জুলাই ঘোষণা নিয়ে এতদিন আলোচনা হলেও ৫ই আগষ্টের পর থেকে চলছে অব্যাহত সমালোচনা। আজকেও প্রথম আলোসহ আরো কয়েকটি গণমাধ্যমে লেখালেখি হয়েছে।
২৪ এর ৫ই আগস্ট তাগুত হাসিনা পালিয়েছে
আর ২৫ এর ৫ই আগস্ট বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পথিকৃত তথা এনসিপির ৫ নেতা বিজয় মঞ্চ থেকে পালিয়েছে।
তাগুত হাসিনা ঢাকা থেকে পালিয়ে ভারত গিয়েছে।
আর এনসিপি ৫ নেতা ঢাকা থেকে পালিয়ে কক্সবাজার গিয়েছে।
কক্সবাজার আর ভারত দুরত্ব যাই হোক উভয়েই ঢাকা ছেড়েছে।
উভয় ঘটনাই মিডিয়ায় তোলপাড় হয়েছে।
তবে মিডিয়ার অনুসন্ধানী তৎপরতা,
মিডিয়ার কর্মতৎপরতা
মিডিয়ার প্রচারণা
মিডিয়ার প্ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত ভেজাল খাবার খেয়ে দেশের ৪৫ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাবার তৈরি এবং বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়ন জরুরি। দৈনিক আল ইহসান শরীফের অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের প্রায় সব ভোগ্যপণ্যের মধ্যে ভেজাল ঢুকে গেছে। বেশি লাভের আশায় অনেকে খাদ্যে ভেজাল মেশাচ্ছে। শক্ত হাতে এগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব না হওয়ায় এ সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
স্বীকৃত হিসাব অনুযায়ীই বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা ৯ কোটিরও বেশি। বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের চিকিৎসকের ভুলকে ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার সাধারণ মানুষের নেই। এটা বলতে পারবে কেবল বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)।
চিকিৎসায় অবহেলা কিংবা ভুলের ঘটনায় মামলাও হয়েছে। সেই মামলায় চিকিৎসককে গ্রেফতারের নজিরও দেশে রয়েছে। কিন্তু বিএমডিসির সনদ বাতিলের নজির বিরল। ভুল চিকিৎসার দায়ে মাত্র একজন চিকিৎসকের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। চার জনের নিবন্ধন স্থগিত করা হয়েছে এক বছরের জন্য। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুসহ গত ২০ বছরে বিএমডিসিতে পাঁচ শতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে অর্ধেক অভিযোগই নিষ্পত্তি করতে পারেনি সংস্থ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বসিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে কাদিয়ানীদের প্রাণসহ দেশের কিছু বড় শিল্প গ্রুপ। দেশের অনেকগুলো খাতের লাখো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যবসা ক্ষেত্রে এখন প্রাণের মতো বড় শিল্প গ্রুপের দখলদারিত্ব চলছে। এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রায় সব পণ্য এখন প্রাণের পণ্য তালিকায়। খাদ্যপণ্যে ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্টের খাবার প্রাণের প্যাকেটে। এমনকি মাছের বাজারেও এখন প্রাণের বিনিয়োগ রয়েছে। এর ফলে বড় শিল্প গ্রুপের বিনিয়োগের প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না দেশের লাখ লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ছোট খাতগুলোয় বড় শ বাকি অংশ পড়ুন...
মক্কা শরীফ উনার নগরীতে সহজে এবং নিরাপদে সফর করার উদ্দেশ্যে ১৯০০ সালে ‘দ্য হেজাজ রেলওয়ে’ প্রকল্প শুরু করেছিলেন দ্বিতীয় আবদুল হামিদ, যিনি ওসমানিয়া সালতানাতের (বর্তমান তুরস্ক) সুলতান ছিলেন।
তার আগ পর্যন্ত উটের কাফেলায় কয়েক সপ্তাহ ধরে মক্কা শরীফে সফর করতেন মুসলিম ব্যবসায়ী ও হজ্জযাত্রীরা।
সে সময় দামেস্ক থেকে মক্কা শরীফে পৌঁছাতে অন্তত ৪০ দিন সময় লাগতো। যাত্রা পথে শুষ্ক মরুভূমি আর পাহাড়ি পথ পাড়ি দিতে গিয়ে কাফেলার বহু যাত্রীর মৃত্যু হত।
রেলওয়ে প্রতিষ্ঠার পরে এই ৪০ দিনের যাত্রা নেমে আসে মাত্র পাঁচ দিনে।
এই প্রকল্পের অধীনে রেল বাকি অংশ পড়ুন...
