বিবাহের দ্বারা রিযিক বৃদ্ধি পায়
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দী মুবারক হাছিল অর্থাৎ নিজের চরিত্রকে পূত-পবিত্র রাখার নিমিত্তে যারা বিবাহ করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন-
جَاءَ رَجُلٌ اِلَـى النَّبِـيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَشْكُوْ اِلَيْهِ الْفَاقَةَ فَأَمَرَه اَنْ يَّتَزَوَّجَ
অর্থ: একদা এক ব্যক্তি মহাসম্মানিত হাবীব ও বাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন ‘আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ‘মুমিন নারীদেরকে বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ করবে না। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বক্ষদেশকে আবৃত করে রাখে। (পবিত্র সূরা আন-নূর শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)
অন্য মহাপবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “তোমরা (মহিলারা) নিজ গৃহে অবস্থান কর, আইয়্যামে জাহেলিয়াতের ন্যায় সৌন্দর্য্য প্রদর্শন কঠবাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ যে হাঁচি দেয় হাঁচির মধ্যে অনেক রোগ-জীবাণু বেরিয়ে যায়। এজন্য একটা রুমাল বা কাপড়ের মধ্যে হাঁচি দেয়া উচিত। আর শুকরিয়া স্বরূপ আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন বলা উচিত।
চিশতীয়া খান্দানের বিশিষ্ট বুযূর্গ হযরত খাজা উছমান হারুনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আনিসুল আরওয়াহ নামক কিতাবে সপ্তদশ মজলিসে মু’মিন বান্দার হাঁচি সম্পর্কে বলেন, “যখন কোন মু’মিন বান্দা হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলেন তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তার সমস্ত গুনাহখতা মাফ করে দেন এবং ঐ বান্দার জন্য জান্নাতে একটা প্রাসাদ তৈরী করেন, যার মধ্যে একটা গাছ থাকবে এবং সে গাছের বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ كَانَ مَعِىَ فِى الْجَنَّةِ .
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি আমার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষ্যে খুশি প্রকাশ করবেন, তিনি আমার সাথে সম্মানিত জান্নাত মুবারকে অবস্থান মুবারক করবেন।” সুবহানাল্লাহ!
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যে, পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী ব্যক্তি কতো বেমেছাল ফযীলতের অধিকারী হবেন। যেটা তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্ বাকি অংশ পড়ুন...
(গত ১৪ই রমাদ্বান শরীফের পর)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইলিম-তা’লীমের মজলিসে মহিলারাও বিশেষ উৎসাহ এবং উদ্দীপনার সাথে অংশগ্রহণ করতেন। পর্দা ফরয হওয়ার পরও উনারা পর্দার সাথে ইলিম-তা’লীম মুবারক গ্রহণ করতেন। এ সম্পর্কে সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাওলা বিনতে কায়েস আল্-জুহানিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুউচ্চ বুলন্দ আওয়াজ মুবারক উনার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “জুমুয়ার দিনে আমি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাঠবাকি অংশ পড়ুন...
১. আহাল বা স্বামীর আমানতসমূহের হিফাযত করা:
মহিলাদের প্রথম দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো আহাল বা স্বামীর যাবতীয় জিনিস যা তার অনুপস্থিতে স্ত্রীর কাছে আমানত হিসেবে রক্ষিত থাকে, তার হিফাযত করা। অর্থাৎ স্বামীর বংশ বা সন্তান, চরিত্র, ইজ্জত-আব্রু, ধন-সম্পদ, টাকা-পয়সা ইত্যাদি যাবতীয় রক্ষিত বিষয়বস্তুর হিফাযত করা স্ত্রী হিসেবে একজন নারীর পবিত্র দ্বীনি দায়িত্ব ও কর্তব্য। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সুতরাং নেককার আহলিয়াগণ (স্ত্রীগণ) উনাদের স্বামীদের অনুগত হয়ে থাকে এবং তাদের অবর্তমানে মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্à বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকাশ থাকে যে, আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাদেরকে জামায়াতে নামায পড়তে মসজিদে যেতে নিষেধ করেন এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি তা পূর্ণ সমর্থন ও সত্যায়িত করেন। এর দ্বারা এটা প্রতিভাত যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিষেধকৃত বিষয়কে এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার সমর্থন ও সত্যায়নকৃত বিষয়কে যারা মানবে না তারা ঈমান ও ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে বাকি অংশ পড়ুন...
যে সকল আয়াত শরীফসমূহ দ্বারা ‘হিজাব বা পর্দা’ ফরয প্রমাণিত হয়েছে তা দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে, শুধু বোরকা বা পর্দা করে রাস্তায় বের হওয়ার নাম হিজাব বা পর্দা নয়। বরং তার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট ও আয়াত শরীফসমূহে উল্লিখিত সকল হুকুম-আহকামসমূহ মেনে চলার নামই হচ্ছে “শরয়ী হিজাব বা পর্দা”।
যেমন, কারো ঘরে প্রবেশ করার পূর্বে অনুমতি নেয়া, মাহরাম ব্যতীত অন্য কারো সাথে দেখা-সাক্ষাত না করা, মাহরামদের সামনেও শালীনতা বজায় রাখা, গায়রে মাহরামদের সামনে চেহারা, হাত, পাসহ সমস্ত শরীর ঢেকে রাখা, চলাচলের সময় পুরুষ-মহিলা উভয়ের দৃষ্টিকেই অবনত রাখা, নিজেঠবাকি অংশ পড়ুন...
রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে অবৈধ টাকা, আর শরীয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ টাকা উভয়টি এক নয়।
কেউ যদি ট্যাক্স না দেয়, টাকা অপ্রদর্শিত রাখে, তাকে অবৈধ টাকা বা ব্ল্যাক মানি বলে।
অপরদিকে কেউ যদি যাকাত না দেয় কিংবা সুদ বা হারাম টাকা নেয়, তখন সেই টাকাকে শরীয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ টাকা বলে।
অনেক মুসলমান দুর্নীতি বা কালো টাকার বিরুদ্ধে সোচ্চার।
কিন্তু সেই কালো টাকা কি রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে দুর্নীতি নাকি শরীয়তের দৃষ্টিতে দুর্নীতি সেটা আগে জেনে নেয়া উচিত।
একজন লোক জমাকৃত অর্থের ২.৫% যাকাত দিলো, কিন্তু ৪০% ট্যাক্স দিলো না, সে কিন্তু শরীয়তের দৃষ্টিতে দুর্নীতি করেঠবাকি অংশ পড়ুন...












