নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন “খুলুকুন ‘আযীম” অর্থাৎ সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক উনার অধিকারী এবং “উসওয়াতুন হাসানাহ্” বা সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
প্রতিটি বিষয়ে-ই তিনি সমগ্র মাখলুকাতের জন্য অনুসরণীয় এবং অনুকরণীয়। উনার মহাসম্মানিত আখলাক্ব মুবারক সবার জন্য অনুসরণীয়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ছোঁয়াতে-ই পূর্ণতা পেয়েছেন স্বয়ং উত্তম চরিত্র নিজে-ই। সুবহানাল্লাহ!
এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছ বাকি অংশ পড়ুন...
৩-৪. সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ:
আল্লামা হযরত ইমাম আবূ মুহম্মদ আলী ইবনে আহমদ ইবনে সা‘ঈদ ইবনে হাযম কুরতুবী যাহিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৪৫৬ হিজরী শরীফ) যিনি হযরত ইবনে হায্ম রহমতুল্লাহি আলাইহি হিসেবে পরিচিত। তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আল ফিছাল ফিল মিলালি ওয়াল আহ্ওয়াই ওয়ান নিহাল’ উনার মধ্যে বলেন,
وَمن قذف ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام فَهُوَ كَافِر لتكذيبه الْقُرْآن
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে যে অপবাদ দিলো, সে মহাসম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
৩-৪. সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ:
আল্লামা হযরত ইমাম আবুল ক্বাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে মানছূর আত্ ত্ববারী আল আযদী আল লালাকায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩১৮ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘শরহু উছূলি ই’তিক্বাদি আহ্লিস্ সুন্নাতি ওয়াল জামা‘আহ্’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন,
أُتِيَ الْمَأْمُونُ بِالرَّقَّةِ بِرَجُلَيْنِ شَتَمَ أَحَدُهُمَا النور الرابعة سيدتنا حضرت الرهراء عليها السلام وَالْآخَرُ ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام فَأَمَرَ بِقَتْلِ الَّذِي شَتَمَ النور الرابعة سيدتنا حضرت الرهراء عليها السلام وَتَرَكَ الْآخَرَ فَقَالَ حضرت إِسْمَاعِيلُ رحمة الله عليه مَا حُك বাকি অংশ পড়ুন...
৩-৪. সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ:মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত পবিত্রতা মুবারক বর্ণনা করে ইরশাদ মুবারক করেন,
إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالْإِفْكِ عُصْبَةٌ مِنْكُمْ لَا تَحْسَبُوهُ شَرًّا لَكُمْ بَلْ هُوَ خَيْرٌ لَكُمْ لِكُلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ مَا اكْتَسَبَ مِنَ الْإِثْمِ وَالَّذِي تَوَلَّى كِبْرَهُ مِنْهُمْ لَهُ عَذَابٌ عَظِيمٌ
অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা মিথ্যা অপবাদ রটনা করেছে, তারা আপনাদের মধ্য থেকেই একটি দল। আপনারা এটাকে নিজেদের জন্য খারাপ মনে করবেন না; বরং এটা আপনাদের বাকি অংশ পড়ুন...
