মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
অর্থ: (আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আর নিশ্চয়ই আমি আপনার মহাসম্মানিত আলোচনা মুবারক, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি। সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূর ইনশিরাহ শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪)
অর্থাৎ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মা বাকি অংশ পড়ুন...
যেটা আমরা প্রতিদিন বলে থাকি, প্রত্যেকের জন্য একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ উনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করা ফরযে আইন। সে বাইয়াত গ্রহণ করে যিকির-ফিকির করবে, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করবে এবং ছোহবত মুবারক ইখতিয়ারের মাধ্যম দিয়ে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করবে। সুবহানাল্লাহ! সেটাই বলা হচ্ছে, তুমি যিকির-আযকার করো, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করো।
وَسَبِّحُوهُ بُكْرَةً وَأَصِيلاً
“এবং সকাল-সন্ধা যিকির করো।” আরেকটা অর্থ হচ্ছে ফজর, যুহর, আছর, মাগরিব, ইশা তথা পাঁচ ওয়াক্ত নামায ঠিক মতো আদায় করো। তাহলে তোমাদের পক্ষে অন্তর ইছলাহ করা, বিষয়গুলো উপলব্ধি করা সহজ এবং স বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৭ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১৬ই জুমাদাল ঊলা শরীফ মোতাবেক ৯ই সাদিস ১৩৯৩ শামসী লাইলাতুস সাবত শরীফ (শনিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “একটা বিষয় দেখলাম। এটা এখানেই (৫ম তলা পবিত্র খানকা শরীফ) হবে। হঠাৎ দেখলাম- এখানে হযরত আহলু বা বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
ভূমিকা:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছগুলোকে ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়। ১টি হলো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কা’বা শরীফ পুনর্নির্মাণ করার সময়ের ঘটনা, যখন দুনিয়াবী দৃষ্টিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বয়স মুবারক ৩৫ বছর। যেটা ‘বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মুসনাদে আহমাদ, মুছান্নাফে আব্দুর রায্যাক্ব, ছহীহ ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আবী ইয়া’লা ও বিভিন্ন সীরাতগ্রন্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
মুহব্বত আরবী শব্দ। শাব্দিক অর্থ ইশ্ক বা ভালোবাসা। যে নূর মুবারক দ্বারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মুহব্বত মুবারক প্রকাশ করেন, উনাকে নূরুল মুহব্বত মুবারক হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে যা অশ্রু নামে অভিহিত হয়, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে তা ‘নূরুল মুহব্বত মুবারক’ নামে সম্বোধন করতে হবে। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَسْـمَاءَ بِنْتِ يَزِيْدَ بْنِ السَّكَنِ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهَا قَالَتْ لَم বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফ সমূহের ভিত্তিতে যতজন পুরুষ কর্তৃক মহিলাদেরকে এবং মহিলা কর্তৃক পুরুষকে দেখা করা বা দেখা দেয়া জায়িয তার একটি তালিকা দেয়া হলো-
ক. একজন পুরুষ কর্তৃক যতজন মহিলাকে দেখা জায়িয।
(১) মা (আপন ও সৎ উভয়েরই দেখা করা জায়িয)।
(২) দাদী, পরদাদী (এভাবে যত উর্ধ্বে যাক)।
(৩) নানী, পরনানী (এভাবে যত উর্ধ্বে যাক)
(৪) মেয়ে (বৈপিত্রেয়া, বৈমাত্রিয়া মেয়ে ও দুধ মেয়েও শামিল)
(৫) পুতনী (এখানে দুধ ছেলে ও বৈমাত্রেয়া ও বৈপিত্রেয় ছেলের মেয়েও শামিল)
(৬) নাতনী (এখানে দুধ মেয়ে ও বৈপিত্রেয়া মেয়ের মেয়েও শামিল)
(৭) বোন (তিন প্রকারঃ আপন, বৈমাত্রিয়া বোন ও বৈপিত্রিয় বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُ تَعَالىٰ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِىْ وَرَجَوْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ عَلٰى مَا كَانَ فِيْكَ وَلَا اُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ لَوْ بَلَغَ ذُنُوْبُكَ عَنَامَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِىْ غَفَرْتُ لَكَ وَلَااُبَالِىْ يَا اِبْنِ اٰدَمَ اِنَّكَ لَوْ لَقِيْتَنِىْ بِقُرَابِ الْاَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيْتَنِىْ لَا تُشْرِكْ بِىْ شَيْئًا لَاَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً.
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ الله تعالي عنه قَالَ لَوْ تَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَضَلَلْتُمْ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, যদি তোমরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক ছেড়ে দাও, তাহলে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে । (সুনানু ইবনি মাজাহ্ শরীফ, ছহীহ মুসলিম শরীফ, সুনানু নাসায়ী শরীফ, শুয়াবুল ঈমান লিল বাইহাক্বী শরীফ-৪/৩৪১)
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উরওয়া ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় কুরাঈশ নেতৃবৃন্দ আমাকে আখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট পাঠালেন। আমি উনার দরবার শরীফে গিয়ে দেখতে পেলাম যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত নূরুল খুশূ’ মুবারক অর্থাৎ ওযূ মুবারক করছেন। আর সেই ওযূ মুবারকের ব্যবহৃত পানি মুবারক সংগ্রহের জন্য হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে শুরু হয়েছে প্রবল প্রতিযোগিতা। ম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِن تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا لَا يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا إنَّ اللَّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطٌ.
অর্থ: তোমরা যদি ধৈর্যশীল হও অর্থাৎ ইস্তিকামত থাকো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তবে কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। তারা যা করে, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি পরিবেষ্টন করে রয়েছেন। (তাদের প্রত্যেক কাজ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্যক অবহিত, কাজেই পরকালে উনার শাস্তির হাত হতে রেহাই পাওয়ার তাদের কোনো উপায় নেই)। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান: আয়াত শরীফ ১২০)
বাকি অংশ পড়ুন...












