পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের ইছলাহর জন্য এমন একজন ব্যক্তিত্বকে প্রেরণ করবেন, যিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করবেন।” সুবহানাল্লাহ!
আজ মহাসম্মানিত ও বরকতময় ৬ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে ইবরত-নছীহত মুবারক হাছিল করে তা আমলে বাস্তবায়ন করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিল উনার সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
, ০১ আগস্ট, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা উনার নাম মুবারক সাইয়্যিদ মুহম্মদ ইরফান রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং দাদা উনার নাম মুবারক সাইয়্যিদ মুহম্মদ নূর রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার চতুর্থ পূর্ব পুরুষ সাইয়্যিদ মুহম্মদ ইলমুল্লাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান খলীফা হযরত শায়খ আদম বিননূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি-উনার আকাবিরে খলিফাদের মধ্যে গণ্য।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাজকেরা নামক কিতাবে বর্ণিত আছে, তেরো শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মায়ের রেহেম শরীফে থাকাকালীন সময় একদিন উনার সম্মানিতা মাতা ছাহেবানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি স্বপ্ন দেখেন, উনার রক্ত দ্বারা এক খন্ড কাগজে কিছু লিখা হলো এবং পরক্ষণেই উক্ত কাগজখন্ড সারা পৃথিবীতে উড়তে লাগলো।” তিনি জাগ্রত হয়ে এ স্বপে¦র ব্যাখ্যা উনার জামাতা সাইয়্যিদ আব্দুস সুবহান রহমতুল্লাহি আলাইহি-উনার নিকট জিজ্ঞাসা করেন, তিনি বলেন- আপনার গর্ভস্থ সন্তান তিনি ভূমিষ্ট হয়ে কালক্রমে সারা পৃথিবীতে প্রসিদ্ধি লাভ করবেন এবং উচ্চ মর্যাদার অধিকারী হবেন। মূলতঃ এ ধরণের বহু ঘটনা হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের জীবনীতে উল্লেখ আছে যে উনারা মায়ের রেহেম শরীফ থেকেই বিলায়েতের সুধা পান করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যে বয়সে বালকগণ খেলাধুলা, আমোদ-আহলাদে মত্ত থাকে তিনি সে বয়স থেকে নির্জনতা অবলম্বন এবং কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার চিন্তা-ভাবনা করতেন। উনার শৈশব কাল সম্পর্কে “সাওয়ানেহ আহমদী” কিতাবে তিনি নিজেই বলেন, বাল্যকাল হতেই আমার মনে এই ধারণা বা ভাব উদয় হতো যে, একদিন আমি কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবো। তাই শৈশবেই দেখা যায় তিনি উনার সঙ্গী-সাথীদের দুই দলে বিভক্ত করে দু’টি পরস্পর সৈন্যবাহিনী দাঁড় করিয়ে দিতেন। একটি দলের আমির হয়ে তিনি উনার নাম দিতেন “মুজাহিদে ইসলাম” অন্য দলটির নাম দেওয়া হতো “কাফির বাহিনী।” এইভাবে দু’টি দলের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যেত। যুদ্ধে যখন “মুজাহিদে ইসলাম” বাহিনী জয় লাভ করতো তখন তিনি ও উনার সঙ্গীগণ খুব জোরে শোরে তাকবীর ধ্বনি দিতেন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “মাখজানে আহমদী ১৮ পৃষ্ঠায়, সাওয়ানেহ আহমদী, সীরাতে সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ” করাচী ছাপা ৯০ পৃষ্ঠায় লিখা আছে, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি রায় বেরেলী থেকে দিল্লী এলেন সিরাজুল হিন্দ, ইমামুল মুহাদ্দিসীন হযরত শাহ আব্দুল আজীজ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি-উনার সাক্ষাত ও ছোহবত লাভের জন্য। প্রথমেই তিনি উনাকে সুন্নাত ত্বরীকা মুতাবিক সালাম পেশ করলেন এবং উনার সাথে মুছাফাহা করলেন। হযরত শাহ ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সালাম দেয়ার সুন্নাত তরীকা ও আদব কায়দা দেখে জিজ্ঞেস করলেন, কি কারণে এলেন? জবাবে তিনি বললেন মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মারিফত হাসিলের জন্য। শাহ ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি এরপর জিজ্ঞেস করলেন, কোন বংশের? তিনি বললেন, সাইয়্যিদ বংশের। তখন হযরত শাহ আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি খুশী হয়ে বললেন, এটা তো আপনারই বংশগত মিরাসী হক। মহান আল্লাহ্ পাক উনার ফযল-করমে আপনিও তা অর্জন করতে পারবেন। এরপর তিনি উনাকে চার তরীকায় বাইয়াত করালেন এবং হযরত শাহ্ ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নেক ছোহবতের কারণে তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যে সুলুকের রাস্তা অতিক্রম করে মনজিলে মাকসুদে পৌঁছে গেলেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “তাওয়ারিখে আজিবা” ১০/১১ পৃষ্ঠায়, “কারামতে আহমদী” ২৩ পৃষ্ঠা হতে জানা যায়, আফজালুল আওলিয়া, তেরো শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কামালতে নুবুওওয়াত তবকার ওলী ছিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে স্বপ্নে সাক্ষাত দিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনটি খোরমা নিজের হাতে নিয়ে উনার মুখে দিচ্ছেন। জাগ্রত হওয়ার পর উক্ত স্বপ্ন তিনি নিজের মধ্যে স্থায়ী পেলেন। এরপর একদা আরো তিনি স্বপে¦ দেখেন- ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর র’বিয়া (যাহরা) আলাইহাস সালাম স্বপ্নে উনাকে গোসল করিয়ে নিজের সন্তানের মত মূল্যবান নতুন কাপড় পরিধান করালেন। এই স্বপ্নের ঘটনার পর হতে কামালতে নুবুওওয়াতের নিসবত উনার মধ্যে সম্পূর্ণভাবে বিকশিত হতে লাগলো। