পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ الْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مُرْسَلًا قَالَ بَلَغَنِى أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعَنَ اللهُ النَّاظِرَ وَالْمَنْظُورَ إِلَيْهِ
অর্থ: হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই পবিত্র হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, যে দেখে এবং দেখায় তার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” (বাইহাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালাম পাক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পব বাকি অংশ পড়ুন...
যখন এ পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হলেন তখন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম যিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে বিষয়টা বললেন যে, পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। কি পবিত্র আয়াত শরীফ? এই বিষয়টার গুরুত্ব বুঝানোর জন্য, উম্মাতকে বুঝানোর জন্য। উম্মত যে আসলে মূর্খ এদেরকে ইলিম দেয়ার জন্য তিনি প্রথমে বললেন, হে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম! আমি আপনাকে বলব একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ? তিনি বললেন, কথা আছে এখানে, কি কথা? ইয়া রসূলাল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَللهَ اللهَ فِى أَصْحَابِى اللهَ اللهَ فِى أَصْحَابِى لاَ تَتَّخِذُوهُمْ غَرَضًا بَعْدِى فَمَنْ أَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّى أَحَبَّهُمْ وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِى أَبْغَضَهُمْ وَمَنْ آذَاهُمْ فَقَدْ آذَانِى وَمَنْ آذَانِى فَقَدْ آذَى اللهَ وَمَنْ آذَى اللهَ فَيُوشِكُ أَنْ يَأْخُذَهُ
অর্থ: আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। আমার বিছাল শরীফ উনার পরে উনাদেরকে তোমরা তিরস্কারের ল বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে নানা রকম বর্ষপঞ্জি ব্যবহারের তথ্য আমরা ইতিহাস থেকে পাই। যা বর্তমানে চালু নেই, যেমন: চাইনিজ, রোমান, জুলিয়ান, বেবিলনিয়ান, বাইজেন্টাইন, মিশরীয় বর্ষপঞ্জি ইত্যাদি।
বর্তমান পৃথিবীতে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই মুসলমানদের কাছে হিজরী বর্ষপঞ্জির প্রচলন রয়েছে। কিন্তু গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি রচিত হয়েছে সূর্যের আবর্তনের সাপেক্ষে আর হিজরী বর্ষপঞ্জি রচিত হয় চাঁদের আবর্তনের সাপেক্ষে। মাস শুরু এবং শেষ, বিশেষ দিন ধরে হিজরী বর্ষপঞ্জির যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তেমনি বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে: বাগদাদ শরীফে কিছু লোক ছিলো যারা ছিনতাই, মারা-মারি, কাটা-কাটি, লুটপাট করতো, নানা রকম অপকর্মে লিপ্ত ছিলো এবং মানুষ নিয়েও তারা ব্যবসা করতো। নাউযুবিল্লাহ! এখন পুরুষ যারা তারা ছিনতাই, খুন-খারাবি, মাল-সামানা আত্মসাৎ ইত্যাদি করতো। আর যারা মহিলা ছিলো তাদের দায়িত্ব ছিলো নানান মেয়েদেরকে ধোঁকা দিয়ে এনে তাদের মাধ্যমে তারা ব্যবসার কোশেশ করতো। নাউযুবিল্লাহ!
একদিন একটা ঘটনা ঘটলো। যে এলাকায় তাদের আস্তানা ছিলো, তা ছিল রাস্তার শেষ প্রান্ত। যার পরে বাড়ি ঘর নেই, সেখানে বড় ময়দান খোলামেলা জায়গা ঝোপঝাড় জঙ্গল। তারা লোকদেরকে ধো বাকি অংশ পড়ুন...
“আপনারা আমাকে উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে কষ্ট দিবেন না। কেননা, একমাত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি ছাড়া আর কোনো উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে একই চাদর মুবারক-এ অবস্থানকালে আমার কাছে ওহী মুবারক নাযিল হয়নি।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ত্বাহারাত সম্পর্কিত পবিত্র আয়াত শরীফ:
আর নামাযি ব্যক্তির পাক পবিত্রতা সম্পর্কে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوْا وُجُوْهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوْا بِرُءُوْسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ وَإِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوْا وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضٰى أَوْ عَلٰى سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِّنْكُمْ مِنَ الْغَائِطِ أَوْ لَامَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوْا مَاءً فَتَيَمَّمُوْا صَعِيْدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوْا بِوُجُوْهِكُمْ وَأَيْدِيْكُمْ مِّنْهُ مَايُرِيدُ اللهُ لِيَجْعَلَ عَلَيْكُمْ مِّنْ حَرَجٍ وَلٰكِنْ يُّرِيْدُ لِيُطَهِّرَكُمْ وَ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلاً
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমে বললেন। আসলে মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ বুঝে না এজন্য তারা চূ-চেরা করে। তিনি কিন্তু নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে সমস্ত কিছুর জাওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! প্রথমে বললেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ম বাকি অংশ পড়ুন...
এখন কাফির মুশরিকদের চূ-চেরা বৃদ্ধি পেতে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ! এটাকেই বলা হয় ইলা। আসলে এটা ইলা হয় না। ইলা শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন ব্যক্তি তার আহলিয়া থেকে দূরে থাকা। সেই অর্থেই এটা ইলা। কিন্তু হাক্বীক্বী ইলা যে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে-
لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِنْ نِّسَآئِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন যে, ইলা হচ্ছে কোন আহাল তার আহলিয়া থেকে চার মাস দূরে থাকবে। সেটাই হচ্ছে ইলা, অন্যথায় ইলা হয় না। ইলা হতে হলে চার মাস জুদা থাকতে হবে। যদি জুদা হয় তাহলে সে তালাক্ব হয়ে যায়। আর যদ বাকি অংশ পড়ুন...












