পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ لاَ تَدْخُلُ الْمَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ وَّلاَ صُوْرَةُ تَمَاثِيْلَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি হযরত আবূ ত্বলহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ওই সমস্ত ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন বাকি অংশ পড়ুন...
উনি ফিকির করতে লাগলেন যে, এর মালিককে খুঁজে বের করতে হবে। তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে। যদিও শরীয়তের মাসয়ালা রয়েছে-
اَلضَرُورَةُ تُبِيحُ الْمَحْظُورَاتِ
‘জরুরত হারামকে মুবাহ করে দেয়।’ একটা লোক মা’জুর হয়ে গেলে, অক্ষম হয়ে গেলে, আমাদের হানাফী মাযহাব মুতাবিক তিনদিন ধরে না খেয়ে থাকলে, ক্ষুধার তাড়নায় তার জন্য হারাম যে কোন খাদ্য সেটা মুবাহ হয়ে যায়। সে জরুরত আন্দাজ গ্রহণ করতে পারে।
শরীয়তের ফতওয়া মুতাবিক উনার আমল শুদ্ধই হয়েছে। কিন্তু উনি তো খুব বড় আলিম ছিলেন। উনি ফিকির করলেন, উনাকে ফতওয়ার উপর আমল করলেই চলবেনা, উনাকে তাক্বওয়ার উপর আমল করতে হবে। মালিক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উলিল আমর তথা ওলীআল্লাহ-
১) উনাদের পবিত্র বাণী শ্রবণ করতে হবে।
২) উনাদের আনুগত্য বা অনুসরণ করতে হবে।
৩) উনাদের সন্তুষ্টির জন্য দান-খয়রাত করতে হবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ
অর্থ: “অবশ্যই আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই একজন সম্মানিত রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে প্রেরণ করেছি এই জন্য যে, যেন তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করো এবং তাগুত (মূর্তিপূজা বা কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ) থেকে দূরে থাকো।” (পবিত্র সূরা নহল: আয়াত শরীফ ৩৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
উনার কতিপয় কারামত মুবারক:
(৩)
“কারামতে আহমদী” কিতাবের ৪৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হজ্জে যাওয়ার সময় সমুদ্রের মধ্যে স্টিমারে মিষ্টি পানি শেষ হয়ে গিয়েছিলো। জাহাজের পরিচালকরা তা হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে অবগত করলে তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করতে বসে গেলেন। দোয়া করার সময় উনার নিকট ইল্হাম হলো যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি এই স্থানের সমুদ্রের পানি মিষ্টি করে দিয়েছেন। যে পরিমাণ পানি ইচ্ছা হয় জাহাজে পূর্ণ করে নেয়া যাবে। তখন তিনি জাহাজের পরিচালকদ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘গরতু খাহী হাম নশীনী বা খোদা, গো নশীনী দর হুজুরে আউলিয়া’
অর্থাৎ তুমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে বসতে চাও, তাহলে হযরত আউলিয়ায়ে কিরামের দরবারে বসো।
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘চশমে রওশন কুঞ্জে খাকে আউলিয়া, তাববিনী এবতেদা তা এন্তেহা’
অর্থাৎ হযরত আউলিয়ায়ে কিরামের পদধুলি দ্বারা তোমার চক্ষু উজ্জল করো, তাহলে শুরু হতে শেষ পর্যন্ত দেখতে পাবে। সুবহানাল্লাহ!
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘আঁ নাকে খাকরা বনজর কিমিয়া কুনন্দ, আয়া বুয়াদ কেহ গোশায়ে চশম বমাকুনন্দ’
অর্থাৎ যারা দৃষ্টি দ্বারা মাটিকে স্বর্ণ করেন, কতইনা উ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ الْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مُرْسَلًا قَالَ بَلَغَنِى أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعَنَ اللهُ النَّاظِرَ وَالْمَنْظُورَ إِلَيْهِ
অর্থ: হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই পবিত্র হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, যে দেখে এবং দেখায় তার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” (বাইহাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালাম পাক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পব বাকি অংশ পড়ুন...
