সম্পাদকীয়-১
ই-বর্জ্য যথাযথ ব্যবহার না করায় দেশ থেকে বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা হাতছাড়া হয়। সোনার বাংলার সবই সোনা গ্রহণ করার সদিচ্ছা আর কবে হবে?
, ১৮রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বাংলাদেশের মোবাইল আমদানিকারক সংস্থার (বিএমপিআইএ) তথ্যমতে, প্রতিবছর দেশে সাড়ে তিন কোটি মোবাইল ফোন বিক্রি হয়, যা দুই থেকে চার বছর পর্যন্ত চলে। এর মানে দাঁড়ায়, প্রতিবছর ৩০ লাখ মোবাইল ই-বর্জ্যে রূপান্তরিত হচ্ছে।
এই খাতের শেয়ারহোল্ডারদের অনুমান, প্রতিমাসে ৫০০ কোটি টাকার ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, যেমন- ফোন, ল্যাপটপ, ফ্রিজ, টেলিভিশন, প্রিন্টার ও এসিসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস নষ্ট হয়। তবে, আনুষ্ঠানিকভাবে এসব অচল বা ত্রুটিপূর্ণ ইলেকট্রিক পণ্যের পরিমাণ জানা যায়নি।
নষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ এসব পণ্য ই-বর্জ্য হিসেবে ধরা হয়। এসব ই-বর্জ্যে কপার, ব্রোঞ্জ, জিংক, স্বর্ণ, প্লাটিনাম, পালাডিয়াম ও পুনরায় ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক থাকে। বর্জ্য থেকে এসব মূল্যবান উপাদান দেশেই বের করা গেলে আমদানি নির্ভরতা কমবে।
ই-বর্জ্যে রূপান্তরিত হওয়া এসব ইলেকট্রনিক যন্ত্রে যেমন মূল্যবান উপাদান রয়েছে, তেমনি সিসা, পারদ, ক্যাডমিয়াম ও ব্রোমিনযুক্ত ফ্লেম রিটার্ড্যান্টের মতো বিষাক্ত পদার্থও থাকে। এসব পদার্থ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা না করা হলে দূষিত হয় মাটি, পানিশয় ও ফসল।
গত অক্টোবরে ই-বর্জ্য শিল্পে যুক্ত থাকাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সরকারের নীতিনির্ধারকরা। ওই সময় বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশে প্রতিবছর ৩৬৭ মিলিয়ন কেজি ই-বর্জ্য উৎপাদিত হয়, যা প্রতিবছর ৩০ শতাংশ হারে বাড়ছে। ই-বর্জ্যের এক-তৃতীয়াংশ আসছে স্মার্ট ডিভাইস থেকে।
অক্টোবরে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে প্রতিবছর এক দশমিক ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ইলেকট্রিক পণ্য বিক্রি হয়। যা থেকে প্রতিবছর দুই দশমিক ৮১ মিলিয়ন টন ই-বর্জ্য উৎপাদিত হয়।
(টিআইবি)-এর সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে ই-বর্জ্যের ভয়াবহ চিত্র। সংস্থাটির তথ্যমতে, বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ ই-বর্জ্য অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রক্রিয়াজাত হয়। মাত্র তিন শতাংশ আনুষ্ঠানিক রিসাইক্লিং কেন্দ্রে যায়।
গবেষণায় বলা হয়, ২০২১ সালে বিপজ্জনক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা প্রণয়ন সত্ত্বেও তা কাগজে-কলমেই রয়ে গেছে। অনানুষ্ঠানিক ব্যবসায়ীরা ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে ইলেকট্রনিক যন্ত্র ভাঙেন। এতে শ্রমিকেরা বিশেষ করে নারীরা বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে পড়ছে।