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে, প্রত্যেক হিজরী শতাব্দীর শুরু অথবা শেষভাগে এরূপ লোক পয়দা হবে যিনি তাদের জন্য তাদের দ্বীনকে সংস্কার করবেন। এই পবিত্র হাদীছ শরীফের ব্যাখ্যায় ফকিহুল উম্মত আল্লামা রুহুল আমীন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একখানা “বিজ্ঞাপন রদ” নামক কিতাবের ৫-৬ পৃষ্ঠায় বলেছেন, একাদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ইমামে রব্বানী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, দ্বাদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ হযরত শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ্ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং ত্রয়োদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ আমিরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অবশেষে খলীফাতুল্লাহ্, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বালাকোটের জিহাদে প্রাণপণে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বহু শিখ সৈন্যদের জাহান্নামে পাঠিয়ে নিজেও শাহাদতের শারাবান তাহুরা পান করলেন। এ যুদ্ধে শত শত মুজাহিদ বাহিনী শহীদ হয়েছেন। এটা ছিল ১২৪৬ হিজরীর ২৪শে জিলক্বদ শরীফ, ইয়াওমুল জুমুয়া বা জুমুয়াবারে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র মুর্হরমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১, ২, ৫, ৭, ৮, ১০, ১২, ১৪, ১৬, ২২, ২৫, ২৬ ও ২৯ তারিখ পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই সম্মানিত দিবসসমূহে যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করা ও করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল বাশার, ছাহিবুল জান্নাহ, মালিকুল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, এ মুবারক দিবস উপলক্ষে পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক ব্যাপকভাবে আলোচনা করত উনার মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা।
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র ১লা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিন। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে বিশেষ মাহফিল করে উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক থেকে ইবরত-নছীহত গ্রহণ করে আমলে বাস্তবায়ন করা।
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৯শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, এ সম্মানিত দিবস উপলক্ষে পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিল করে উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করে ইবরত-নছীহত গ্রহণ করে তা আমলে বাস্তবায়ন করা।
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৮শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ সম্পন্ন হওয়ার দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহান দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস- সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৭শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! তাই মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস যথাযথভাবে পালন করে ইবরত-নছীহত হাছিল করা।
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৬শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ সম্পন্ন হওয়ার দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ মহান দিবস উপলক্ষ্যে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে বিশেষ মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ মজলিস করা।
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ইমামুল আউওয়াল, খলীফায়ে রবি’, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ! সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে এ বরকতপূর্ণ দিনে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করে উনার যথাযথ ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করে ও শুনে ইবরত নছীহত হাছিল করা।
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশে ১৪৪৮ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে যিলহজ্জ শরীফ ১৪৪৭ হিজরী, ১৭ই আউওয়াল ১৩৯৪ শামসী, ১৬ই জুন ২০২৬ খৃঃ. ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। এ মহাসম্মানিত মাসে মহাপবিত্র আশুরা শরীফসহ অসংখ্য মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ রয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেদিন যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন, সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন উনার মুবারক নামকরণ করা হয়েছে- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ৭৬ দিন বাকি।
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হচ্ছে বিজাতীয় ও বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা; যা তাদের দ্বারাই প্রবর্তিত। তাই কোনো মুসলমান খেলাধুলা করতে পারে না। খেলা দেখতে পারে না। খেলার সমর্থনে কোনো আলোচনা করতে পারে না। আর পবিত্র ঈমান উনার আলোকে বরদাশতও করতে পারে না। তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে কি করে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হারাম খেলাধুলা জারি থাকতে পারে?
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহান শান মুবারক সম্পর্কে কটূক্তির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীর অপচেষ্টাকারীদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে সার্বিকভাবে বর্জন করা, আন্তর্জাতিকভাবে তাদের উপর শক্ত চাপ প্রয়োগ করা।
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












