পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হিসাব গ্রহণের পূর্বে নিজের হিসাব করো।”
ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্মসমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী।
প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে লিপিবদ্ধ।
, ০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-“হে ঈমানদারগণ! মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করার মতো ভয় করুন এবং মুসলমান না হয়ে ইন্তিকাল করবেন না।” অর্থাৎ ঈমানদার দাবীদার প্রত্যেককে হাক্বীক্বী মুসলমান হতে হবে। আর হাক্বীক্বী মুসলমান হতে হলে সকলকে ইখলাছ হাছিল করতে হবে। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “তাদেরকে (ঈমানদার) শুধু এ নির্দেশ মুবারকই দেয়া হয়েছে যে, তারা যেন খালিছভাবে অর্থাৎ পবিত্র ইখলাছ উনার সাথে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করে।” অর্থাৎ প্রত্যেককে প্রতিটি আমল ইখলাছের সাথে করতে হবে। আর ইখলাছ হাছিল করতে হলে ইলমে তাছাওউফ অর্জন করতে হবে। এজন্য কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত হতে হবে। বাইয়াত হয়ে উনার মুবারক নির্দেশনা অনুযায়ী যিকির-ফিকির, রিয়াজত-মাশাক্কাত ও ছোহবত ইখতিয়ার করে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী যাবতীয় আমল সম্পন্ন করতে হবে। তাহলে ইখলাছ ও কামালিয়াত খুব সহজেই হাছিল হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হয় বা করা আবশ্যক। আর এজন্য প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্ম সমালোচনা অতীব জরুরী। ইলমে তাছাওউফ উনার পরিভাষায় যাকে ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ বলা হয়। ইলমে তাছাওউফ-এ পুরুষ-মহিলা প্রত্যেক সালিকের জন্য মুহাসাবা আবশ্যক আমল। আর সহজভাবে এবং নিয়মিতভাবে মুহাসাবা সম্পন্ন করার জন্যই দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন লিপিবদ্ধ করতে হয়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলত, ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন লিপিবদ্ধ করা অতীব জরুরী একটি বিষয়। যা প্রত্যেক সালিকের জন্য ফরয-ওয়াজিব। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হিসাব গ্রহণের পূর্বে নিজের হিসাব করো।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই আমল উত্তম যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা কম হোক না কেন।” অর্থাৎ বান্দা-উম্মত প্রত্যেককে কম হোক বা বেশি হোক প্রতিটি আমল নিয়মিত করতে হবে। পাশাপাশি মুহাসাবা তথা নিজের আমলের হিসাব নিজেকেই করতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলমে তাছাউফ উনার সালিকদের জন্য কতিপয় বিষয় অতীব জরুরী তথা বাধ্যতামূলক। সেগুলো যথাযথভাবে সম্পাদন করা আবশ্যক। যেমন- (১) সালিককে মুবারক নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিকভাবে, দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক ‘ফালইয়াফরহূ’ তথা মীলাদ শরীফ পাঠ করা এবং আনজুমান মজলিস করা আবশ্যক। (২) তারতীব অনুযায়ী মুবারক ছোহবত ইখতিয়ার করা আবশ্যক। (৩) কিতাবে উল্লেখ করা হয়, যে সালিক নিজস্ব তরীক্বার শাজরা শরীফ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয় সে অকর্মণ্য। তাই নিয়মিত শাজরা শরীফ পাঠ করাও আবশ্যক। (৪) আক্বীদা বিশুদ্ধ করা ঈমানদারদের পূর্ব শর্ত বিধায় আক্বীদা বিশুদ্ধ করতে ছহীহ আক্বীদাহ সমৃদ্ধ কিতাবাদী সংগ্রহ, পাঠ ও প্রচার করা প্রত্যেক সালিকদের জন্য আবশ্যক। (৫) সিলসিলার জন্য শারীরিক ও আর্থিক খিদমত করা প্রত্যেক সালিকের জন্য আবশ্যক, যা রিয়াজত-মাশাক্কাত স্বরূপ। বিধায় প্রত্যেক সালিককে একদিকে শারীরিক খিদমতের আনজাম দিতে হবে। অপর দিকে আর্থিক খিদমতে আনজাম দিতে হবে। এছাড়া আরো কতিপয় জরুরী বিষয় রয়েছে যা সরাসরি মুবারক ছোহবত ইখতিয়ার এবং তালীম-তালকীন গ্রহণের মাধ্যমে জেনে নিতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, প্রত্যেক সালিকের দায়িত্ব হলো সালিকের উপর অর্পিত আবশ্যকীয় কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করে কামালিয়াত হাছিলের কোশেশ করা। যারা কর্তব্য বা দায়িত্বসমূহ যথাযথভাবে পালন করবেনা তারা কামিয়াবী হাছিল করবে কিভাবে? তারা সিলসিলার খিদমত করবে কিভাবে? তারা নিয়ামত হাছিল করবে কিভাবে? সর্বোপরি ইহকাল-পরকালে তাদের নাজাতই বা কিভাবে লাভ হবে? কাজেই, সকলকে তার কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং তার মুহাসাবা করত প্রতিদিন লিখতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- ইলমে তাছাওউফ উনার যাবতীয় কার্যাবলী তারতীব অনুযায়ী নিয়মিত ও পরিমিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং প্রতিটি আমলের জবাবদিহী এবং আত্ম সমালোচনার জন্য ‘মুহাসাবা’ বা ‘নিজস্ব আমলের হিসাব গ্রহণ’ অতীব জরুরী। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ইলমে তাছাওউফ অর্জন করত ইখলাছ ও কামালিয়াত হাছিল তথা খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলে মুহাসাবা তথা দৈনন্দিন আমলের প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে লিপিবদ্ধ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অন্তর থেকে বদ খাছলতসমূহ দূর করে দিয়ে পবিত্র নেক খাছলতসমূহ পয়দা করার মাধ্যমেই হাক্বীক্বী ইছলাহ বা পরিশুদ্ধতা লাভ সম্ভব। মুহলিকাতের (বদ খাছলত) কারণে ক্বলব বিনষ্ট হয়। আর মুনজিয়াতের (নেক খাছলত) কারণে ক্বলব পরিশুদ্ধ হয়। অতএব, মুহলিকাত ও মুনজিয়াত সম্পর্কিত ফরয পরিমাণ পবিত্র ইলম অর্জন করাও প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলাদের জন্য ফরয।
