এখন দেখা যায় কোন কোন ওয়াক্বিয়াগুলোকে, অর্থাৎ সামান্যটাকে তারা বড় করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। নাউযুবিল্লাহ! এখন যদি বলা হয় উনারাতো কাপড়-চোপড় তলব করেছেন, ভাতা তলব করেছেন। এটা স্বাভাবিক, হ্যাঁ ঠিকই আছে। এটা উনারা বলতে পারেন। একজন সন্তান তার পিতাকে বলতে পারে, একজন আহলিয়া তার আহালকে বলতে পারে যে, এটা আমার প্রয়োজন, এটা স্বাভাবিক। বলতে হবে, না বললে প্রয়োজন পূরা হবে কি করে। আর উনারাতো সবসময় দান-খয়রাত মুবারক করতেন। উনারা দান-খয়রাত মুবারক করতে করতে দেখা যেত উনাদের শুধু পরিধানের যে লিবাস মুবারক এটা ছাড়া সব দিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয় বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(৪)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ৪৭৬ হিজরী শরীফ এবং বিছাল শরীফ ৫৪৪ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আশ শিফা বিতা’রীফি হুকূকিল মুছত্বফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার মধ্যে বলেন-
قَالَ حَضْرَتْ اَبُوْ بَكْرِ بْنُ الْمُنْذِرِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَجْمَعَ عَوَامُّ اَهْلِ الْعِلْمِ عَلـٰى اَنَّ مَنْ سَبَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقْتَلُ وَمِـمَّنْ قَالَ ذٰلِكَ حَضْرَتْ مَالِكُ بْنُ اَنَسٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اَللَّيْثُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اَحْمَدُ رَحْمَةُ الله বাকি অংশ পড়ুন...
৪০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র না’লাইন শরীফ نُوْرُ الْفَخْرِ مُبَارَكٌ নূরুল ফখ্র মুবারক
৪১ স্পর্শকৃত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ধুলা-বালি মুবারক نُوْرُ الشَّرَافَةِ مُبَارَكٌ নূরুশ শরাফাত মুবারক
৪২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোট ইস্তিঞ্জা মুবারক نُوْرُ الشِّفَاءِ مُبَارَكٌ নূরুশ শিফা’ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَللهَ اَللهَ فِـىْ اَصْحَابِـىْ لَاتَتَّخِذُوْهُمْ غَرَضًا مِّنْ بَعْدِىْ فَمَنْ اَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّـىْ اَحَبَّهُمْ وَمَنْ اَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِىْ اَبْغَضَهُمْ وَمَنْ اٰذَاهُمْ فَقَدْ اٰذَانِـىْ وَمَنْ اٰذَانِـىْ فَقَدْ اٰذَى اللهَ وَمَنْ اٰذَى اللهَ فَيُوْشِكُ اَنْ يَّأْخُذَهٗ
অর্থ: আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আমার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার পরে উনাদেরকে তোমরা তিরস্কারের লক্ষ্যস্থল করো না। যে ব্যক্তি উনাদেরকে মুহব্বত করলো, সে আমা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এটি দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, রজবুল হারাম মাসের ২৭ তারিখ ইছনাইনিল আযীম শরীফ রাতে পবিত্র বরকতময় মি’রাজ শরীফ হয়েছে। কিন্তু কিছু উলামায়ে ‘সূ’, নামধারী আলেম বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যম, পত্র-পত্রিকা ও বই-পুস্তকের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে যে, মি’রাজ শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তাদের আপত্তি হলো, ২৭শে রজবের রাতেই মি’রাজ শরীফ হয়েছে এ কথা সঠিক নয়। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব তুলে ধরে এর বিভ্রান্তি নিরসন প্রয়োজন।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা কাহাফ’ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
ولا تطع من اغفلنا قلبه عن ذ বাকি অংশ পড়ুন...
নক্শবন্দিয়া ত্বরীক্বার বিশিষ্ট বুযূর্গ হযরত খাজা উবাইদুল্লাহ আহ্রার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশিষ্ট খলীফা, অসংখ্য কিতাব রচয়িতা, ফার্সী কবি হযরত নূরুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ জামি খোরাসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি অনেকবার পবিত্র হজ্জ সম্পাদন করেন। ৮৭৭ হিজরীতেও পবিত্র হজ্জে গমন করেন। যথা নিয়মে হজ্জের যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করেন। পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থানকালে তিনি ফার্সী ভাষায় একখানা না’ত শরীফ রচনা করেন। যা পবিত্র রওযা শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে সরাসর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা, যার মধ্যে পুরুষ-মহিলা উভয়ের জন্যই পবিত্র সুন্নতী লিবাস-পোশাকসহ মানব জীবনের সকল সমস্যার সুস্পষ্ট সমাধান দেয়া হয়েছে। অনেক আমলই মানুষ ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় করে থাকে। উক্ত আমল সমূহের মধ্যে কিছু আমল রয়েছে মূলতঃ পবিত্র সুন্নতী নেক আমল মুবারক। কিন্তু পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের নিয়তে উক্ত আমলগুলি আদায় না করার কারণে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রিদ্বামন্দি-সন্তুষ্টি এবং ছাওয়াব থেকেও বঞ্চিত হয়। ঐ সকল আমল মুবারক উনার মধ্যে একটি হলো মহিলাদের সম্মানিত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَة النَّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মু বাকি অংশ পড়ুন...
খাবারের মধ্যে ফুঁক দেওয়া অনেক রোগ পয়দা হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন খাবার ঠান্ডা করতে মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দিতেন না। যদিও উনি মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দিলে সেই খাবার হতো সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামতপূর্ণ, বরকতময় ও সেই খাবার গ্রহণকারী পেতেন রুহানী ও জিসমানী শেফা। তথাপি তিনি উম্মতকে শিক্ষা দেয়ার জন্য কোন খাবারে মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দেননি।
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাই বাকি অংশ পড়ুন...












