অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি বেকারত্ব বিনিয়োগ ও খেলাপি ঋণে ভয়াবহ বিপর্যয় মূল্যস্ফীতির সঙ্গে মধ্যবিত্ত তথা নিম্নমধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই যেনো অতি শীঘ্রই সরকারের বিরুদ্ধে গণ লড়াইতে পরিণত না হয় সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফেরেনি। মূল্যস্ফীতি, মজুরি স্থবিরতা, কর্মসংস্থান সংকট ও ব্যাংকিং খাতের ভয়াবহ অবস্থায় দেশের অর্থনীতি এখনো গভীর সংকটেই রয়ে গেছে।
আয়ের তুলনায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এতটাই বেড়েছে যে, জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দেওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।
চাল, ভোজ্য তেল, শাকসবজি, পরিবহন ব্যয়, বাড়ি ভাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার খরচ পারিবারিক আয়ের বড় অংশ গ্রাস করছে। বিশেষ করে মজুরিভিত্তিক শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারায় জীবন আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
সরকারি হিসাবে ২০২৫ সালের নভেম্বরে গড় মূল্যস্ফীতি নেমে এসেছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে, যা ২০২৪ সালের নভেম্বরের ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ থেকে কম। তবে একই সময়ে মজুরি প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে ৮ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। ফলে কাগজে-কলমে মূল্যস্ফীতি কমলেও সাধারণ মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা বাড়েনি; বরং অনেক ক্ষেত্রে আরও কমেছে।
কর্মসংস্থানের চিত্র ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। আনুষ্ঠানিক খাতে চাকরি সৃষ্টি ধীরগতির, আর অনানুষ্ঠানিক ও স্বল্পমেয়াদি কাজ বাড়ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান স্থায়ী নিয়োগ এড়িয়ে চলায় আংশিক বেকারত্ব বেড়েছে।
বিশেষ করে ১৫-২৯ বছর বয়সি তরুণদের মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণের বাইরে রয়েছে। শ্রমবাজারে প্রবেশ করা তরুণদের জন্য স্থিতিশীল ও মর্যাদাপূর্ণ চাকরি পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে, যা সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
অর্থনীতির আরেকটি বড় দুর্বলতা বিনিয়োগ খাতে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ নেমে এসেছে রেকর্ড সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ২৩ শতাংশে। উচ্চ ব্যবসায়িক ব্যয়, ডলারসংকট ও নীতিগত অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নতুন উদ্যোগের বদলে টিকে থাকার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে। সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) জিডিপির ১ শতাংশেরও নিচে সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা অর্থনীতির বৈচিত্র্য ও মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে সরকার কারও সঙ্গে আলোচনায়ও বসছে না। ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া এখন অনেকটাই দুর্লভ বিষয়। এত উচ্চ সুদ আর ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে নতুন ব্যবসা করাও অনেক কঠিন। নতুন ব্যবসা না হওয়ায় মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমবে- এটাই স্বাভাবিক। অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি এখন ব্যাংকিং খাত। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৪৪ লাখ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। সরকার পরিবর্তনের আগে গত জুনে খেলাপি ঋণ ছিল ২ দশমিক ১১ লাখ কোটি টাকা (১২ দশমিক ৫ শতাংশ)। হাতে গোনা ব্যবসায়ীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পুনঃতফসিল সুবিধা দেওয়ার ফলে খেলাপি ঋণ কমেনি। বরং ব্যাংকগুলো এই নীতির বাস্তবায়নে অনাগ্রহী এবং দায় এড়িয়ে চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ব্যাংকের আমানত ঝুঁকিতে পড়ছে এবং আস্থার সংকট গভীর হচ্ছে। ব্যাংক হিসাব তলবের কারণে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ স্থগিত করেছেন। নতুন ব্যবসা ও সম্প্রসারণে অনীহার ফলে এলসি খোলা, কাঁচামাল আমদানি ও বেতন পরিশোধে জটিলতা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাজেট ঘাটতি বেড়ে গেছে। আর্থিক স্থিতিশীলতায় ঝুঁকি রাজস্ব ক্ষতি বেসরকারি ঋণপ্রবাহ কমে গেছে।
দেশের প্রায় ২০ শতাংশ জনগোষ্ঠী মধ্যবিত্ত, যা প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষ। মধ্যবিত্ত শ্রেণি দেশের ভোগ চাহিদা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। কিন্তু এখন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ক্রয় ক্ষমতা তাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। চাল, ডাল, তেল, সবজি, ডিম থেকে শুরু করে বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ, গ্যাস, যাতায়াত, চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যয়Ñ সবকিছুই তাদের সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলো, সরকার নির্ধারিত দামের সাথে খুচরা বাজারের দামের কোনো মিল নেই। বিক্রেতারা সিন্ডিকেট তৈরি করে নিজেরা দাম নির্ধারণ করে পণ্য বিক্রি করছে। এর ফলে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষজন বিভিন্নভাবে চাপের মুখে পড়ছে। মাঝেমধ্যে ভোক্তা অধিকার থেকে অভিযানে নামলেও এর স্থায়ী কোনো সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। মূল্যস্ফীতি যদি নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তাহলে মধ্যবিত্ত শ্রেণি হতাশ হয়ে পড়বে এবং অতি শীঘ্রই এটি উচ্চকণ্ঠ ক্ষোভে রূপ নেবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
চলমান সংসদে “সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হবে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলীর মূল ভিত্তি- এই অনুচ্ছেদ পূর্ণবহালের প্রতিশ্রুতির সাথে চতুর্থ শ্রেণী থেকে হারাম খেলাধূলায় বাধ্য করার ঘোষণা চরম সাংঘর্ষিক।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পৃথিবী চাইলেই বাংলাদেশ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চাইতে পারেনা। তাহলে সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি প্রমাণ হয়না। শিক্ষামন্ত্রী তথা সরকারকে অবিলম্বে অনলাইন শিক্ষা থেকে সরে আসতে হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












