পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَة النَّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মু বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিতা মাতার নাম হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। তিনি একজন বিখ্যাত ছাহাবীয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনাদের অর্ন্তভুক্ত। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলতেন, আমার উপর আমার মাতা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার সবচাইতে বড় অনুগ্রহ হলো, তিনি আমাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে পাঠিয়ে আমাকে মানুষ হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি ছিলেন পব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِّنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা- বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا جَابِرُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنَّ اللهَ تَعَالـٰى قَدْ خَلَقَ قَبْلَ الْاَشْيَاءِ نُوْرَ نَبِيِّكَ مِنْ نُّوْرِهٖ فَجَعَلَ ذٰلِكَ النُّوْرُ يَدُوْرُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللهُ تَعَالـٰى
অর্র্থ: হে হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর পূর্বে সর্বপ্রথম আপনার যিনি মহাসম্মানিত নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক উনাকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার ব্যবস্থা কর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ اجْتُثَّتْ مِن فَوْقِ الْأَرْضِ مَا لَهَا مِن قَرَارٍ
অর্থ: “মন্দ কথা মন্দ গাছের মত যা মাটির উপর থেকে তুলে ফেলা হয়, তার কোন স্থায়িত্ব থাকেনা।”
এই আয়াত শরীফ উনার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক তিনি মন্দ কথার মেছাল দিয়েছেন, মন্দ গাছের যেরূপ কোন স্থায়িত্ব নেই তদ্রুপ মন্দ কথার দ্বারা মানুষের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে এবং পরকালে নাজাতও পাবে না।
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
وَيُضِلُّ اللَّـهُ الظَّالِمِينَ ۚ وَيَفْعَلُ اللَّـهُ مَا يَشَاءُ
অর্থ: “যার বাকি অংশ পড়ুন...
মিথ্যাবাদীর সাথে বন্ধুত্ব করবে না। মিথ্যাবাদীর ছোহবতে যাবে না। কেননা, মিথ্যাবাদী হচ্ছে মরীচিকার মতো। সে দূরবর্তীকে নিকটবর্তী আর নিকটবর্তীকে দূরবর্তী করবে। অর্থাৎ ধোঁকা দিবে। মরীচিকা বলা হয়- মরুভূমিতে রোদ্রের তাপে দূর থেকে পানির মতো দেখা যায়। পিপাসার্ত ব্যক্তি সেই পানি দেখে পানের জন্য সেদিকে অতি দ্রুতগতিতে ধাবমান হয়। যতই যায় দৃশ্যত সেই পানিও তত দূরে যায়।
এভাবে ক্বিয়ামত পর্যন্ত যদি সেই পিপাসার্ত পথিক ধাবিত হতে থাকে কখনোই তা লাভ করতে পারবে না। মিথ্যাবাদী এরূপ মরীচিকার মতো ছলনাকারী। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَـجْعَلُوْا دُعَآءَ الرَّسُوْلِ بَيْنَكُمْ كَدُعَآءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا
অর্থ: তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাকো, সেভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করো না। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নূর: আয়াত শরীফ ৬৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُ تَعَالىٰ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِىْ وَرَجَوْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ عَلٰى مَا كَانَ فِيْكَ وَلَا اُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ لَوْ بَلَغَ ذُنُوْبُكَ عَنَامَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ وَلَااُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ لَوْ لَقِيْتَنِىْ بِقُرَابِ الْاَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيْتَنِىْ لَا تُشْرِكْ بِىْ شَيْئًا لَاَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً.
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ অপরের মুখে নিজের প্রশংসা শুনতে খুবই ভালবাসে এবং সদা সর্বদা নিজের সুনাম ও সুখ্যাতি ছাড়া অন্য কিছুই শুনতে ইচ্ছা করে না। শরীয়তসম্মত আমল করেও প্রশংসার আকাঙ্খা করে আবার শরীয়ত বিরোধী কাজ করেও প্রশংসার আকাঙ্খা করে। নাঊযুবিল্লাহ! এরূপ প্রশংসাপ্রীতি অন্তরের একটি জঘণ্য ব্যাধি।
উল্লেখ্য, ৪টি কারণে মানুষ অপরের মুখে নিজ প্রশংসা শুনে আনন্দ লাভ করে। প্রথমতঃ প্রশংসা ও সুখ্যাতিই গুণের পূর্ণতার প্রমাণ বা পরিচায়ক। মানুষ সর্বদা নিজ গুণের পূর্ণতায় সন্দেহের মধ্যে থাকে এবং নিজের মধ্যে গুণের পূর্ণতার কল্পনা করে গুণের পূর্ণ আনন্দ ভোগ কর বাকি অংশ পড়ুন...












