এই সম্পর্কে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَدِّبُوْا اَوْلَادَكُمْ عَلـٰى ثَلَاثِ خِصَالٍ حُبِّ نَـبِـيِّكُمْ وَحُبِّ اَهْلِ بَيْتِهٖ وَقِرَاءَةِ الْقُرْاٰنِ
অর্থ: ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা তোমাদের আওলাদ অর্থাৎ সন্তান-সন্ততি, নাতী-নাতনী, ছেলে-মেয়ে, অধীনস্থদেরকে তিনটি বিষয় বাকি অংশ পড়ুন...
يَاۤ اَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَآءَتْكُمْ مَّوْعِظَةٌ مِّنْ رَّبِّكُمْ وَشِفَآءٌ لِّمَا فِىْ الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْـمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَـلْيَـفْرَحُوْا هُوَ خَيْـرٌ مِّـمَّا يَـجْمَعُوْنَ
তরজমা: উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে পাঠানোর উদ্দেশ্য এবং যমীনবাসীর কর্তব্য সম্পর্কে বিশেষভাবে বর্ণনা করেছেন। আর উক্ত পুরো বিষয়টি যামনার সুমহান মুজাদ্দিদ ও ইমাম, আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
يَوْمَ مَوْلِدِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَبَحَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَبُوْ بَكِرِ الصِّدِّيْقُ عَلَيْهِ السَّلَامُ مِائَةَ نَاقَةٍ وَّتَصَدَّقَ بِـهَا
অর্থ: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার দিন খলীফাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি একশত উট যবেহ করেছেন এবং তা ছদক্বা মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! (নে’মাতে কুবরা আরবী-উর্দূ ৫৪ পৃ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَلِىٍّ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَه عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَقُوْمُوْا لَيْلَهَا وَصُوْمُوْا يَوْمَهَا فَاِنَّ اللهَ يَنْزِلُ فِيْهَا لِغُرُوْبِ الشَّمْسِ اِلَـى السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَيَقُوْلُ اَلَا مِنْ مُسْتَغْفِرٍ فَأَغْفِرَلَه اَلاَ مُسْتَرْزِقٌ فَاَرْزُقَه أَلاَ مُبْتَلًى فَاُعَافِيَه أَلاَ كَذَا أَلاَ كَذَا حَتّٰى يَطْلُعَ الْفَجْرُ
অর্থ: হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَّلَا مُؤْمِنَةٍ اِذَا قَضَى اللهُ وَرَسُوْلُه اَمْرًا اَنْ يَّكُوْنَ لَـهُمُ الْـخِيَرَةُ مِنْ اَمْرِهِمْ وَمَنْ يَّعْصِ اللهَ وَرَسُوْلَه فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُّبِيْنًا
অর্থ: কোন মু’মিন নর-নারীর জন্য জায়িয হবেনা, মহান আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে ফায়ছালা করেছেন, সে ফায়ছালার মধ্যে চু-চেরা, ক্বীল ও ক্বাল করা অর্থাৎ নিজস্ব মত পোষণ করা। আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, الساكت عن الحق فهو شيطان أخرس অর্থ: “যে বা যারা সত্য বলা থেকে বিরত থাকে, তারা বোবা শয়তান। ” না‘ঊযুবিল্লাহ! (কাশফুল আসরার শারহু উছূলিল বায্দাওই ৩/১৪, ফুছূলিল বাদাই’ ফী উছূলিল শারাই’ ২/১৪২ ইত্যাদি) বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বের সকল মুসলমানাদের জন্য খুবই তাৎপর্যম-িত এবং ফযীলতপূর্ণ দিন। যে ব্যক্তি পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিনে অর্থাৎ পবিত্র ২৭ তারিখে রোযা রাখবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে পাঁচ বছর রোযা রাখার ফযীলত দান করবেন। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র রজবুল হারাম মাস নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় যে ব্যক্তি এ মাসের কোনো এক রাতে ইবাদত করবেন তিনি এক বৎসর রাতে ইবাদত করার ছওয়াব পাবেন। সুবহানাল্লাহ!
তাই পবিত্র মি’রাজ উনার রাতে ইবাদত-বন্দেগী, তওবা বাকি অংশ পড়ুন...
বিভিন্ন রাবী ও ঐতিহাসিকগণের বর্ণনায় হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার সন ও তারিখ নিয়ে বিভিন্ন মত পরিলক্ষিত হয়। তবে মশহূর ও বিশুদ্ধ মত, যা পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত, তাহলো- পবিত্র মাহে রজবুল হারাম উনার ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) রাতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী ৫১তম বয়স মুবারকে অর্থাৎ আন বাকি অংশ পড়ুন...












