ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসম বা নাম মুবারক যে কারণে ইতিহাসের পাতায় ও মু’মিনদের মনে অত্যান্ত মর্যাদার সাথে লেখা হয়ে আছে তাহলো তিনি ছিলেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার সংরক্ষক বা হেফাযতকারী। ইয়ামামার যুদ্ধে বহু সংখ্যক হাফিযে কুরআন শহীদ হলে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি এ ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার কাছে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ সংকলনের প্রস্তা বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নাম মুবারক- আবদুল্লাহ, কুনিয়াত বা উপনাম মুবারক- আবু আবদির রহমান, পিতা- মাসঊদ এবং মাতার নাম উম্মু আবদ্। লোকে উনাকে ইবনু উম্মে আবদ্ বলে ডাকত। পবিত্র মক্কা শরীফের হুযাইল গোত্রের লোক। নসবনামা মুবারক- মুদার বিন নিযার আলাইহিমুস সালাম পর্যন্ত প্রলম্বিত। বনু যুহরার হালীফ (মিত্র), একজন মুহাজির বদরী ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। প্রথম পর্যায়ের দ্বীন ইসলাম গ্রহণকারীদের একজন। বদরের জিহাদে অংশগ্রহণকারী, দুইবার হিজরতকারী, উম্মতের একজন বিশিষ্ট আলিম ও ফক্বীহ ছাহাবী; এজন্য উনার মশহুর ও প্রসিদ্ধ লক্বব মুবারক হচ্ছেন ফক্বীহুল বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
(১) শবে বরাত কি? (২) এ সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ কোন বর্ণনা আছে কি? (৩) অনেকে শবে বরাত উদযাপনকে বিদয়াত ও নাজায়িয বলে থাকে। তারা কারণ স্বরূপ বলে থাকে যে, কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ-এর কোথাও শবে বরাতের উল্লেখ নেই। আসলে কি তাই? সঠিক জাওয়াব দানে বাধিত করবেন।
জাওয়াব (১ম অংশ):
(১) শবে বরাত হচ্ছে ইসলামের বিশেষ রাত্রি সমূহের মধ্যে একটি রাত্রি। যা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে হয়ে থাকে। শবে বরাত-এর অর্থ হচ্ছে ‘মুক্তির রাত’ বা ‘নাজাতের রাত। ’
(২) ‘শব’ ফার্সী শব্দ। যার অর্থ হচ্ছে, রাত। আর বরাত আরবী শব্দ যা উর্দূ, ফার্সী, বাংলা ইত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَآ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি, বেদী, ভাগ্য নির্ধারণকারী তীর এসবগুলোই শয়তানের কাজ। অতএব, এগুলো থেকে তোমরা বিরত থাকো। অবশ্যই তোমরা সফলতা লাভ করবে। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ
অর্থ: তোমরা মূর্তিসমূহের খারাবী, অপবিত্রতা, নাপাকী, নিষিদ্ধতা বা শাস্তি থেকে বেঁচে থাকো। বাকি অংশ পড়ুন...
“নিশ্চয়ই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী, অতঃপর মুশরিক” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
এ পবিত্র আয়াত শরীফ যতদিন মুসলমানরা অন্তর থেকে বিশ্বাস না করবে এবং সে অনুসারে আমল না করতে পারবে ততদিন মুসলমানরা কাফিরদের কাছে মার খেতেই থাকবে, অপদস্থ হতেই থাকবে। যেমনটা এখন ফিলিস্তিনিরা খাচ্ছে।
২য় বিশ্বযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ইহুদীদের প্রতি মায়া উপচে পড়েছিলো। আদর করে আশ্রয় দিয়েছিলো নিপীড়িত (!) ইহুদীদের। সে সময় তৎকালীন সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটেন পর্যন্ত ইহুদীদের কোনো খ্রিস্টান দেশে আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। কারণ তারা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
অর্থ: “আমি জ্বীন এবং ইনসানকে একমাত্র আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি। ” এই আয়াত শরীফের ব্যাখ্যায় তাফসীরে বলা হয়েছে, মানুষ সৃষ্টি হয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত, মা’রিফাত লাভের জন্য। لِيَعْبُدُونِ “লি-ইয়া’বুুদূন” শব্দের ব্যাখ্যায় তাই لِيَعْرِفُونِ “লি-ইয়া’রিফূন” বর্ণনা করা হয়েছে। মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ তাফসীর মুবারক করেছেন লি’ইউছল্লুন। সুবহানাল্লাহ!
উল্লেখ ক বাকি অংশ পড়ুন...












