১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার জুমাদাল ঊলা শরীফ মাসের কথা। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত আপন ভাই আমাদের মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুনা হযরত চাচা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি একখানা স্বপ্ন মুবারক দেখেন। তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে দেখতেছি, সম্মানিত ক্বাদেরীয়া ত্বরীক্বাহ্ উনার সম্মানিত ইমাম হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহাসম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ্ শরীফ চতুর্থ তলা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খানকাহ্ শরীফ উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “গত রাত্রে অর্থাৎ মহাসম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাসাউফ হাছিলের জন্য বাগদাদ শরীফ-এ গমন:
গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি স্বয়ং নিজেই বলেন, ইহা শুনে আমি বাড়িতে ফিরে আসলাম। বাড়ির ছাদে আরোহণ করতঃ গভীর চিন্তায় মগ্ন হলাম। এমন সময় দূরে দেখতে পেলাম- একটি বিরাট কাফেলা বাগদাদ শরীফ-এর দিকে যাচ্ছে। আমি এ দৃশ্য দেখে ছাদের উপর আর স্থির থাকতে পারলাম না। ছাদ থেকে নেমে স্নেহময়ী মাতার নিকট মনের অবস্থা ও আরজু ব্যক্ত করলাম। প্রায় ৭৮ বছর বয়স্কা বৃদ্ধা মাতা দ্বিধাহীন চিত্তে, পরমপ্রিয় চোখের মণি, একমাত্র সহায়-সম্বল, ইলিম পিপাসী পুত্রকে স্বাচ বাকি অংশ পড়ুন...
মাহে রমাদ্বান মাসটি উম্মতে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ফযীলত হাছিলের মাস। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ ◌
অর্থ : হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর (সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ উনার) রোযা ফরয করা হয়েছে; যেরূপ ফরয করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর। উনার মাধ্যমে অবশ্যই তোমরা তাক্বওয়া হাছিল করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ১৮৩)
স্মরণীয়, ‘তাক্বওয়া’ হচ্ছে সমস্ত আমলের মূল। তাই মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا اَيُّهَا الَّذِينَ اٰمَنُوا ادْخُلُوْا فِى السِّلْمِ كَافَّةً. وَلَا تَتَّبِعُوْا خُطُوٰتِ الشَّيْطٰنِ اِنَّهٗ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِيْنٌ
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণরূপে দাখিল হও (প্রবেশ করো)। তোমরা কখনও শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ: আয়াত শরীফ ২০৮)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ইশা উনার নামায আদায়ের পর পবিত্র তারাবীহ্ নামায দুই রাকায়াত, দুই রাকায়াত করে ২০ রাকায়াত আদায় করতে হয়। প্রথমে জায়নামাযে দাঁড়িয়ে জায়নামাযে দাঁড়ানোর দু‘আ মুবারক পাঠ করতে হবে। অতঃপর নিয়ত করতে হবে এবং অন্যান্য নামাযের ন্যায় নামায শেষ করতে হবে। চার রাকায়াত পর পর নির্ধারিত দু‘আ মুবারক পাঠ করতে হবে এবং হাত তুলে মুনাজাত করতে হবে। পবিত্র তারাবীহ্ নামায আদায় শেষে পবিত্র বিতির নামায আদায় করতে হবে।
পবিত্র জায়নামায উনার উপর দাঁড়িয়ে দু‘আ মুবারক-
اِنِّىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَ السَّمٰوٰتِ وَاْلاَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا اَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ.
পবি বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ মুসলমানদের ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির মাস হলেও দেখা যায়, অনৈতিকভাবে প্রতিবছর রমাদ্বান শরীফ মাসে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়ে যায়। কিন্তু তার বিপরীত চিত্রের দেখা মেলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
এসব দেশ রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষ্যে বড় চেইনশপ থেকে শুরু করে ছোট দোকানেও দেয় বিশাল ছাড়। ক্রেতাদের কে কত বেশি মূল্য ছাড় দিতে পারে, সেটা নিয়ে রীতিমতো চলে প্রতিযোগিতা।
ইতোমধ্যে আরব আমিরাতে বিভিন্ন কোম্পানি ঘোষণা করেছে রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষ্যে ৭০ শতাংশ ছাড়ে পণ্য বিক্রি করবে। দেশটিতে রমাদ্বান শরীফ শুরুর অন্তত ১০ দিন আগ থ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে ইদানীং বাচ্চাদের হাঁপানি অনেক বেড়ে গেছে। বাচ্চাদের কোমল পানীয়ে ব্যবহৃত আরেকটি অনুমোদিত হলুদ রং ইয়েলো-৭-জি’সহ বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়ে ব্যবহৃত রংগুলো এজন্য প্রধানত দায়ী। বিজ্ঞানীরা বাচ্চাদের হার্টের অসুখের সাথেও এখন এসব রং এর সম্ভাব্য সম্পর্ক খতিয়ে দেখছে। অথচ দুঃখের কথা হচ্ছে যে, আমাদের দেশে বাচ্চাদের খাদ্য ও পানীয়গুলোতেই রং বেশি বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলো খেয়ে কত বাচ্চা যে ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সরকার তার কোনো নজরদারী করছে না, দায়ভার নিচ্ছে না।
আমাদের বাজারে ভারতীয় অজস্র কোম্পানির পাশাপাশি আইসিআই, বায়া বাকি অংশ পড়ুন...












