মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنْ كُلِّ شَىْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُوْنَ
অর্থ: “আমি সমস্ত কিছুই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা ফিকির করো। ” (পবিত্র সূরা যারিয়াত শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৯)
এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় বিভিন্ন তাফসীরগ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে-
مَخْلُوْقُ اللهِ اَلذَّكَرُ وَالْاُنْثٰى
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার সমস্ত মাখলূকাত বা সৃষ্টি (জীব বা প্রাণী) পুরুষ এবং মহিলা এই দুই শ্রেণীর। ” (তাফসীরে রূহুল বায়ান, তাফসীরে সিরাজুল মুনীর, ফুতুহুল গইব, তাফসীরে যামাখশারী ইত্যাদি)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরঠবাকি অংশ পড়ুন...
আজমীর শরীফে আগমন:
আনাসাগরের পানি প্রকৃতপক্ষে তখন হিন্দু পন্ডিত ও তথাকথিত কুলীন হিন্দুদের জন্য নির্ধারিত ছিলো। নিম্নবর্ণের হিন্দুদের জন্য ঐ পানি দ্বারা হাত মুখ ধোয়া ও গোসল করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ছিলো। কুতুবুল মাশায়িখ সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি নিজের মুরীদ মু’তাকিদসহ আনা সাগরের পানি ব্যবহার করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু বাধা দিলো হিন্দু পূজারী বিদ্বানরা।
প্রথম থেকেই তারা কুতুবুল মাশায়িখ সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উপর শত্রুতায় ও বিদ্বেষে টুইটুম্বুর হয়েছিলো। এঠবাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ اِخْتَارَ اَصْحَابِىْ عَلَى الثَّقَلَيْنِ سِوَى النَّبِيِّيْنَ وَالْمُرْسَلِيْنَ
অর্থ: হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসানের উপর, সমস্ত সৃষ্টির উপর শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
অপরাধ শনাক্তকরণে আঙ্গুলের ছাপ ব্যবহার:
আমেরিকান ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস
কাজ শুরু হলো কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। অখ- বাংলায় তখন অ্যানথ্রোপমেট্রি (মানবদেহের আকৃতি) পদ্ধতিতে অপরাধীদের শনাক্ত করার কাজ চলত। ২০০১ সালে কলিন বিভানের প্রকাশিত ‘ফিঙ্গারপ্রিন্টস’ গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অ্যানথ্রোপমেট্রিক পদ্ধতি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে কাজী সাইয়্যিদ আজিজুল হক ভয়ানক অসুবিধার সম্মুখীন হন। ফলে নিজেই আঙ্গুলের ছাপ তথা ফিঙ্গারপ্রিন্টের শ্রেণীবিন্যাসকরণের একটা পদ্ধতি উদ্ভাবন করে সে অনুযায়ী কাজ করতে থাকেন। তিনি উদ্ভাবন করেন গাণিত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَسُبُّوْا اَصْحَابِىْ فَلَوْ أَنَّ اَحَدَكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا بَلَغَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلَا نَصِيْفَهُ
অর্থ: তোমরা আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালমন্দ করো না। কেননা যদি তোমাদের কেউ উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান করে, তবুও ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের এক মুদ (১৪ ছটাক) বা অর্ধ মুদ (৭ ছটাক) গম দান করার ফযীলতের সমপরিমাণ ফযীলতও অর্জন করতে পারবে না। (বুখারী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বেমেছাল-ফাযায়িল-ফযীলত ও মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী। স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের ঈমান, সততা ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্যাবলী বর্ণনা করেছেন। এবং তিনিই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অন্তরে প্রশান্তি দান করেছেন। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিনের অন্তরে (অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অন্তরে) প্রশান্তি দান করেন, যেন উনারা উনাদের ঈমানের সহিত ঈমানকে আরো দৃঢ় করে নেন। আর আসমান এবং যমà বাকি অংশ পড়ুন...












