সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দ্বিতীয় আহলিয়া বা স্ত্রী উনার নাম মুবারক হযরত ইছমাতুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহা:
সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, “যদিও আমার বয়স মুবারক অনেক হয়েছে। বিবাহের বয়স নেই। তথাপি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে আপনার প্রস্তাব কবুল করলাম। ” সুবহানাল্লাহ! (খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি-১৮৭)
আওলাদ-সন্ততি:
ঐতিহাসিকগণ সকলে একমত যে, সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুব বাকি অংশ পড়ুন...
অসুস্থতার কারণে রোযা না রাখার হুকুম:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- যে সকল মেয়েরা অসুস্থতার কারণে নামায পড়তে পারে না এবং পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মধ্যে কিছু সংখ্যক রোযা রাখতে পারলো না, তবে কি তারা উক্ত নামাযের ফযীলত ও পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার রোযার ফযীলত হতে মাহ্রূম থাকবে? জবাবে বলা যায়- কখনোই নয় বরং সে নামায ও রোযার পরিপূর্ণ ফযীলতই লাভ করবে। কারণ সে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মাজূর।
অনুরূপ কারো যদি ওযূ অথবা গোসলের প্রয়োজন হয় কিন্তু যদি পানি পাওয়া না যায়, তবে তায়াম্মুম করে নামায আদায় করবে, এখানে পান বাকি অংশ পড়ুন...
(১)দু’জন লোককে তাদের পারস্পরিক বাক-বিতন্ডার পর হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার নিকট আনা হয়েছিলো। হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি তখন এক প্রাচীরের পাদদেশে বসেছিলেন। এক ব্যক্তি হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে বললো, প্রাচীরটি পড়ে যেতে পারে। তিনি উত্তর দিলেন, যাও, মহান আল্লাহ পাক তিনি যথেষ্ট রক্ষাকর্তা। এরপর তিনি সেই দু’ ব্যক্তির সালিশ করে মিটমাট করে দিলেন এবং সেখান থেকে উঠে গেলেন। তিনি উঠে যাওয়ার পরপরই প্রাচীরটা সেখানেই ভেঙ্গে পড়লো বাকি অংশ পড়ুন...
অসুস্থতার কারণে রোযা না রাখার হুকুম:এখানে একটি বিষয় খুবই লক্ষনীয়, তাহলো- কারো যদি রোযা অবস্থায় দিনের বেলায় ইনজেকশন নেওয়ার খুব বেশী প্রয়োজন হয়ে যায়, তবে তার জন্যে রোযা না রাখার হুকুম তো শরীয়তে রয়েই গেছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ كَانَ مَرِيْضًا اَوْ عَلٰى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ اَيَّامٍ اُخَرَ ۗ
অর্থ: “আর যদি কেউ অসুস্থ বা মুসাফির হয়, তবে অন্য সময় রোযাগুলো আদায় করবে। ” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৮৫)
এখন কেউ প্রশ্ন করতে পারেন যে, অসুস্থতার কারণে, মুসাফির সফরের কারণে অথবা কারো রোযা অবস্থায় ইন্জেকশন নেওয়ার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَخْرِجُوا الْمُشْرِكِينَ مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ
অর্থ: তোমরা মুশরিকদেরকে (অর্থাৎ সমস্ত কাফির-মুশরিককে) জাজিরাতুল আরব থেকে বের করে দাও। ” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...