অন্য এক রিওয়ায়েতে এসেছে-
لَا تَرَي رَجُلًا وَلَا يَرَاهَا رَجُلٌ
কোন পুরুষ তাকে দেখবে না এবং কোন পুরুষকেও সে মহিলা দেখবে না।’
قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘সেটা শুনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন-
فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِضْعَةٌ مِنِّي
‘হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আমার কলিজার টুকরা।’ কাজেই আমার যে জবাব উনি সেটাই দিয়েছেন।’ সুবহানাল্লাহ!
কারণ মেয়েদের জন্য সবচাইতে উত্তম আমল হচ্ছে, কোন পুরুষকে সে দেখবে না, কোন পুরুষও তাকে দেখবে না।
এ প্রসঙ্গে বর্ণিত রয়েছে, গাউছুল আ’যম, সাইয় বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ও তাবৎ কাফির, মুশরিক, নাস্তিক আর বিধর্মীরা লাফালাফি করলেও ইতিহাস থেকে প্রমাণিত যে, ভারতবর্ষ মুসলমানরাই সাজিয়েছিলো প্রায় ৭০০ বছর শাসন করে। কিন্তু মুসলমানদের এই সকল অবদান ভুলে গিয়ে অকৃতজ্ঞ বেইমান বিধর্মীরা আজ ভারতে একের পর এক পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শান মুবারকের খেলাফ কার্যক্রম জারি করছে, মসজিদে আযান দেয়া বন্ধ করে দিচ্ছে, মুসলমানদেরকে শহীদ করছে, এমনকি দেশ থেকে পুশইন করে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে, বিনা দোষে হামলা-মামলা দিয়ে বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করে বাস্তুচ্যুতি ঘটাচ্ছে।
মূলত, এর পেছনে রয়েছে আলিম নামধারী যাল বাকি অংশ পড়ুন...
উনার কতিপয় কারামত মুবারক:
(১)
“তাওয়ারীখে আযীবা” কিতাবের ২০/২১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, এক সময় হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার হুজরা শরীফে শোয়া অবস্থায় চিন্তা করতেছিলেন, না জানি এই যামানার কুতুবুল আকতাব (গাউছ) কে? তখন তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট উক্ত কুতুবুল আকতাবের যিয়ারতের জন্য আরজু করলেন। এই দোয়া করা মাত্র তা কবুল হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি বাতাসকে আদেশ মুবারক দিলেন যে, বিছানাসহ হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে সেই যামানার কুতুবুল আকতাব উনার নিকট পৌঁছে দিতে।
তিনি অনেক দেশ, প বাকি অংশ পড়ুন...
গোসল করার তারতীব
গোসলের প্রকার:
গোসল চার প্রকার। যথা- ১. ফরয, ২. ওয়াজিব, ৩. সুন্নত ও ৪. মুস্তাহাব।
যেসব কারণে গোসল ফরয হয়:
১. চৈতন্য বা নিদ্রাবস্থায় কামভাবে মনি (বীর্য) বের হয়ে স্থানচ্যুত হলে।
২. নির্জনবাসের পর, যদিও বীর্যপাত না হয়।
৩. ইহ্তিলামে (স্বপ্নদোষে) যদি বীর্যপাত হয়।
৪. স্ত্রীলোকের হায়িয কিংবা নিফাস বন্ধ হয়ে গেলে- সে যদি নামায আদায়, তিলাওয়াতে কুরআন শরীফ ইত্যাদির ইচ্ছা করলে।
৫. কোনো কাফির স্ত্রীলোক হায়িয কিংবা নিফাস বন্ধ হওয়ার পূর্বে বা পরে মুসলমান হলে।
৬. কোনো ব্যক্তি প্রথম ইহ্তিলাম (বীর্য স্খলিত বা স্বপ্নদোষ) হওয়ায় বালেগ বলে বাকি অংশ পড়ুন...












