উস্তাদের প্রতি আস্থা:
হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হুসনুল মুহাদ্বারাহ গ্রন্থে নিজ উস্তাদের একটি ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, আল্লামা তকীউদ্দীন শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি শেফা শরীফ গ্রন্থের পাদটীকায় মি’রাজের ঘটনা প্রসঙ্গে হযরত আবুল জামরা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত একটি হাদীছের উৎস সুনানে ইবনু মাজাহ-তে উল্লেখ করেছেন। আমি বারংবার সুনানে ইবনু মাজাহ অনুসন্ধান করেছি কিন্তু এ হাদীছটি আমি সুনানে ইবনু মাজাহ শরীফে পেলাম না। পরবর্তীতে মু’জামুস ছাহাবা লি ইবনু কানে’ঈ শরীফ অনুসন্ধান করে এ হাদীছ শরীফটি পেয়ে গে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হারাম করেছেন, মৃত প্রাণী, (মাছ ব্যাতীত) রক্ত, শুকরের গোস্ত এবং সেসব প্রাণী মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যাতীত অন্য কারো নামে যবেহ করা হয়। অবশ্য যে ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে পড়ে (মা’যূর হয়ে যায়) এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন গুনাহ নেই। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু।” সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
আর মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব মাহবুব নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খুছূছিয়ত এবং তিনিই যে একমাত্র অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় সে সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ أَخَذَ اللهُ مِيْـثَاقَ النَّبِيِّينَ لَمَا آتَـيْـتُكُم مِّنْ كِتَابٍ وَحِكْمَةٍ ثُمَّ جَاءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ لِّمَا مَعَكُمْ لَتُـؤْمِنُنَّ بِهِ وَلَتَـنْصُرُنَّهٗ ۚ قَالَ أَأَقْـرَرْتُمْ وَأَخَذْتُمْ عَلٰى ذٰلِكُمْ إِصْرِي ۖ قَالُوا أَقْـرَرْنَا ۚ قَالَ فَاشْهَدُوْا وَأَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشَّاهِدِيْنَ
অর্থ: “যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে এই মর্মে ওয়াদা গ্রহণ করলেন যে, আমি আপনাদের বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَبَنَاتِ عَمِّكَ وَبَنَاتِ عَمَّاتِكَ
চাচাতো ফুফাতো বোন যারা রয়েছেন আপনার
وَبَنَاتِ خَالِكَ وَبَنَاتِ خَالاتِكَ
মামাতো খালাতো বোন যারা রয়েছেন
اللاَّتِي هَاجَرْنَ مَعَكَ
উনাদের মধ্যে যারা হিজরত মুবারক করেছেন শুধু উনাদেরকে আপনি গ্রহণ করুন।’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখানে একটা শর্ত দিয়েছেন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি, যেহেতু মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি,
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
‘উনার আলোচনা মুবারক অনেক সম্মানিত, বুলন্দ।’ এতো বুলন্দ মু বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিম হোক অমুসলিম হোক প্রতিষ্ঠিত কোন সরকারের ইসলাম বিরোধী হুকুম মানতে কোন মুসলিম নাগরিক বাধ্য নয়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ طَاعَةَ لِمَخْلُوقٍ فِى مَعْصِيَةِ الْخَالِقِ
অর্থ: ‘স্রষ্টার অবাধ্যতায় সৃষ্টির প্রতি কোন আনুগত্য নেই।’ অতএব সর্বাবস্থায় তাওহীদের কালেমা শরীফ উনাকে সমুন্নত রাখা ও সম্মানিত ইসলাম উনার স্বার্থকে অক্ষুণœ রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করা মুসলমানের উপর ফরয দায়িত্ব। এমতাবস্থায় সরকারের নিকট পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বক্তব্য তুলে ধরা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا ۚ فَمَن جَاءَهُ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِ فَانتَهَىٰ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
অর্থ: যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতের দিন ঐভাবে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান স্পর্শ করে মোহগ্রস্ত করে দিয়েছে। কারণ তারা বলে যে, ক্রয়-বিক্রয়ও তো সুদ নেয়ারই মত। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্য বাকি অংশ পড়ুন...
তবে ছহীহ বর্ণনা যে, যিনি মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যারা বাঁদী, খাদিমা এরা হালাল হওয়ার পরেও তিনি কোন বাঁদী কোন খাদিমার সাথে কখনও কোন নিসবত মুবারক স্থাপন করেননি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটাই বলে দিচ্ছেন, আপনার যারা অধিনস্থ তাদেরকে আপনার জন্য হালাল করে দেয়া হলো। তবে
مِمَّا أَفَاءَ اللهُ عَلَيْكَ
মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে ‘ফাই’ দিয়েছেন। অর্থাৎ গণিমতের মাল হিসাবে অথবা যুদ্ধ জিহাদ করে যাদেরকে লাভ করতে পেরেছেন। এখানে একটি কুফরী আক্বীদ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ أُمَّتِي يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ إِلَّا مَنْ أَبٰى قِيلَ: يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَنْ أَبٰى؟ قَالَ مَنْ أَطَاعَنِي دَخَلَ الْجَنَّةَ، وَمَنْ عَصَانِي فَـقَدْ أَبٰى
অর্থ: আমার প্রত্যেক উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তবে যে আমাকে অস্বীকার করলো সে ব্যতীত। জিজ্ঞাসা করা হলো, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কে আপনাকে অস্বীকার করলো? তিনি বললেন, যে আমার আনুগত্য বা অনুসরণ করলো সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে আমার নাফরমানী কর বাকি অংশ পড়ুন...
“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।
وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.
অর্থ: জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।
বাকি অংশ পড়ুন...