সংস্থাটি বলছে, ৮৮ শতাংশ ভোক্তা সঠিকভাবে ই-বর্জ্য ফেলার পদ্ধতি জানে না। আর ৭২ শতাংশ মানুষ নষ্ট ডিভাইস ঘরে রেখে দেয়।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, সবশেষ তিন বছরের প্রতিটিতে সাত লাখ মার্কিন ডলারের আনুমানিক ১৫ হাজার টন করে ই-বর্জ্য রফতানি করা হয়েছে। এর মধ্যে চার হাজার ৪০ টন রফতানি করা হয়েছে পিআইসি সিস্টেমের আইন লঙ্ঘন করে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও অনেক ব্যবসায়ী প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড ও আইসি রফতানি করে যাচ্ছে।
‘‘অনানুষ্ঠানিক রিসাইক্লিং পদ্ধতি মাটি, পানি ও বাতাসকে মারাত্মকভাবে দূষণ করছে। এর ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়ছে।’’
ই-বর্জ্যের পুনরাবর্তন নিয়ে কাজ করা সংস্থা ডব্লিউইইই সোসাইটির মতে, দেশের প্রতি ব্যক্তি বছরে দুই দশমিক দুই কেজি ই-বর্জ্য উৎপাদন করে। যদি সঠিকভাবে এসব বর্জ্য পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করা যায় তাহলে বাঁচবে ১০০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা)।
‘‘মূল্যবান উপাদান রফতানির মাধ্যমে লাভবান হচ্ছে বিদেশি কোম্পানিগুলো। আর বাংলাদেশ পাচ্ছে ক্ষুদ্রতম অংশ।’’
ফোন ভেঙে প্লাস্টিক, ধাতু ও আইসিতে ভাগ করা হয়। প্লাস্টিক শিল্পকারখানার চিপস হিসেবে বিক্রি হয়। আর ধাতু থেকে তামা, ব্রোঞ্জ, দস্তা, রুপা এবং উন্নত মানের বোর্ডে সোনা, প্লাটিনাম, প্যালাডিয়াম ও রোডিয়াম পাওয়া যায়।
ই-বর্জ্যে দামি ধাতু থাকায় একে ‘আরবান মাইন’ বলা হয়। পরিবেশসম্মত কার্যকর উপায়ে এসব ধাতু সংগ্রহ করা গেলে ই-বর্জ্য পরিণত হবে একটি মূল্যবান সম্পদে। চাইলে সরকারি ও বেসকারি উদ্যোগে সমন্বয় করে সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে রিসাইকেলিং প্লান্ট তৈরির মাধ্যমে ই-বর্জ্য থেকে অর্থনৈতিক লাভ অর্জন করা সম্ভব, যেমন চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া করতে সক্ষম হয়েছে।
সত্যিকার অর্থে তাই যে রিসাইক্লিংই অর্থাৎ ই বর্জ্য পুনর্ব্যবহারই এর উৎকৃষ্ট সমাধান। এই ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসতে পারে। ই-বর্জ্য থেকেও মূল্যবান সামগ্রী পুনরুদ্ধার করা যায়। এসব বিদেশে রপ্তানি করা যায়। এছাড়া মেমোরি কার্ড ও মাদারবোর্ডের মতো ই-বর্জ্য থেকে সোনা, রুপা, তামা, টিন পুনরুদ্ধার করা যায়। এসব এখন গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। এ ব্যাপারেও মনোযোগ দেওয়া যেতে পারে। ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসতে পারে। যারা রিসাইক্লিংয়ের পাশাপাশি হয়ে উঠতে পারে সফল উদ্যোক্তা। সরকারের এসব প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধিত করার পাশাপাশি প্রণোদনাও দিতে পারে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
চলমান সংসদে “সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হবে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলীর মূল ভিত্তি- এই অনুচ্ছেদ পূর্ণবহালের প্রতিশ্রুতির সাথে চতুর্থ শ্রেণী থেকে হারাম খেলাধূলায় বাধ্য করার ঘোষণা চরম সাংঘর্ষিক।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পৃথিবী চাইলেই বাংলাদেশ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চাইতে পারেনা। তাহলে সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি প্রমাণ হয়না। শিক্ষামন্ত্রী তথা সরকারকে অবিলম্বে অনলাইন শিক্ষা থেকে সরে আসতে হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