৩-৪. সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ:আল ইমামুল কাবীর, মাফ্খরাতুল মাগরিব হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল আয়ায ইবনে মূসা আল ইয়াহ্চুবী আস সাব্তী আল মালিকী আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ৪৭৬ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ৫৪৪ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আশ শিফা বিতা’রীফি হুকূকিল মুছত্বফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার ২য় খ-ের ৩০৯ পৃষ্ঠায় বলেন-
وَحَكَى حضرت أَبُو الْحَسَن الصقَّلّيّ رحمة الله عليه أَنّ الْقَاضِي حضرت أَبَا بكر ابن الطَّيَّب رحمة الله عليه قَال إنّ اللَّه تَعَالَى إذَا ذَكَر فِي الْقُرْآن مَا نَسَبَه إليْه المُشْرِكُون سَبَّح نَفْسَه لِنَفْسِه كَقَوْلِه (وَقَ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ উনার পূর্বাভাস মুবারক:কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারকে আসার পূর্বে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম তিনি হযরত সুহাইল ইবনে ‘আমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সম্মানিত ভাই হযরত সাকরান ইবনে ‘আমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নিকট ছিলেন। তখন উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সাল বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল আশিরাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অত্যন্ত মুহব্বত মুবারক করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পূর্বে সমস্ত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারকে উপস্থিত হন। এ সময় উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল আশিরাহ্ আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
فرأت أنّ القمر وقع في حجرها وقيل رأت الشمس وقعت على صدرها وقصّتها علي أبيها أو زوجها فلطمها وقال أتريدين ملك يثرب وفي رواية ما تمنين إلا هذا الملك الذى نزل
অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল আশিরাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি একবার স্বপ্ন মুবারকে দেখলেন যে আকাশের চাঁদখানা উনার মহাসম্মানিত নূরুল আযহার মুবারকে (কোল মুবারকে) তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! অন্য বর্ণনা রয়েছেন- তিনি স্বপ্ন মুবারকে দেখেছেন আসমানের সূর্যখানা উনার মহাসম্মানিত নূরুল ইলিম মুবারকে (বক্ষ মুবারকে) তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি এই স্বপ্ন মুবারকখানা উনার পি বাকি অংশ পড়ুন...
৩-৪. সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ:
বিশিষ্ট ইমাম এবং মুজতাহিদ, আল্লামা হযরত সিরাজুদ্দীন আবূ হাফছ উমর ইবনে আলী ইবনে আহমদ আল মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি হযরত ইবনে মুলক্বিন রহমতুল্লাহি আলাইহি হিসেবে মশহূর (বিছাল শরীফ ৮০৪ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আত্ তাওদ্বীহ্ লি শরহিল জামি‘ইছ ছহীহ্’ উনার মধ্যে বলেন,
وأن من آذى نبيه صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ في أهله أو عرضه أنه يقتل لقول حضرت أسيد بن حضير رضى الله تعالى عنه (إن كان من الأوس قتلناه). لم يرد عليه شيئًا فكذلك من سبَّ ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام بما برأها الله منه أنه يقتل لتكذيبه القرآن المبرئ لها وتكذيبه الله و বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত ও পবিত্র মুহাররমুল হারাম শরীফ উনার ৪ তারীখ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাতে) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিশেষ শান মুবারক ৯০ দিনব্যাপী মাহফিল মুবারক উদ্বোধন উনার দিন ইরশাদ মুবারক করেন- “একখানা ঘটনা মুবারক তোমাদেরকে বলি। আসলে অনেক ঘটনা তোমাদেরকে বাকি অংশ পড়ুন...
৩-৪. সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ:
৮ম হিজরী শরীফ উনার বিশিষ্ট ইমাম এবং মুজতাহিদ, শায়খুল ইসলাম, ক্বাযিউল কুযাত, আল্লামা তাক্বিউদ্দীন আলী ইবনে আব্দুল কাফী আস্ সুবুকী রহমতুল্লাহি আলইহি (বিলাদত শরীফ ৬৮৩ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ৭৬৫ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আস সাইফুল মাসলূল ‘আলা মান সাব্বার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার মধ্যে বর্ণনা করেন,
قال حضرت الامام مالك رحمة الله عليه من سب ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام قُتل قيل له لم قال من رماها فقد خالف القرآن وقال حضرت ابن شعبان رحمة الله عليه عنه لأن الله تعالى يقول (يعظم الله أن تعودوا لمثله أب বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ উছমান মাযানী নাহবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি-
اَللَّهُ أَعْدَلُ مِنْ أَنْ يُكَلِّفَ الْعِبَادَ مَا لَا يُطِيقُونَ،
وَهُمْ أَعْجَزُ مِنْ أَنْ يَفْعَلُوا مَا يُرِيدُونَ.
অর্থ: “যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাদের থেকে তাদের সাধ্যের অধিক আনুগত্য করা হতে অনেক বেশী ন্যায়পরায়ণ। আর বান্দারা যা ইচ্ছা করে, তা করার ব্যপারে অতি অক্ষম। ” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ ১০/২৭৩)
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রস বাকি অংশ পড়ুন...












