মুসলমান কাকে অনুসরণ করবে? কাকে আদর্শ হিসেবে মেনে নিবে? মুসলমান কার জীবনী পড়বে? কার আদর্শ অনুসরণ করবে? এ বিষয়গুলো জানা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের প্রাণের আক্বা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ- একথা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো জানিয়ে দিয়েছেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ইতায়াত করো। মহান আল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সকলেই আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হয়ে যায়ও। ” প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হওয়া ফরয। আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হওয়ার জন্য ইলম অর্জন করতে হয়। ইলম হচ্ছে দু’প্রকার (১) ইলমে ফিক্বাহ (২) ইলমে তাসাউফ। ইলমে ফিক্বাহ মাদ্রাসায় পড়ে বা হক্কানী-রব্বানী আলিম উনাদের কাছে গিয়ে শিক্ষা করা যায়। কিন্তু ইলমে তাসাউফ বা অন্তর পরিশুদ্ধ করার ইলম একা একা শিক্ষা করা যায় না। এই ইলম শিক্ষা করতে হলে হক্কানী-রব্বানী আলিম বা ওলীআল্লাহ উনাদের কাছে বাইয়াত হয়ে যিকির-ফিকির করতে হয়। এই যিকির কর বাকি অংশ পড়ুন...
وَلِيُنْذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ لَعَلَّهُمْ يَحْذَرُونَ
এবং সেই সম্প্রদায়, যারা ইলিমের জন্য বের হবে, তারা ইলিম তালাশ বা তলব করার পরে, অর্থাৎ ইলিম হাছিল করার পরে, আলিম হয়ে এসে তাদের সম্প্রদায়ের যারা থাকবে, তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করবে বা জানাবে। যার ফলশ্রুতিতে তারা সতর্ক হয়ে যাবে গুণাহ থেকে।
তাদের অধীনস্থ অর্থাৎ তাদের সম্প্রদায় বা ক্বওমের মধ্যে যারা রয়েছেন, তাদেরকে তারা ভয় প্রদর্শন করবে। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সম্পর্কে জানাবে।
জানার ফল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيرٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّونَكُمْ مِنْ بَعْدِ إِيمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِهِمْ
অর্থ: আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের অনেকেই হিংসামূলক মনোভাবের কারণে আকাঙ্খা করে যে, ঈমান আনার পর আবার তোমরা কাফির হও। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
কারামত মুবারক:
* সেই পুরোহিত বা দলপতি বললো, তাহলে আপনি কি এ কথা বলতে চান যে, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করেন তারা আগুনে জ্বলবে না? সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নিশ্চয়ই তাই। ” তখন পুরোহিত বললো, “আমি কি করে বিশ্বাস করবো যে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারীকে আগুন জ্বালাতে পারবে না? আপনি যদি জ্বলন্ত আগুন হাতে নিয়ে দেখাতে পারেন যে আপনার হাত না জ্বলে অক্ষত রয়েছে তাহলে আপনার কথা বিশ্বাস করবো।
তখন সাইয়্যিদুনা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, “আমি মুঈনুদ্দীন কে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِيْنَ آمَنُوا الْيَهُوْدَ وَالَّذِيْنَ أَشْرَكُوْا
অর্থ: (হে আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মূর্তিপূজারী মুশরিকদেরকে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ -৮২)
বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
فَخَلَقْتُكَ وَخَلَقْتُ اَهْلَ بَيْتِكَ مِنَ النُّوْرِ الْاَوَّلِ
অর্থ: “আমি আপনাকে এবং আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র প্রথম ভাগ নূর মুবারক অর্থাৎ মূল মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত নূর মুবারক থেকে তথা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র একই নূর মুবারক থেকে সৃষ্টি মুবারক করেছি। ” সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এবং মহাসম্মানি বাকি অংশ পড়ুন...
এত ফযীলত মহান আল্লাহ পাক তিনি আলিমদেরকে দিয়েছেন, যেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ জন্যই পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا-
وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ
মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন-
وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا
যে ব্যক্তিকে হিকমত বা বিশেষ ইলিম দেয়া হয়েছে, তাকে অনেক ভালাই দেয়া হয়েছে, অনেক কল্যাণ দেয়া হয়েছে।
وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ
নিশ্চয় যাঁরা সমঝদার, যাঁরা আলিম, জ্ঞানী, উনারা ব্যতীত কেউই নছীহত হাছিল করে না, অন্য কেউই নছীহত হাছিল করে না। (সূরা বাক্বারা শরীফ/ বাকি অংশ পড়ুন...












