উঁচু বা বুরনুস টুপি:
উঁচু বা উপরের দিকে লম্বা টুপি যাকে আরবীতে ‘বুরনুস্’ বলা হয়। এ টুপি পরিধান করাও হারাম। কেননা বুরনুস টুপি খৃষ্টান সন্নাসীদের খাছ টুপি। এ প্রসঙ্গে বিখ্যাত মুহাদ্দিছ, হাফিজে হাদীছ, আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বুখারী শরীফের শরাহ্ ফাতহুল বারী ফী শরহে বুখারী ১০ম খ- ২৭২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন-
وَقَدْ كَرِهَ بَعْضُ السَلَفِ لُبْسَ الْبُرْنُسِ لِاَنَّهُ كَانَ مِنَ اللِّبَاسِ الرُّهْبَانِ ......... اِيَّاكُمْ وَلُبُوْسَ الرُّهْبَانِ فَاِنَّهُ مِنْ تَزَيَّا بِهِمْ اَوْ تَشَبَّهَ فَلَيْسَ مِنِّىْ اَخْرَجَهُ الطَبَرَانِىُّ فِى الْاَوْسَطِ بِسَنَدِهِ لَابَأْسَ بِهِ.
অর্থ: সলফে সা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ سَمِعَ اِسْمِىْ فِى الْاٰذَانِ وَوَضَعَ اِبْهَامَيْهِ عَلٰى عَيْنَيْهِ فَاَنَا طَالِبُهٗ فِىْ صُفُوْفِ الْقِيَامَةِ وَقَائِدُهٗ اِلَى الْجَنَّةِ.
অর্থ:- “যে ব্যক্তি পবিত্র আযান উনার মধ্যে আমার মহাসম্মানিত নাম মুবারক শুনে বুদ্ধাঙ্গুলীদ্বয় চোখের উপর বুলাবে (রাখবে) আমি তাকে ক্বিয়ামতের দিন কাতারের মধ্যে তালাশ করব। (কাতার থেকে বের করে) টেনে সম্মানিত জান্নাতে নিয়ে যাব অর্থাৎ সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করাব। ”
উল্লেখিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ খানাকে অনেকেই জঈফ, এমনকি মওজু হিসাবেও উল্লেখ করেছে। বাকি অংশ পড়ুন...
কোন আমলই মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক ব্যতীত পূর্ণতায় পৌঁছেনা। মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার মধ্যেই রয়েছেন সর্বোচ্চ রহমত, বরকত ও ছাকীনা মুবারক। আর এই অবারিত রহমত মুবারক নিয়ে এলেন পবিত্র আখেরী চাহার শোম্বাহ শরীফ। এই মহাসম্মানিত দিবস মুবারকে কিছু মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক অর্থাৎ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম আমল মুবারক রয়েছে যা পালনের মাধ্যমে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করা সহজ ও সম্ভব। সুবহানাল্লাহ!
আখিরী শব্দের অর্থ- শেষ। আর ‘চাহার শোম্বাহ’ শব্দের অর্থ- ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলতে ছফর মাসে বাকি অংশ পড়ুন...
একদিকে মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক অপরদিকে অনেক রোগের শেফা ও বদ তাছির থেকে মুক্ত রাখে। তাই সবারই একটা তাসবীহ আক্বীক্ব পাথরের থাকা উচিত!
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন রতœ পাথর আক্বীক্ব পাথর ব্যবহার করা বরকতময়। (হাদীস শরীফ)
আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা যামানার মহান মুজাদ্দিদ, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের ঘ্রাণটাও পর্দার অন্তর্ভুক্ত
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِيْ مُوْسٰى رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ " كُلُّ عَيْنٍ زَانِيَةٌ وَالْمَرْأَةُ إِذَا اسْتَعْطَرَتْ فَمَرَّتْ بِالْمَجْلِسِ فَهِيَ كَذَا وَكَذَا يَعْنِيْ زَانِيَةً. "
অর্থ: হযরত আবূ মূসা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক চক্ষুই ব্যভিচারী। আর কোনো মহিলা যদি (কোনো ধরনের) সুগন্ধি ব্যবহার করে কোনো (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
পুরুষ- মহিলার সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে
সুগন্ধির প্রকারভেদ :
সুগন্ধি দুই প্রকার- ১. রং গাঢ়, কিন্তু সুঘ্রাণ কম। ২. সুঘ্রাণ বেশি, কিন্তু রং খুবই হালকা।
মহাসম্মানি মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পুরুষদেরকে রংবিহীন সুঘ্রাণযুক্ত সুগন্ধি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। কেননা, রং পুরুষের জন্যে সমীচীন নয়। আর মহিলাদের সুগন্ধি রঙিন ও অপেক্ষাকৃত কম সুঘ্রাণযুক্ত হওয়া চাই, যাতে এ সুঘ্রাণ কোনো পর পুরুষ পর্যন্ত না পৌঁছে। হ্যাঁ, যদি গৃহের অভ্যন্তরে থাকে- বাহিরে বের না হয়, তাহলে যে কোনো ধরনের সুগন্ধিই ব্যবহার করতে পারবে।
মহাসম্ বাকি অংশ পড়ুন...












