না।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অন্তর থেকে বদ খাছলতসমূহ দূর করে দিয়ে পবিত্র নেক খাছলতসমূহ পয়দা করার মাধ্যমেই হাক্বীক্বী ইছলাহ বা পরিশুদ্ধতা লাভ সম্ভব। মুহলিকাতের (বদ খাছলত) কারণে ক্বলব বিনষ্ট হয়। আর মুনজিয়াতের (নেক খাছলত) কারণে ক্বলব পরিশুদ্ধ হয়। অতএব, মুহলিকাত ও মুনজিয়াত সম্পর্কিত ফরয পরিমাণ পবিত্র ইলম অর্জন করাও প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলাদের জন্য ফরয।
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হায়াত, মাল-সম্পদ এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার হক্ব যারা আদায় করবেনা, তাদেরকে কিয়ামতের দিন অসহায় বকরীর ন্যায় উপস্থিত করা হবে।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা পবিত্র জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করা সকলের জন্যই ফরয। আর মুসলিম-অমুসলিম সব সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সমস্ত পাঠ্যপুস্তকে অর্থাৎ মাদরাসা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সর্বপ্রকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের অফুরন্ত ফযীলত মুবারক। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সূক্ষ্মাতি সূক্ষ্ম-পূঙ্খানু পুঙ্খ দায়িমীভাবে অনুসরন-অনুকরন করা। অর্থাৎ খাওয়া-দাওয়া, আচার-আচরণ, উঠা-বসা, চলা-ফেরা, ঘুমসহ সর্বক্ষেত্রে পবিত্র সুন্নত মুবারক অনুযায়ী আমল করা।
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাদের মাঝেই সর্বোত্তম তাক্বওয়া। যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই জিন-ইনসানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ফরয হলো- সর্বাবস্থায় সম্পূর্ণরূপে পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনে মশগুল হয়ে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিক্বামত হওয়া এবং কাফির তথা ইহুদী, মুশরিক, বৌদ্ধ, মজুসী, নাছারা, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ফাসিক-ফুজ্জারদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে পরিপূর্ণরূপে বিরত থাকা।
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ হতে কুরবানী দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্যই দায়িত্ব-কর্তব্য। এতে যেমন কুরবানীদাতার কুরবানী নিশ্চিতরূপে মহান আল্লাহ পাক উনার দরবার শরীফ-এ কবুল ও মঞ্জুর হবে, সাথে সাথে এ জন্য বিশেষ ফযীলত, বারাকাত, ফুয়ুজাত, নিয়ামত, রহ্মত, মাগফিরাত, নাযাত সর্বপোরি মহান আল্লাহ্ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করাও সহজ এবং সম্ভব হবে।
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রাস্তা-ঘাট দূর্গন্ধ হওয়ার মিথ্যা অযুহাতে দূরে গিয়ে কুরবানী করতে বলা, দূরে সরানোর পরিকল্পনা করা বা দূরে গিয়ে কুরবানী করতে বাধ্য করা সবই হারাম ও কুফরী। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার জন্য সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত কর্তৃক নির্দেশিত তারতীবে নিজের বাড়ীর আঙ্গিনায় কুরবানী করা।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যারা পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা থেকে বিরত থাকবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ-নিষেধ মুবারক অনুযায়ী জীবন পরিচালিত করে দুনিয়া হতে বিরাগ হয়ে পরকালের দিকে হাক্বীক্বীভাবে রুজু হওয়া।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দুনিয়া একটি মৃত প্রাণী থেকেও অতি নিকৃষ্ট। যে যত বেশি দুনিয়া ত্যাগ করতে পারবে সে তত বেশি মহান আল্লাহ পাক উনার মুহাব্বত-মারিফত, নিসবত-কুরবত হাছিল করতে পারবে। ইনশাআল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পুলসিরাত পার হওয়ার জন্য কুরবানী দাতাকে কুরবানীর পশু দেয়া হবে এবং কুরবানীর পশু দ্বারা কুরবানীদাতা বিদ্যুৎ গতিতে পুলসিরাত পার হতে পারবে। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার জন্য অত্যন্ত হৃষ্ট-পুষ্ট ও মোটা-তাজা পশু দেখে কুরবানী করা।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা এবং ইখলাছের সাথে প্রতিটি আমল করা ফরয। সুবহানাল্লাহ! কেননা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কবুল হয় না। ইখলাছ হাছিল করতে হলে অবশ্যই একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ইলমে তাছাউফ অর্জন করতে হবে। তাই সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- ইখলাছ অর্জন করা ফরয, ইলমে তাছাউফ অর্জন করা ফরয, বাইয়াত গ্রহণ করা ফরয, ক্বালবী যিকির করা ফরয এবং ছোহবত ইখতিয়ার করা ফরয।
০৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












