তারা নামধারী মুসলমান হোক বা কাফির হোক অথবা নাস্তিক হোক কিংবা যে কোন ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন। তাদের তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। শুধু তাই নয়, তাদেরকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ দৃষ্টান্তমূলকভাবে মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। তা শরীয়তের অন্যান্য বিধান অমান্য করার কারণে যেরূপ কঠিন শাস্তি দেয়া হয়, তার চেয়ে আরো লক্ষ কোটি গুণ বেশি কঠিনভাবে লাঞ্ছনাদায়ক শরঈ শাস্তি দিয়ে হত্যা করতে হবে। এমনকি যারা তাদেরকে সমর্থন করবে, তাদেরও একই হুকুম’
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
اَنَّهٗ مَنَعَ الزَّكٰوةَ زَمَنَ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَبِىْ بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَاَرْسَلَ اِلَيْهِ حَضْرَتْ خَالِدَ بْنَ الْو বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক বানিয়াবাসী মসজিদ
বানিয়াবাসী মসজিদ বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় অবস্থিত পূর্ব ইউরোপ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ, যা ১৫৭৬ খৃ: বুলগেরিয়া মুসলিম শাসনাধীন থাকাবস্থায় তুরস্কের উসমানীয় সুলতান সুলাইমান কানুনীর নির্দেশে উসমানীয় সালতানাতের প্রখ্যাত স্থপতি মিমার সিনান পাশা নির্মাণ করেন, যিনি তুরস্কের এডিরনিতে অবস্থিত সুলতান দ্বিতীয় সেলিম মসজিদ ও ইস্তাম্বুলের ঐতিহ্যবাহী 'নীল মসজিদ খ্যাত সুলতান আহমদ মসজিদ নির্মাণ করে স্থাপত্যকলার ইতিহাসে স্মরণীয় বরণীয় হয়ে আছেন। বনিয়াবাসী মসজিদটি নির্মাণে উসমানীয় সালতানাতের বাকি অংশ পড়ুন...
উসমানীয় সালতানাতের সুলতানগণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারকসমূহ পালন এবং তা সালতানাতের সব জায়গায় বাস্তবায়নের চেষ্টা করতেন। এমনই একটি সুন্নত মুবারক হলেন কুস্তি লড়া। আবু দাউদ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রোকনা পালোয়ানকে কুস্তিতে ধরাশায়ী করেছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
এই মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালনার্থে উসমানীয় সুলতানরা জাকজমকের সাথে প্রতি বছর কুস্তি প্রতিযোগীতার আয়োজন করতেন। এক বাকি অংশ পড়ুন...
‘কুফর’ শব্দের আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ হচ্ছে অস্বীকার করা। পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা অস্বীকার করাই হচ্ছে কুফর বা কুফরী। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হিদায়েতসহ পবিত্র দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে এসেছেন। যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
هُوَ ٱلَّذِىٓ أَرْسَلَ رَسُولَهُۥ بِٱلْهُد বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَـٰكِنَّ اللَّـهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِكُمْ وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ ۚ أُولَـٰئِكَ هُمُ الرَّاشِدُونَ
অর্থ : মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের প্রতি পবিত্র ঈমানকে প্রিয় করেছেন এবং পবিত্র ঈমান দ্বারা আপনাদের অন্তর মুবারক সৌন্দর্যমন্ডিত করেছেন এবং আপনাদের কাছে কুফরী, ফাসিকী, নাফরমানীমূলক বিষয়গুলোকে অপ্রিয়, অপছন্দনীয় করেছেন। উনারাই হচ্ছেন প্রকৃত হিদায়েতপ্রাপ্ত। (পবিত্র সূরা হুযুরাত: আ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছোহবত মুবারকের তা’ছীর বা প্রভাব:মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ رَحْمَتَ اللهِ قَرِيْبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِيْنَ
অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুহসিন তথা ওলীআল্লাহগণ উনাদের নিকটে। (পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِنَّ اللهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِيْنَ
অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মুহসিন তথা ওলীআল্লাহগণ উনাদের সাথেই আছেন। (পবিত্র সূরা আনকাবুত শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৯)
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক:
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত ও পবিত্র নাম মুবারক হযরত যয়নাব আলাইহাস সালাম
কুরাইশ গোত্রের বনু আসাদ বংশে উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ।
উনার সম্মানিত পিতার নাম হযরত জাহাশ আলাইহিস সালাম, যিনি ইসলাম-পূর্ব যুগে বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। পিতার দিক থেকে তিনি ১০ম পুরুষে গিয়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মিলিত হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ।
উনার ৯ম পূর্ব-পুরুষ হচ্ছেন হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
ফাসিকদের প্রশংসা প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যখন কোন ফাসিক লোকের প্রশংসা করা হয় তখন মহান আল্লাহ পাক এতোটা অসন্তুষ্ট হন যে, পবিত্র আরশে আযীম উনার খুঁটিগুলো (ভয়ে) প্রকম্পিত হতে থাকে। ”
ফাসিক কাকে বলে? ফাসিক হচ্ছে ঐ ব্যক্তি যে ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদা তরক করে বা অমান্য করে। অর্থাৎ সে মুসলমান বা ঈমানদার হলেও আমলে ত্রুটি আছে, ফরয-ওয়াজিব বা সুন্নতে মুয়াক্কাদা আমলসমূহ সে পালন করেনা কিংবা হারাম নাযায়েজ কাজে লিপ্ত রয়েছে। সে মুসলমান হওয়ার পরেও যদি তার প্রশংসা করলে মহান আল্লাহ পাক এতোটা অসন্তুষ্ট বাকি অংশ পড়ুন...
টুপি ব্যবহার করা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক।
কেউ কেউ মাথায় টুপি পরিধান করাকে গুরুত্ব দেয় না, যার কারণে টুপি মাথায় না দিয়েই অর্থাৎ খালি মাথায় নামায আদায় করে। কিন্তু মাসয়ালা হচ্ছে, কেউ যদি ইচ্ছা করে বা বিনা কারণে টুপি ছাড়া নামায পড়ে, তাহলে তার নামায মাকরূহে তাহরীমী হবে। যদিও কেউ কেউ এতে ইখতেলাফ করেছেন, তবে হানাফী মাযহাব অনুযায়ী বিশুদ্ধ ফতওয়া হলো এঅবস্থায় নামায মাকরূহে তাহরীমী হবে। আর বিনা টুপিতে নামায পড়লে নামায মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার খিলাফ হবে বাকি অংশ পড়ুন...
খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে চিনি একটি অতীব প্রয়োজনীয় পণ্য। আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন খাদ্যে চিনির প্রয়োজন পড়ে। বাংলাদেশের বাজারে প্রধানত দুই ধরণের চিনির দেখা মেলে। সাদা চিনি ও লাল চিনি। লাল চিনি মূলত দেশীয় আখ থেকে তৈরী করা।
দেশে আখের চিনি সরবরাহকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) আওতাভুক্ত ১৬টি চিনিকল। আর বিটনির্ভর আমদানিকৃত ও পরিশোধিত চিনি সরবরাহ দিচ্ছে গুটিকয়েক বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে উৎপাদিত চিনির চাহিদা সাম্প্রতিক সময়ে বাড়লেও এখনও সার বাকি অংশ পড়ুন...












