মেয়েদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস না থাকায় ঢাকা শহরের বাসগুলোতে বাধ্য হয়েই নারী পুরুষ একই বাসে চড়ে থাকে। উচিত ছিল নারীদের জন্য আলাদা বাসের ব্যবস্থা করা যাতে করে তাদেরকে কোনো রকম হেনস্থার শিকার না হতে হয় এবং মেয়েদের শরয়ী পর্দা পালনে কোনো বাধার সৃষ্টি না হয়।
বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট লেখা হয়েছিল যে, “যেহেতু এখনও পর্যন্ত মেয়েদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস শুরু হয়নি সেহেতু এমন একটা নিয়ম করা উচিত যে- যখনই কোনো মহিলা, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ কেউ বাসে উঠবে তখনই ছেলেরা উঠে তাদের বসতে দিবে।”
এই পোস্টে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَة النَّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মু বাকি অংশ পড়ুন...
আমি যদি বলি, প্রকৃত দ্বীনি জ্ঞান নেয়ার জন্য আমি একজন শায়েখ বা মুর্শিদ বা পীর সাহেবের কাছে মুরিদ (ছাত্র) হয়েছি, আমি সেই পীর সাহেবের দরবার শরীফে যাই, উনার সোহবত (সাহচার্য) ইখতিয়ার করি, আদেশ নির্দেশ অনুসারে চলার চেষ্টা করি, উনার খিদমত করার কোশেষ করি, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং আখেরী নবী হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মারিফত, মুহব্বত অর্জনের কোশেষ করি। তাহলে এ কথা শুনে হয়ত কেউ কেউ বলতে পারেন, পীর সাহেবের কাছে বাইয়াত হওয়ার কি দরকার? উনার দরবার শরীফে যাওয়ার কি দরকার? পবিত্র কুরআন হাদীসেই তো সব জ্ঞান আছে। আর মাদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَـجْعَلُوْا دُعَآءَ الرَّسُوْلِ بَيْنَكُمْ كَدُعَآءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا
অর্থ: তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাকো, সেভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করো না। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নূর : আয়াত শরীফ ৬৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফ সমূহের ভিত্তিতে যতজন পুরুষ কর্তৃক মহিলাদেরকে এবং মহিলা কর্তৃক পুরুষকে দেখা করা বা দেখা দেয়া জায়িয তার একটি তালিকা দেয়া হলো-
ক. একজন পুরুষ কর্তৃক যতজন মহিলাকে দেখা জায়িয।
(১) মা (আপন ও সৎ উভয়েরই দেখা করা জায়িয)।
(২) দাদী, পরদাদী (এভাবে যত উর্ধ্বে যাক)।
(৩) নানী, পরনানী (এভাবে যত উর্ধ্বে যাক)
(৪) মেয়ে (বৈপিত্রেয়া, বৈমাত্রিয়া মেয়ে ও দুধ মেয়েও শামিল)
(৫) পুতনী (এখানে দুধ ছেলে ও বৈমাত্রেয়া ও বৈপিত্রেয় ছেলের মেয়েও শামিল)
(৬) নাতনী (এখানে দুধ মেয়ে ও বৈপিত্রেয়া মেয়ের মেয়েও শামিল)
(৭) বোন (তিন প্রকারঃ আপন, বৈমাত্রিয়া বোন ও বৈপিত্রিয় বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُ تَعَالىٰ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِىْ وَرَجَوْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ عَلٰى مَا كَانَ فِيْكَ وَلَا اُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ لَوْ بَلَغَ ذُنُوْبُكَ عَنَامَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ وَلَااُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ لَوْ لَقِيْتَنِىْ بِقُرَابِ الْاَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيْتَنِىْ لَا تُشْرِكْ بِىْ شَيْئًا لَاَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً.
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
অধিক কথা বলার মধ্যে কোন বুযুর্গী ও সম্মান নেই। বরং প্রয়োজনীয় অল্প কথা বলার মধ্যে সম্মান নীহিত। যবান দ্বারা যা কিছুই বলা হয় তা এমনিতেই হওয়ায় উড়ে যায় না। তা আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হয়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ اِلَّا لَدَيْهِ رَقِيْبٌ عَتِيْدٌ
অর্থ : মানুষ যবান দ্বারা যা কিছুই বলে তা লিপিবদ্ধ রাখার জন্য তার কাছে প্রহরী নিযুক্ত রয়েছে। (পবিত্র সূরা ক্বাফ : আয়াত শরীফ ১৮)
অর্থাৎ যবান দ্বারা ভাল-মন্দ যা কিছুই বলা হোক অবশ্যই তার হিসাব নিকাশ হবে এবং তার সাথে ক্ষতি ও উপকারের বিষয়টিও জড়িত রয়েছে। দুনিয়া ও আখির বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি তরুণ সমাজের মধ্যে পশ্চিমা কালচারের দিবসা পালন ব্যাপকভাবে দেখা গিয়েছে। বিষয়টিকে যদি শুধু বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন হিসেবে দেখা হয়, তবে আমার মনে হয় ভুল হবে। এটা অনেকটা নিজ সংস্কৃতির সংকটও বটে। কারণ একটা গ্লাস কখন খালি থাকে না। হয় পানি থাকবে, নয়ত বাতাস থাকবে।
মুসলিম তরুণরা বিজাতীয় সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকে যাওয়ার জন্য শুধু অপরকে দায়ী করলে চলবে না,
বরং ইসলামী সংস্কৃতির সংকট এখানে অনেকাংশে দায়ী। আমরা শুধু বলে গেছি, ইসলামে সব আছে, ইসলামে সব আছে। ইসলাম ইজ দ্য কমপ্লিট কোড অব লাইফ। কিন্তু সেই ‘সব’টা কি তা দেখায় দিতে পারে নাই। এই ব বাকি অংশ পড়ুন...












