নারী-পুরুষ উভয়ের পবিত্রতা রক্ষার অতীব কার্যকর উপায় হচ্ছে পর্দার হুকুম। এই হুকুম অনুসরণের মাধ্যমেই হৃদয়-মনের পবিত্রতা অর্জন করা সম্ভব। পর্দার এই সুফলের কথা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে।
ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ
অর্থ: “পর্দার হুকুম তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৩)
অর্থাৎ মানবসমাজকে পবিত্র ও পঙ্কিলতামুক্ত রাখতে পর্দার কোনো বিকল্প নেই।
বাকি অংশ পড়ুন...
সেজন্য যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এক কথায় বলে দিয়েছেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلنَّبِيُّ أَوْلٰى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنفُسِهِمْ وَأَزْوَاجُهٗ أُمَّهَاتُهُمْ
সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার সহজ সরল অর্থ হচ্ছেন: নিশ্চয়ই যিনি মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিনদের জান থেকে, প্রাণ থেকেও প্রিয়। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার এক মুরীদকে নছীহত করে চিঠি লিখলেন। সেই চিঠি মুবারকে অনেক নছীহত মুবারক করে শেষে লিখেছেন, জেনে রাখো, যতক্ষণ পর্যন্ত দশটি বস্তু নিজের প্রতি ফরয করে না নিবে ততক্ষণ পর্যন্ত কারো পরহেজগারী পূর্ণতা লাভ করবে না।
(১) গীবত হতে স্বীয় জিহ্বাকে রক্ষা করা।
(২) অন্যের প্রতি অন্যায় অসৎ ধারণা করা হতে বিরত থাকা।
(৩) কারো প্রতি তিরস্কার না করা।
(৪) হারাম বস্তু হতে চোখকে হিফাযত করা।
(৫) সত্য কথা বলা।
(৬) নিজের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহসমূহের পরিচয় লাভ করা। যাতে আত্মগরিমা না আসতে পারে।
(৭) বাকি অংশ পড়ুন...
আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে-
عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ الثَّالِثَةِ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ: تَلَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم: هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ ...الى وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ. قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم" إِذَا رَأَيْتُمُ الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ فَأُولَئِكَ الَّذِينَ سَمَّى اللهُ عَزَّ وَجَلَّ فَاحْذَرُوهُمْ.
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
(১) যবান যিকিরকারী।
(২) অন্তর শোকরগোযারকারী।
(৩) মু’মিনা দ্বীনদার আহলিয়া দ্বীন পালনে সাহায্যকারী।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِيْنَ يَدْعُوْنَ ربهم بِالْغَدَاةِ وَ الْعَشِىِّ يُرِيْدُوْنَ وَجْهَه.
অর্থ মুবারক: আপনি নিজেকে ঐ সকল ব্যক্তি উনাদের ছোহবত বা সংসর্গে আবদ্ধ রাখুন, যারা সকাল-সন্ধ্যায় উনাদের রব তা’য়ালা উনাকে ডাকেন, উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য। (পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮)
আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ জুহাইফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
اِبْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ
এরা ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করার জন্য, অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য, মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তী সৃষ্টি করার জন্য তারা এখান থেকে সেইগুলি তালাশ করে এবং এগুলি তারা তা’বীল করে। নাউযূবিল্লাহ! যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন-
وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللهُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া কেউ এটার তা’বীল জানে না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ
যারা এই ইলিমে অভিজ্ঞ,
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব ম বাকি অংশ পড়ুন...
(এক) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারক।
(দুই) হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক।
(তিন) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিশুদ্ধ তিলাওয়াত মুবারক।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ اِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللهِ الْمُصَوِّرُونَ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি শুনেছি, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে ঐ ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তি দিবেন, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি তোলে বা আঁকে। (বুখারী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...












