মার্কিন নীতি নির্ধারক কিসিঞ্জার মারা গেছে। একজন বাংলাদেশী হিসেবে তার নামটা শুনলে যে কথাটা সর্বপ্রথম মনে পরে সেটা হলো, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে বাংলাদেশকে সে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিলো। প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশকে কেন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলো কিসিঞ্জার? কি ছিলো তার উদ্দেশ্য?
এ উত্তর দেয়ার আগে প্রথমেই কিসিঞ্জারের পরিচয় সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক। কিসিঞ্জার হচ্ছে জার্মান ইহুদী। নাৎসীদের নির্যাতনে আমেরিকায় পালিয়ে আসা কিসিঞ্জার এক সময় বনে যায় আমেরিকার নীতি নির্ধারক। বর্তমান মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের পেছনে ক বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًلا. وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ .قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ .وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ .قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা ঈমানদার ব্যতীত (অন্য ধর্মাবলম্বী) অর্থাৎ কাফিরদেরকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে না। (কেননা) এই কাফির-মুশরিকরা তোমাদের অনিষ্ট করতে (মোটেও) ত্রুটি করে না। তারা (মনে-প্রাণে) এটাই কামনা করে যে, তোমরা (পার্থিব ও ধর্মীয় ব্যাপারে) বিপন্ন হও। (তোমাদের প্রতি শত্রুতায় তাদের বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা অনেক সময় কালো টাকা বা ব্ল্যাক মানি বলে একটা শব্দ শুনি। অনেকে এই ব্ল্যাক মানিকে হারাম বা অবৈধ টাকা বলেও মনে করে। আসলে রাষ্ট্র পদ্ধতিতে কালো টাকা আর দ্বীন ইসলামে হারাম টাকা এক জিনিস নয়। পবিত্র দ্বীন ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম বা অবৈধ টাকা বলা হয় সেই টাকাকে যে, যে টাকা হারাম (শরীয়তে নিষিদ্ধ) কোন উপায়ে উপার্জন করা হয়। অপরদিকে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কালো টাকা বলা হয় সেই টাকাকে, যেই টাকার ইনকাম ট্যাক্স (আয়কর) পরিশোধ করা হয় না।
মূলতঃ পবিত্র দ্বীন ইসলামে উপার্জিত অর্থ পরিশুদ্ধ করার জন্য যাকাত দিতে হয়, ট্যাক্স দিতে হয় না। এক্ষেত্রে কোন ব্যক্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুর্হরম ও রজব) তিন (৩) দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় (৯) বৎসর ইবাদতের ছওয়াব লিখা হবে। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, বর্ণনাটি আমি নিজ কানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি।”
বর্ণিত আছে, “যারা পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার মধ্যে রোযা রাখে, তাদের গুনাহ মাফের জন্য হযরত ফেরে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ لاَ تَدْخُلُ الْمَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ وَّلاَ صُوْرَةُ تَمَاثِيْلَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি হযরত আবূ ত্বলহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ওই সমস্ত ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
“যে আপনার আলোচনা, মর্যাদা বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এই বুলন্দি মুবারকের হিস্সা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সবচাইতে বেশি হাছিল করেছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উ বাকি অংশ পড়ুন...
১০টি সূত্র মেনে চলো:
(১) নিজেকে হারাম বস্তু থেকে বাঁচাও, যা কিসমতে আছে তার উপর সন্তুষ্ট থাকো; তবে ছুফী হতে পারবে।
(২) মনে রেখো, মিথ্যাবাদী ভদ্র হয় না, হিংসুক আরাম পায় না, চরিত্রহীন নেতৃত্ব করতে পারে না।
(৩) দুশ্চরিত্রের সাথে চলাফেরা করিও না। তাহলে তোমার চরিত্র নষ্ট হতে সময় লাগবে না।
(৪) কারো গুণ দেখলে প্রশংসা করিও। দোষ দেখলে গোপন রাখিও এবং কেউ অন্যায় করিলে ক্ষমা করিও; তবেই তুমি নেককার মানুষ।
(৫) ক্রোধ-এর উৎপত্তি আগুন থেকে আর আগুন দ্বারাই দোযখ তৈরি করা হয়েছে। অতএব, সর্বদা ক্রোধ বর্জন করো।
(৬) পাঁচ প্রকার লোকের সাথে সংশ্রব রাখিও না।
১. মিথ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
مَا يَوَدُّ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ وَلَا الْمُشْرِكِينَ أَنْ يُنَزَّلَ عَلَيْكُمْ مِنْ خَيْرٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَاللَّهُ يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهِ مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ
অর্থ: আহলে কিতাব অর্থাৎ ইহুদী-নাছারা এবং মুশরিকদের মধ্য থেকে যারা কাফির- তারা কখনোই পছন্দ করেনা যে, আপনাদের রব তা‘য়ালা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি কোনো খায়ের-বরকত নাযিল হোক। মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা খাছভাবে স্বীয় সম্মানিত রহমত মুবারক দান করেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত ফযল-করম, রহমত মুবারক উনার মালিক। সুবহা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত নি’মাতুল উযমা মুবারক হচ্ছেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ! উনাদের শান-মান, বুযূর্গী-সম্মান যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা নিজেরাই ইরশাদ মুবারক করেছেন। কাজেই বান্দা-বান্দি, জিন-ইনসান তা জেনে উনাদের হক্ব, তা’যীম-তাকরীম, নিছবত-কুরবত, মা’রিফাত ইত্যাদি যেন তারা হাছিল করতে পারে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যিনি খ্বালিক যিনি মাল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِيْنَ آمَنُوا الْيَهُوْدَ وَالَّذِيْنَ أَشْرَكُوْا
অর্থ: (হে আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মূর্তিপূজারী মুশরিকদেরকে। (পবিত্র সূরা মায়িদা: আয়াত শরীফ ৮২)
বাকি অংশ পড়ুন...
মানব রচিত শাসন ব্যবস্থা, যার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ তরীক্বা মানুষের দ্বারা রচিত, বিশেষ করে বিধর্মীদের দ্বারা বিশেষ করে ইহুদীদের দ্বারা উদ্ভাবিত ও প্রবর্তিত- তা অনুসরণ-অনুকরণ করা ঈমানদার মুসলমানদের জন্য জায়িয নেই।
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য মতবাদ অনুসরণ করা নিষেধ, সে বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ
অর্থ : যে ব্যক্তি দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম (নিয়ম-নীতির) অনুসরণ করে, তার থেকে তা কখনই গ্রহণ করা হবে না এবং সে বাকি অংশ পড়ুন...