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হায়াত, মাল-সম্পদ এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার হক্ব যারা আদায় করবেনা, তাদেরকে কিয়ামতের দিন অসহায় বকরীর ন্যায় উপস্থিত করা হবে।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা পবিত্র জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করা সকলের জন্যই ফরয। আর মুসলিম-অমুসলিম সব সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সমস্ত পাঠ্যপুস্তকে অর্থাৎ মাদরাসা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সর্বপ্রকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের অফুরন্ত ফযীলত মুবারক। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সূক্ষ্মাতি সূক্ষ্ম-পূঙ্খানু পুঙ্খ দায়িমীভাবে অনুসরন-অনুকরন করা। অর্থাৎ খাওয়া-দাওয়া, আচার-আচরণ, উঠা-বসা, চলা-ফেরা, ঘুমসহ সর্বক্ষেত্রে পবিত্র সুন্নত মুবারক অনুযায়ী আমল করা।
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাদের মাঝেই সর্বোত্তম তাক্বওয়া। যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই জিন-ইনসানরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার অসন্তুষ্টি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ফরয হলো- সর্বাবস্থায় সম্পূর্ণরূপে পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনে মশগুল হয়ে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিক্বামত হওয়া এবং কাফির তথা ইহুদী, মুশরিক, বৌদ্ধ, মজুসী, নাছারা, বেদ্বীন, বদদ্বীন, ফাসিক-ফুজ্জারদের অনুসরণ ও অনুকরণ থেকে পরিপূর্ণরূপে বিরত থাকা।
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ হতে কুরবানী দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্যই দায়িত্ব-কর্তব্য। এতে যেমন কুরবানীদাতার কুরবানী নিশ্চিতরূপে মহান আল্লাহ পাক উনার দরবার শরীফ-এ কবুল ও মঞ্জুর হবে, সাথে সাথে এ জন্য বিশেষ ফযীলত, বারাকাত, ফুয়ুজাত, নিয়ামত, রহ্মত, মাগফিরাত, নাযাত সর্বপোরি মহান আল্লাহ্ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করাও সহজ এবং সম্ভব হবে।
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রাস্তা-ঘাট দূর্গন্ধ হওয়ার মিথ্যা অযুহাতে দূরে গিয়ে কুরবানী করতে বলা, দূরে সরানোর পরিকল্পনা করা বা দূরে গিয়ে কুরবানী করতে বাধ্য করা সবই হারাম ও কুফরী। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার জন্য সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত কর্তৃক নির্দেশিত তারতীবে নিজের বাড়ীর আঙ্গিনায় কুরবানী করা।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যারা পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা থেকে বিরত থাকবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ-নিষেধ মুবারক অনুযায়ী জীবন পরিচালিত করে দুনিয়া হতে বিরাগ হয়ে পরকালের দিকে হাক্বীক্বীভাবে রুজু হওয়া।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দুনিয়া একটি মৃত প্রাণী থেকেও অতি নিকৃষ্ট। যে যত বেশি দুনিয়া ত্যাগ করতে পারবে সে তত বেশি মহান আল্লাহ পাক উনার মুহাব্বত-মারিফত, নিসবত-কুরবত হাছিল করতে পারবে। ইনশাআল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পুলসিরাত পার হওয়ার জন্য কুরবানী দাতাকে কুরবানীর পশু দেয়া হবে এবং কুরবানীর পশু দ্বারা কুরবানীদাতা বিদ্যুৎ গতিতে পুলসিরাত পার হতে পারবে। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার জন্য অত্যন্ত হৃষ্ট-পুষ্ট ও মোটা-তাজা পশু দেখে কুরবানী করা।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা এবং ইখলাছের সাথে প্রতিটি আমল করা ফরয। সুবহানাল্লাহ! কেননা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কবুল হয় না। ইখলাছ হাছিল করতে হলে অবশ্যই একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ইলমে তাছাউফ অর্জন করতে হবে। তাই সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- ইখলাছ অর্জন করা ফরয, ইলমে তাছাউফ অর্জন করা ফরয, বাইয়াত গ্রহণ করা ফরয, ক্বালবী যিকির করা ফরয এবং ছোহবত ইখতিয়ার করা ফরয।
০৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রত্যেকেই পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন এবং অন্যদেরকেও পালন করার ব্যাপারে ব্যাপক উৎসাহ প্রদান করেছেন। সুবহানাল্লাহ! অতএব, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা ও জিন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ যথাযথভাবে পালন করা। যা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি বা সন্তুষ্টি মুবারক, ইহকালে রহমত-বরকত এবং পরকালে নাযাত-নিসবত লাভের কারণ হবে।
০২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