সপ্তাহে ৩ দিন সংহতি সমাবেশ করতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। গত জুমুয়াবার (১ আগস্ট) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন ও কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহের জুমুয়া, শনি ও রোববারে সংহতি সমাবেশ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
সংগঠনটি আরো বলেন, আমাদের সম্প্রদায় এখনো গাজায় জাতিগত নিধনের শিকার। সেখানে শত্রুবাহিনী ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে তারা আমাদের দৃঢ়তাকে চ বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞান সাধনার নামে, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সাথে যুক্ত থাকার নামে প্রগতির পথে পরিচালিত হওয়ার নামে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী ষড়যন্ত্রকারীরা অনেক সাধারণ মুসলমানদের যেমন গাফিল ও গুমরাহ করেছিল।
তেমনি সে ধারাবাহিকতায় তারা ‘ওয়ায়েজদেরও প্রভাবিত করেছিল নাউযুবিল্লাহ। ওয়ায়েজদের আলোচনায় বেশিরভাগই থাকে নারী সংক্রান্ত বিষয় এবং হুর-গেলমানদের মোহাবিষ্ট আকর্ষণীয় বর্ণনা’- ইত্যকার সমালোচনায় তারা মুখর ছিল। বিশেষ করে স্বাধীনতা উত্তর হুর-গেলমানের চিত্তাকর্ষক ওয়ায়েজের বিরোধিতা দিন দিন তীব্র ও জোরালো হয়। এ ফাঁদে পা দিয়ে তখন থে বাকি অংশ পড়ুন...
১৫টি মূল বিষয়সহ ৪৩৩টি সুপারিশ করেছে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন। ইউনূসের কাছে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করে কমিশন।
সুপারিশগুলোর মধ্যে আছে- শ্রম আইনে গৃহকর্মী ও যৌনকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে মনে করে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন।
তারা বলেছে, “নারী আন্দোলনের যে তথাকথিত চিরন্তন আকাক্সক্ষা ‘স্বাধীনতা’ এবং সেই স্বাধীনতা পেতে হলে, নারীর যদি সত্যিকারের মুক্তি পেতে হয়, তাহলে আমরা কি করতে চাই, আমাদের আকাক্সক্ষা কি, স্বপ্ন কি- সেগুলো তুলে ধরেছি।
আমরা জানি অনেক কিছু নিয়ে বি বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া। ” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
পবিত্র কালামুল্লাহ শ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে বাজার ব্যবস্থার প্রসঙ্গ উঠলে একইসাথে আলোচনায় আসে ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি। সিন্ডিকেট বলতে একাধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মিলে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া বা নির্দিষ্ট স্বার্থ হাছিলকে বোঝানো হয়। এ কাজ ভালো কিংবা খারাপ দুটোই হতে পারে।
কিন্তু বাংলাদেশে সিন্ডিকেট বলতে মূলত ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট বোঝায় এবং এই শব্দটি নেতিবাচক অর্থেই ব্যবহার হয়ে আসছে।
যেখানে এক দল ব্যবসায়ী বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে ইচ্ছামতো পণ্যের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং দাম বাড়িয়ে অবৈধভাবে মুনাফা অর্জন করে।
অভিযোগ আছে এরকম ব্যবসায়ীরা অনেক সময় বাজারে পণ্যের বাকি অংশ পড়ুন...
চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্রকারী। আন্তর্জাতিক দুটি সংবাদ মাধ্যম এবং দেশের রাজাকার ঘরানার মুখপত্রের খবর শিরোনাম একই।
শুধু তাই নয় খবর বা প্রতিবেদনে যার বিবৃতিকে সংযুক্ত করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং রাজধানীতে বিমানঘাটির বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে যে একজন নামধারী মুসলমান। কিন্তু মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ‘ইহুদীর’ স্ত্রী।
ইসলাম বিদ্বেষী কর্মকান্ড এবং মুসলমান ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিরোধী বিবৃতির জন্য তিনি বিশেষভাবে চিহ্নিত এবং নিন্দিতও বটে।
তিনি প্রখ্যাত এক আইনবিদের কন্যা- আইনজীব বাকি অংশ পড়ুন...
সংবাদ শিরোনাম হয়েছে- “অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে কুড়িগ্রামের শিশু-কিশোররা”।
খবরে বলা হয়, অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের শহর ও চরাঞ্চলের শিশু-কিশোররা। পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিনের সিংহভাগ সময়ই তারা ব্যয় করছে গেমিংয়ের পেছনে। এছাড়া অনলাইনের বেটিং সাইটগুলোতেও রয়েছে তাদের অবাধ চলাচল। অনেকেই জুয়ার টাকা যোগাড় করতে অল্প বয়সেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়েছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা নাশকতায়।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে গ্রাম প্রায় সবখানেই কিশোরদের দলবেঁধে মোবাইলে ঝুঁকে থাকার দৃশ্য। বাকি অংশ পড়ুন...












