ইবরত-নছীহত:
নেক আমলের চেয়েও নেক ছোহবত বেশি জরুরী (২)
, ১৬ ছফর শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ১১ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ২৮ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘গরতু খাহী হাম নশীনী বা খোদা, গো নশীনী দর হুজুরে আউলিয়া’
অর্থাৎ তুমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে বসতে চাও, তাহলে হযরত আউলিয়ায়ে কিরামের দরবারে বসো।
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘চশমে রওশন কুঞ্জে খাকে আউলিয়া, তাববিনী এবতেদা তা এন্তেহা’
অর্থাৎ হযরত আউলিয়ায়ে কিরামের পদধুলি দ্বারা তোমার চক্ষু উজ্জল করো, তাহলে শুরু হতে শেষ পর্যন্ত দেখতে পাবে। সুবহানাল্লাহ!
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘আঁ নাকে খাকরা বনজর কিমিয়া কুনন্দ, আয়া বুয়াদ কেহ গোশায়ে চশম বমাকুনন্দ’
অর্থাৎ যারা দৃষ্টি দ্বারা মাটিকে স্বর্ণ করেন, কতইনা উত্তম হতো যদি উনারা আমাদের প্রতি নজর করতেন।
বলাবাহুল্য, ইলমে তাছাওউফের ক্ষেত্রে নেক ছোহবত অনেক দামী। হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার চেহারা মুবারকের দিকে তাকালেও গুনাহখতা মাফ হয়ে যায়। উনার কপাল মুবারকের দিকে তাকালে ফয়েজ তাওয়াজ্জুহ পাওয়া যায়।
এ কারণে প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো, যামানার লক্ষস্থ্যল ব্যক্তিত্ব মুবারক, আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খাযিনাতুস সুন্নাহ, হাদিয়াতুস সুন্নাহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ছোহবত মুবারক এখতিয়ার করে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও ইছলাহ হাছিল করার সাথে সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী রেযামন্দী-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা।
ছোহবতের তরতীব: সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস সালাম তিনি সালিক ও মুরীদদের জন্য সহজতর তরতীব মুবারক ঘোষণা মুবারক করেছেন- ‘যেসমস্ত সালিক তথা মুরীদ দূর-দূরান্তে থাকেন তাদের জন্য কমপক্ষে প্রতি তিন মাসে একবার সম্মানিত ছোহবত মুবারকে এসে নূন্যতম ৭দিন অবস্থান করতে হবে। ঠিক অনুরূপভাবে, যে সমস্ত সালিকা বা মুরীদা রয়েছেন উনাদের জন্যও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান সম্মানিত ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করতে হবে।’
সারকথা হলো- যারা দূরে থাকেন তাদেরকে কমপক্ষে প্রতি তিন মাসে একবার ছোহবতে এসে নূন্যতম ৭দিন অবস্থান করতে হবে। আর যারা কাছে থাকেন তারা প্রতিদিন, যারা ঢাকায় থাকেন তারা সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ছোহবত মুবারক এখতিয়ার করবেন।
মহান মালিক তিনি আমাদেরকে নেক ছোহবত এখতিয়ার করে হাকীকতে পৌছার খাছ তাওফীক্ব নছীব করুন। আমীন!
-শেখ মুহম্মদ আব্দুর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












