সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। প্রথম নিয় বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত শাহ্ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘ইযালাতুল খফা শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন,
بينا عمر رضي الله عنه ذات ليلةٍ يَعُسّ سمع صوت امرأةٍ من سطح وهي تُنشد
تطاول هذا الليل وازدرّ جانبه - وليس الي جنبي خليلٌ الاعبه
فوالله لو لا الله لا شئ غيره - لزعزع من هذا السرير جوانبه
مخافة ربي والحياء يصدني - واكرم بعلي ان تنال مراكبه
فقال عمر لا حول ولا قوة الا بالله ماذا صنعت يا عمر بنساء المدينة ثم جاء فضرب الباب علي حفصة ابنته فقالت ماجاء بك في هذه الساعة قال اخبريني كم تصبر المرأة المغيبة عن اهلها قالت اقصاه اربعة اشهر فلما اصبح كتب الي امرائه في جميع النواحي ان لا تجمّر البعوثُ وان لا يغيب رجلٌ عن اهله اكثر من اربعة اشهر.
অ বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম ত্ববারনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ جَارِيَةً لِحَفْصَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَحَرَتْهَا، فَاعْتَرَفَتْ بِهِ عَلَى نَفْسِهَا، فَأَمَرَتْ حَفْصَةُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بن زَيْدٍ، فَقَتَلَهَا
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার একটা দাসী ছিলো, সে ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনাকে জাদু করে। তারপর সে নিজে এ বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেয়। তখন ইবনাত বাকি অংশ পড়ুন...
‘ইবনে মাজাহ শরীফ এবং ত্ববারনী শরীফ’ উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে,
عَنْ حَفْصَةَ قَالَتْ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ إِنِّي لأَرْجُو أَلاَّ يَدْخُلَ النَّارَ أَحَدٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا وَالْحُدَيْبِيَةَ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ أَلَيْسَ قَدْ قَالَ اللَّهُ وَإِنْ مِنْكُمْ إِلا وَارِدُهَا كَانَ عَلَى رَبِّكَ حَتْمًا مَقْضِيًّا قَالَ أَلَمْ تَسْمَعِيهِ يَقُولُ ثُمَّ نُنَجِّي الَّذِينَ اتَّقَوْا وَنَذَرُ الظَّالِمِينَ فِيهَا جِثِيًّا.
অর্থ: “ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
فَنَزَلَ عَلَى رسول الله صلى الله عليه وسلم جِبْرِيلُ وَقَالَ إِنَّ حَفْصَةَ صَوَّامَةٌ قَوَّامَةٌ وَكَانَتِ امْرَأَةً صَالِحَةً.
অর্থ: “হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ এসে বলেন, নিশ্চয়ই ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ্ আলাইহাস সালাম তিনি অধিক রোযা পালনকারিনী এবং রাতের বেলায় অধিক ইবাদাতকারিনী।” সুবহানাল্লাহ!
অপর বর্ণনায় রয়েছে,
فَإِنَّهَا صَوَّامَةٌ قَوَّامَةٌ وَهِيَ زَوْجَتُكَ فِي الْجَنَّةِ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’ম বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত খিলাফত মুবারক একখানা খাছ মাক্বাম মুবারক
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَعَدَ اللهُ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مِنْكُمْ وَعَمِلُوا الصّٰلِـحٰتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِى الْاَرْضِ كَمَا اسْتَخْلَفَ الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِهِمْ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি ওয়াদা মুবারক দিচ্ছেন যে, যাঁরা সম্মানিত ঈমান আনবেন এবং আমলে ছালেহ করবেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং নিজে উনাদেরকে অবশ্যই অবশ্যই দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত খিলাফত মুবারক হাদিয়া মুবারক করবেন, যেমন তিনি পূর্ববর্তী উনাদেরকে হাদিয়া মুবারক করেছিলেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা নূর শরীফ : সম্মানিত ও পব বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
وُلِدَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ اَلرَّابِعَةُ اِبْنَتُ اَبِيْهَا عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ حَفْصَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ) وَقُرَيْشٌ تَبْنِي الْبَيْتَ قَبْلَ مَبْعَثِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِخَمْسِ سِنِينَ
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘আহ্ ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ৫ বছর পূর্বে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিল বাকি অংশ পড়ুন...
বিজয় এবং আত্মগৌরব লুকিয়ে আছে স্পেনের ইতিহাসে। দেশটিতে ইসলামি স্থাপনার নিদর্শন রয়েছে। এর অন্যতম কুরতুবা মসজিদ যা কর্ডোবা মসজিদ বা কর্ডোবা ক্যাথিড্রাল মসজিদ নামেও পরিচিত। স্থানীয়দের কাছে মসজিদটি ‘দ্যা গ্রেট মেজিকিতা অব কর্ডোভা’ নামে অধিক পরিচিত। মসজিদকে স্প্যানিশ ভাষায় বলা হয় মেজিকিতা।
খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় হওয়ায় ১৯৮৪ সাল থেকে তারা মসজিদটিতে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক প্রত্মতত্ত্ব সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে নাউযুবিল্লাহ!
ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারের মতে, বিস্ময়কর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।” সুবহানাল্লাহ!
আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি আমার পবিত্র সুন্নত উনাকে মুহব্বত করলো প্রকৃতপক্ষে সে যেন আমাকেই মুহব্বত করলো। আর যে ব্যক্তি আমাকে মুহব্বত করলো সে আমার সাথেই পবিত্র জান্নাত উনার মধ্যে অবস্থান করবে।” সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
জয়পাল বা অজয়পালের
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ:
উল্লেখ্য যে হিন্দুদের মধ্যে যারা যোগসাধন করে তাদেরকে বলা হয় যোগী। জয়পাল ছিলো যোগী রাজ। সবাই তাকে গুরু মানতো। কেউ কেউ তাকে অজয়পাল বলেও সম্বোধন করেছে।
সব শুনে জয়পাল পৃথ্বিরাজকে আশ্বস্ত করে বললো, তুমি চিন্তা করো না। আমি মুসলমান সূফী সাধকগণকে ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত করার সকল ব্যবস্থা যথাযথভাবে করবো।
তবে একটি কাজ করলে ভালো হতো। যদি রাজ্যের সমস্ত লোক মুসলমানগণের পরাজয়ের এ দৃশ্য স্বচক্ষে দেখতে পায় তাহলে কেউ কখনো আর সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করতো না। কাজেই সকল লোককে সমবেত করা উচিত। প বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি মুস্তাজাবুদ দাওয়াত:
সুলত্বানুল মাশায়িখ, ইমামুল মুহসিনীন, ইমামুছ ছিদ্দীক্বীন, ফখরুল আরিফীন, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম তিনি মুস্তাজাবুদ দাওয়াত। উনার প্রতিটি দোয়া বা আরজু কবুল করা হতো তাই উনাকে মুস্তাজাবুদ দাওয়াত বলা হয়। তিনি যখন যা দোয়া মুবারক করতেন তখন তাই কবুল হতো। সুবহানাল্লাহ!
বর্ণিত আছে যে, এক ব্যক্তি একদিন ইমামুল মুহসিনীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম উনাকে এই মর্মে দোয়া করতে অনুরোধ করলেন: মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি তাকে এত অর্থ সম্পদ দান করুন, যাতে সে অনেকবার বাকি অংশ পড়ুন...












